শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৬:০৭ অপরাহ্ন১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১৪ই রজব, ১৪৪২ হিজরি

নোটিশঃ
★সিলেটের বার্তায় প্রতিনিধি/সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। তাই যোগাযোগ করুন নিম্নের মেইল অথবা নাম্বারে।
এবার গোয়াইনঘাটে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে জামাত-শিবিরের মিথ্যাচার

এবার গোয়াইনঘাটে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে জামাত-শিবিরের মিথ্যাচার

সিলেটের বার্তা ডেস্ক:: সিলেটের গোয়াইনঘাটে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারে মেতে উঠেছে জামাত-শিবিরের একটি চক্র।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেহপুর ৪র্থ খন্ড গ্রামের মৃত কলিম উল্লাহর ছেলে আনসার আহমদ সিলেট প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনটি ওই দুুুই সাংবাদিকের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে দৈনিক সবুজ সিলেট পত্রিকার স্টাফ ফটো সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন টিপু ও দৈনিক দিনকাল পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি মো. ইসলাম আলীর নামে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্যোশ্যপ্রণোদিত একটি মনগড়া বক্তব্য উল্লেখ করে গণমাধ্যমে এক বিবৃতি দিয়েছেন সাংবাদিক মো. ইসলাম আলী।

মো. ইসলাম আলী বিবৃতিতে বলেন, আমি সংবাদপত্রে কাজ করার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে জড়িত আছি। এবং বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছি যাহা সিলেটবাসী জানেন। আমি সিলেট জেলা ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের কার্যকরী কমিটির সদস্য। নিজ গ্রামের মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য ফতেহপুর ইউনিয় পরিষদে ২০০৩ সালে সদস্য পদে প্রার্থী হই এবং ১০ ভোটে পরাজিত হয়েও এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম। গত দুটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হই। সর্বশেষ নির্বাচনে আমি স্বত্বন্ত্র প্রার্থী হয়েও ধান প্রতীকের চেয়েও বেশী ভোট পাই। তাই আগামী নির্বাচনে আমার বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় আব্দুল্লাহ চক্রটিকে দিয়ে পরিকল্পিতভাবে আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার লক্ষ্যে আমার নিজ গ্রামের ‘লামা ফতেহপুর’ রাস্তা তাদের মৌরশী দাবি করে তাদের দাদা আব্দুল গফুর রোড নামে নামকরণ করতে চায়।

যার প্ররিপ্রেক্ষিতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যান আমিনুর রহমান চৌধুরীর কাছ থেকে একটি প্রত্যয়নপত্র নিয়ে ‘হাজি গফুর আলী রোড’ করতে চাইলে গ্রামবাসী বাধা প্রদান করেন। গ্রামবাসীর প্রতিবাদের প্রেক্ষিতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভুল স্বীকার করে তার পূর্বের দেওয়া প্রত্যায়নপত্রটি বাতিল ঘোষণা করেন। ক্ষিপ্ত হয়ে আব্দুল্লাহ গং রাস্তাটি কেটে ছোট করে ফেললে গত ১৯ এপ্রিল চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান চৌধুরী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে গ্রামবাসীর কাছে আরেকটি প্রত্যয়নপত্র প্রদান করেন।

গ্রামবাসী তাদের ভয়ে মুখ খুলতে না পারায় আমি বাদি হয়ে গ্রামবাসীর পক্ষে গণস্বাক্ষরিত একটি সাধারণ ডায়েরি গোয়াইনঘাট থানায় করি। যাহার নম্বর ৮৪। সাধারণ ডায়েরির পরিপ্রেক্ষিতে গোয়াইনঘাট থানার এসআই কাওছার আহমদ ঘটনাস্থলে এসে সরজমিনে আব্দুল্লা-ছালেক-মাতাবকে রাস্তার কাজ বন্ধ করেছে কেন জানতে চাইলে তারা কোনে সুদুত্তর না দিতে পেরে আমার বাড়ির উপর জমি পায় বলে দাবি করে। এসআই কাওছার আহমদ তখন আইন অনুসরণ করে জমির উপর আসতে বলেন।

কিন্তু কোন আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে গত ১৫ মে আমার বসতভিটায় ঢুকে শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির চারা লুট করে নিয়ে যায়। যার প্ররিপ্রেক্ষিতে আমি গোয়াইনঘাট থানায় একটি অভিযোগপত্র দায়ের করি। অভিযোগের কারণে আব্দুল্লা-ছালেক-মাতাবগং আরো ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৭ জুন আমার বাড়িতে দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাকে হত্যার উদ্যোগে আমার বাড়ি ঘেরাও করে। আমি আত্মরক্ষায় ঘরের ভিতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে প্রাণে রক্ষা পাই। কিন্তু সন্ত্রাসী দলটি আমার বাড়ির সম্মুখে আমার দখলীয় জায়গায় খাল খনন করে এবং আমাকে চুর্তদিকে ঘিরে রাখে।

আমি বিষয়টি দৈনিক সবুজ সিলেটে কর্মরত আমার ছোট ভাই নিজাম উদ্দিন টিপুকে জানালে সে পরদিন সিলেটের স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিকে সঙ্গে নিয়ে আমাকে বাড়ি থেকে জিম্মি অবস্থা থেকে উদ্ধার করে। গোয়াইনঘাট থানাতে নিয়ে যায়। আমি গোয়াইনঘাট থানায় আরেকটি অভিযোগপত্র দায়ের করি।

অবশেষে ২৩ জুন সার্বিক বিষয়ের প্রতিকার চেয়ে পুলিশ সুপার বরাবর একটি অভিযোগপত্র দাখিল করি।

এ চক্রটি প্রধান আব্দুল্লাহ যার কাজ হলো গ্রামের মধ্যে দ্ব›দ্ব সৃস্টি করে দু পক্ষের বিচারের নামে আনামতের নামে সাধারণ মানুষের টাকা হাতিয়ে নেওয়া। আরেক ভাই সাবেক বিয়ানীবাজার কলেজের শিবির সভাপতি মাহতাব উদ্দিন কোর্টে সরকারি চাকুরিতে থাকার সুবাধে এলাকার মানুষকে প্রতিনিয়ত মামলার হুমকি প্রদর্শন করে মানুষকে আতঙ্কের মধ্যে রেখেছে এবং ছালেহ আহমদ এমসি কলেজ শিবিরের ক্যাডার ছিল সে ছুটিতে এসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে এলাকার মানুষকে ভয় প্রদর্শন করে। সে লকডাউনের মধ্যে নিজে উপস্থিত থেকে আমাদের অনুপস্থিতিতে আমাদের বাড়িরর সীমানার ভেতর এসে পিলার স্থাপন করে জায়গা দখলের চেষ্টা করে যাহা তদন্ত করলে সত্যতা পাওয়া যাবে। তাদের ভাই জোবের আহমদ, গুলজার আহমদ, আনছার আহমদ, বদর উদ্দিন বদরুল, আফতাব উদ্দিন জামায়াত-বিনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

যখন সরকার জনগণকে রক্ষায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে সেই মূহুর্তে সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে লকডাউনের মধ্যে ছুটিতে এসে ছালেক আহমদ ও মাহতাব উদ্দিন সরকারকে বিব্রত করার অসৎ উদ্দেশ্যর পিছনে অন্যকোনো কারণ থাকতে পারে তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাংবাদিক ভাইদের আহŸান জানাচ্ছি আসুন আপনারা সরজমিনে তদন্ত করে এই ঘাপটি মেরে থাকা কুচক্রী মহলের মুখোশ উšে§াচন করতে সযোগিতা করুন।

তারা সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছে- সীমান্তবর্তী এলাকা থাকায় নাকি আমারা দুই ভাই চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত। তাহলে সীমান্তবর্তী এলাকায় কি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নেই। আমাদেরকে দীর্ঘদিন থেকে সিলেটবাসী চেনে। আমার ভাই মদনমোহন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের মার্স্টাসে অধ্যয়নরত এবং সিলেটের বহুল প্রচারিত দৈনিক সবজু সিলেট পত্রিকায় কর্মরত। সে এলাকায় বছরে ঈদ এলে একবার বাড়িতে যায়। আমারা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমারা আইনের প্রতিশ্রদ্ধাশীল এবং আইনের মধ্যমে এটার বিচার চাই।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বর খোদ যেখানে তাদের পরিবারের ভয়ে তাদের কথামতো চলতে হয়। আমি ও আমার ভাই সাংবাদিক হয়ে রাস্তার প্রতিবাদ করায় এবং আমার বসভিটার উপর হামলার

তাই সাংবদ সম্মেলন করে আমি ও আমার ভাইয়ের নামে যে অপপ্রচার চালাচ্ছে তার জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

 

শেয়ার করুন
  •  
  • 227
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





Sylheter#Barta@777

©এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব sylheterbarta24.com কর্তৃক সংরক্ষিত