আক্রান্ত

৭৭৮,৬৮৭

সুস্থ

৭১৯,৬১৯

মৃত্যু

১২,০৭৬

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • বরগুনা ১,০০৮
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • ঢাকা ১৫০,৬২৯
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • যশোর ৪,৫৪২
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • মাদারিপুর ১,৫৯৯
  • মাগুরা ১,০৩২
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • নাটোর ১,১৬২
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • রাঙামাটি ১,০৯৮
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • শরিয়তপুর ১,৮৫৪
  • শেরপুর ৫৪২
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • বান্দরবান ৮৭১
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • ভোলা ৯২৬
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • খুলনা ৭,০২৭
  • নড়াইল ১,৫১১
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন৩১শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

১লা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি

নোটিশঃ
★সিলেটের বার্তায় প্রতিনিধি/সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। তাই যোগাযোগ করুন নিম্নের মেইল অথবা নাম্বারে।

অসহ্য গরমে পুড়ছে সিলেট

প্রচণ্ড তাপদাহ শুরু হয়েছে সিলেট নগরীতে। সিলেটে মঙ্গলবার চলতি মৌসুমের তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে সেলসিয়াস। এর আগের দিন সোমবার ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল বলে সিলেট আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়।

অসহনীয় গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গরম বাতাস শরীরে বিঁধছে আগুনের হলকার মতো। এতে শিশু ও বৃদ্ধরা দুর্বিষহ দিন অতিবাহিত করছেন। আর কর্মজীবী মানুষের নাকাল অবস্থা। মানুষের পাশাপাশি পশু-পাখিও হাঁসফাঁস করছে। ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি নেই। প্রখর রোদে মাটি ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। সিলেটের আবহাওয়া পরিস্থিতি এরকম আরও কয়েকদিন থাকবে। সুখবর নেই বৃষ্টির।

ঠিক দুপুরে নগরীর রাস্তাঘাট যেনো জনশূন্য হয়ে যাচ্ছে। সবাই যেনো নিরিবিলি আর গাছতলার মৃদু বাতাসের সন্ধান খোঁজছেন। বৈশাখের শেষে মধু মাসের শুরুতেই প্রচণ্ড গরমে জনজীবন হয়ে উঠেছে বিপর্যস্ত। আর নগরীবাসীর বেলায় গরমটা যেন এখানকার জনসাধারণকে পুড়িয়ে মারে। প্রখর সূর্যতাপে মানুষের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড পর্যন্ত এখানে বিঘিœত হচ্ছে। কর্মজীবী মানুষ ছাড়া কেউই খুব জরুরি কাজ না থাকলে বাইরে বের হচ্ছেন না।

দু’দিন থেকে হঠাৎ্ করে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ডায়রিয়া, জ্বর, সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন উপসর্গে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এসব রোগে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা ও শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তদের দুর্ভোগ বেড়েছে তীব্র গরমে।

এব্যাপারে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সুকান্ত মজুমদার শ্যামল সিলেটকে জানান, অতিরিক্ত আর অসহনীয় গরমে প্রথমত ঘামের কারণে শরীরের পানি শূণ্যতা দেখা দেয়। পানিশুণ্যতা রোধ করার জন্য স্যালাইন বা পানির মধ্যে অল্প লবন মিশিয়ে পান করাই ভালো। এছাড়া চর্মরোগ যাকে আমরা গামাছি আর, পাঙ্গাস ছাড়াও জ্বড় ও সর্দিও হতে পারে। গরমের দিনে ফুটপাতে থাকা খোলাবাজারের শরবত ইত্যাদি পানিয় পান করে ডায়রিয়া হওয়ার আশংকা থাকে বেশী।

বিরই। বয়স ৩৫-৪০ এর মত হবে। কর্মহীন ভবঘুরে লোকটি। মঙ্গলবার বেলা ২টায় নগরীর শিবগঞ্জ পয়েন্টে কথা হচ্ছিল তার সাথে। গরম নিয়ে তার কথা সোজাসাপ্টা। তার ভাষায়, ‘আমাগো কিছু করার নাই। কিয়ের গরম আর কিয়ের শীত। না খাইয়া মরব, তাই রাস্তায় রাস্তায় ঘুরাফেরা আর মানুষের কাছে হাত পাতি। কথা বলতে বলতে বার বার নিজের মুখটা মুছে নিচ্ছিলো এই লোকটি। এ দৃশ্য থেকেই তার অবস্থাটা বোঝা যাচ্ছিলো। বললেন আরও অনেক কথা। নিজের দীনতার কথা।

অসহীয় গরমে ডাবের কদর বেজায় বেড়েছে। তারাবির পর ডাব বিক্রর দুম পড়ে যায় সেলিম মিয়ার দোকানে। নগরীর শিবগঞ্জ সোনারপাড়াস্থ উপশহর মেইন রোডের ব্যবসায়ী সেলিম মিয়া বলেন-গরমে ডাবের চাহিদা বেশী। চা-পান বিক্রির পাশাপাশি আমি এখন ডাবও বিক্রি করি। মানুষজন স্বাচ্ছন্দ্যে ডাবের পানি পান করে আরামবোধ করেন।

বন্দরবাজার করিম উল্লাহ মার্কেটের একজন ব্যবসায়ী বলেন, আমাদের মার্কেটে অন্যান্য মার্কেটের তুলনায় গরম বেশী। গরমের কারণে দোকানে বসে ব্যবসা করাটা খুব কষ্টকর।

অসহ্য গরমে নগর জীবন বিপন্ন প্রায়। তবুও ব্যস্ততা থেমে নেই। যে যার কাজে ব্যস্ত। গরমে কষ্ট হলেও থেমে নেই নগরীর ব্যস্ততা।

সিলেট আবহাওয়া কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ জানান, সিলেটজুড়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এটা অস্বাভাবিক তাপমাত্রা নয়। বৈশাখে বৃষ্টি না থাকায় এমন আবহাওয়া। চলমান এ তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে আরও সপ্তাহখানিক। তবে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে; রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, বুধবার ভোরে সিলেটে কালবৈশাখীকে সঙ্গী করে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও এই বৃষ্টিতে তাপমাটায় কোনো হের ফের হবে না। ইতোমধ্যে সিলেটে অনেক এলাকায় তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে।

সোমবার সিলেটে ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বিরাজ করছিলো জানিয়ে তিনি বলেন, সিলেটে মঙ্গলবারের তাপমাত্রা ৩২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা গত তিন-চারদিন থেকে বিরাজ করছে। তবে সিলেটের সর্বোচ্চ তাপমাতা ছিলো ২০১৪ সালের মে মাসে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে সিলেট প্রচুর বৃষ্টিপাত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মে মাসের শুরু থেকে সিলেটে প্রচুর বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তখন তাপমাত্রা কিছুটা কমতে শুরু করবে।

শেয়ার করুন
  •  
  • 52
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





Sylheter#Barta@777

©এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব sylheterbarta24.com কর্তৃক সংরক্ষিত