বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৮:১৭ অপরাহ্ন৬ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নোটিশঃ
সিলেট চারটি বিভাগ ও সকল উপজেলা  উপজেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আবেদন পাঠাতে আপনাকে যা করতে হবে : • ছবিসহ জীবন বৃত্তান্ত পাঠাতে হবে আমাদের ই মেইলে। ই-মেইল: sylheterbarta24.com@gmail.com • সিভি অবশ্যই নিজের ব্যক্তিগত মেইল থেকে পাঠাতে হবে। কারণ যে মেইল থেকে সিভি পাঠাবেন পত্রিকা থেকে সেই মেইলেই রিপ্লাই দেয়া হবে। •ই-মেইল পাঠাতে বিষয় বস্তু অর্থাৎ Subject–এ লিখতে হবে কোন জেলা/ উপজেলা/ ক্যাম্পাস প্রতিনিধি। •আবেদনকারীকে সর্বনিন্ম এইচএসসি পাশ হতে হবে। •পরিশ্রমী, মেধাবী এবং আগ্রহী অভিজ্ঞ/নতুনদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। •নিউজের পাশাপাশি প্রতিনিধিদের পত্রিকার আয়ের একমাত্র উৎস বিজ্ঞাপন সংগ্রহেও মনোযোগী হতে হবে। •প্রার্থীদের মধ্যে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত জেলা/উপজেলা/ক্যাম্পাস প্রতিনিধিদের নিয়মিত সম্মানী বাবদ প্রতিনিধিদের নিজের পাঠানো বিজ্ঞাপনের আয়ের ৫০% বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধের সাথে সাথেই দেয়া হবে। বিজ্ঞাপন না দিলে সিলেটের বার্তা কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার সম্মানী প্রদান করবে না। •নিজেদের প্রকাশিত নিউজ অবশ্যই নিজের ফেসবুকে শেয়ার করতে হবে একই সঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমেও শেয়ার করতে হবে। •অবশ্যই অফিস থেকে দেয়া এ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে। • নিউজ অবশ্যই ইউনিকোড ফন্টে লিখতে হবে। সাথে অবশ্যই নিউজ সংশ্লিষ্ট ছবি পাঠাতে হবে। • চূড়ান্ত নিয়োগের পর আইডি কার্ড প্রদান করা হবে। বি:দ্র: সিলেটের বার্তা ২৪.কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল কোন গ্রুপ/কোম্পানীর অর্থায়ন বা স্পন্সর দ্বারা পরিচালিত নয়। নিজস্ব আয়ে অনলাইন পত্রিকা পরিচালিত হয়। তাই সিলেটের বার্তাকে নিজের পত্রিকা ভাবতে পারলেই আবেদন করবেন।  
সংবাদ শিরোনাম :
কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জের পরিত্যক্ত রোপওয়ে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনা হবে সিলেটে হবে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের ৩টি ম্যাচ, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেবে এসএমপি দোয়ারাবাজারে পিআইসি সভাপতির গর্ত কেড়ে নিল বৃদ্ধের প্রাণ জামিয়া আঙ্গুরার কৃতি ছাত্রদের বৃত্তি প্রদান করল আঙ্গুরা মুহাম্মদপুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অস্ট্রেলিয়ায় মধ্যাকাশে মুখোমুখী দুই বিমান, নিহত ৪ মানব পাচার মামলায় মাধবপুরের কাউন্সিলর গ্রেফতার দক্ষিণ সুরমা ও জকিগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে আটক ২ সিলেটে যাত্রীবাহী বাস আটকে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কারসহ নগদ টাকা লুট তাহিরপুরে পতাকাবৈঠকে চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচার নিয়ে আলোচনা মরা গাঙে রূপ নিয়েছে সুরমা নদী
আপনার সোনামণিকে যে কারণে সরকারি বিদ্যালয়ে পড়াবেন

আপনার সোনামণিকে যে কারণে সরকারি বিদ্যালয়ে পড়াবেন

মো. আক্তার হোসেন:: শিক্ষা প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। এজন্য সরকার ইতিমধ্যে শতভাগ শিশুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত করেছে। সেই সাথে শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে ধরে রাখার জন্য অর্থ্যাৎ শিক্ষার্থী যাতে ঝরে না পড়ে সেজন্য মিড-ডে মিল, শতভাগ উপবৃত্তি প্রদান সহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহন করেছে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তারই সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উদ্দ্যোগে দেশে ৬৫৫৯৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয় করন করা হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন ধাপে এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

কিন্তু শিক্ষা নিয়েও একশ্রেণির মানুষ সেবার নামে ব্যবসা শুরু করেছে। যার ফলশ্রুতিতে ব্যঙের ছাতার মত দেশে প্রায় ৭০ হাজার কিন্ডার গার্টেনসহ বিভিন্ন ধরনের বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই ৭০ হাজারের মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান বাদে অধিকাংশেরই নেই মানসম্মত শিক্ষাদান ব্যবস্থা। সরকারী বিদ্যালয়ের চেয়ে সেখানে অধিকাংশ সুযোগই অনুপস্থিত। তাই কেন আপনার সন্তানকে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াবেন তার কিছু কারন-

১। বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩০০ থেকে ৩০০০ বা তারও বেশি টাকা পর্যন্ত বেতন দিতে হয়। এছাড়াও ভর্তি ফি, সেশন ফি, স্পোর্টস, শিক্ষা সফর, নোট, গাইড বিতরন সহ বিভিন্ন নামে শিক্ষার্থীদের নিকট হতে চাঁদা আদায় করা হয়। অধিকাংশ অভিভাবকের জন্য এই ব্যয় বহন করা কষ্ট সাধ্য। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এধরনের কোন টাকা দিতে হয় না।

২। শিক্ষার্থীর রুচি ও সামর্থ্যের বাইরেও বেসরকারী স্কুলে সরকার নির্ধারিত বইয়ের বাইরেও অতিরিক্ত অনেক বই পড়ানো হয় এই অতিরিক্ত বইয়ের বোঝা বহন করতে শিক্ষার্থীর নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক সমস্যা হয়ে থাকে।

৩। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোন বই কিনতে হয়না। বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহপাঠ্যক্রমের নামে বিভিন্ন বই কিনতে বাধ্য করা হয়।

৪। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতভাগ শিশুকে উপবুত্তি প্রদান করা হয়। বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের এই সুযোগ নাই।

৫। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকই প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। পিটিআিইতে ১ বছরের প্রশিক্ষণ ছাড়াও বিষয়ভিত্তিক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ পেয়ে থাকে। বর্তমানে শিক্ষকদের বিদেশেও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এতে উক্ত শিক্ষকগণ নবতর ধ্যান-ধারনা প্রয়োগ করে শিক্ষাদান করে থাকেন। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ এইভাবে প্রশিক্ষিত না। যদিও কিছু বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ নিজস্বভাবে প্রশিক্ষিত।

৬। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিবেশ অনেকটাই খোলামেলা। শিশুদের খেলার জন্য রয়েছে মাঠ। প্রত্যেক বিদ্যালয়ের ভবনই পাকা এবং আকর্ষণীয় শ্রেণিকক্ষ। ওয়াস ব্লকের আওতায় রয়েছে একতলা/দ্বিতল স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট। বিদ্যালয় রাস্তার পাশে অবস্থিত হলে তৈরি করা হচ্ছে সীমানা প্রাচীর।

৭। সরকার প্রায় সকল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ, প্রজেক্টর বিতরন করেছে। এসব আধুনিক এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষাদান করা হয়। অল্পকিছু বিদ্যালয় ছাড়া অধিকাংশ বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই সুযোগ নাই।

৮। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জাতীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনের সুযোগ আছে। বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই সুযোগ খুবই সীমিত।

৯। বর্তমানে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোন ধরনের শারীরিক বা মানসিক শাস্তি দেওয়ার সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে আইনের কঠোর প্রয়োগ রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা নির্ভয়ে শিক্ষালাভের সুযোগ পায়।

সরকারী এত সুযোগ সুবিধার পরও আমাদের দেশের অনেক সচেতন এবং বিত্তশালী অভিভাবক তাদের সন্তানদের বিভিন্ন ধরনের বেসরকারী স্কুলে পড়াচ্ছেন। অনেকে মনে করেন তাদের সন্তানের জন্য মাসে যত বেশি হাজার টাকা বেশি খরচ হবে তত তাদের মর্যাদা বাড়বে। তবে বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুযোগ-সুবিধা কম থাকা সত্তে¡ও শুধুমাত্র সঠিক সেবা প্রদানের মাধ্যমেই তারা অভিভাবকদের আকৃষ্ট করছে। এক্ষেত্রে সরকারী শিক্ষকগণ এবং শিক্ষা প্রশাসনকে আরও আন্তরিক এবং সঠিভাবে তাদের সেবা প্রদান করতে হবে। তাহলেই সকল অভিভাবক তাদের সন্তানকে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করাবেন। আর সেটা দেশের মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়ন এবং অর্থনীতির জন্য সুফল বয়ে আনবে।

লেখক: সাংবাদিক

Last Updated on

শেয়ার করুন
  • 34
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





themesba-zoom1715152249
সিলেটের বার্তা টুয়েন্টি ফোর ডটকম কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত
Developed By: Nagorik IT