রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

২৮শে শাবান, ১৪৪২ হিজরি

নোটিশঃ
★সিলেটের বার্তায় প্রতিনিধি/সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। তাই যোগাযোগ করুন নিম্নের মেইল অথবা নাম্বারে।
করোনায় অনিশ্চিত হবিগঞ্জে সাড়ে ১১হাজার হেক্টর বোরোধান কাটা

করোনায় অনিশ্চিত হবিগঞ্জে সাড়ে ১১হাজার হেক্টর বোরোধান কাটা

লিটন পাঠান মাধবপুর প্রতিনিধি:: মরণব্যাধি করোনাভাইরাস এর কারণে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে হবিগঞ্জে সাড়ে ১১হাজার হেক্টর বোরোধান কাটা।     

একদিকে শ্রমিক সংকটে কৃষকরা অপরদিকে করোনা ভাইরাসের কারণে এক এক করে সব কিছু বন্ধ হয়ে মানুষ আজ গৃহবন্দি।

এ অবস্থায় মাধবপুর উপজেলায় ভিন্ন গ্রামে ধানকাটা শ্রমিকের সংকট দেখা দিয়েছে ইতিমধ্যে এলাকার জমিগুলোর ধান পাকতে শুরু করেছে এর সঙ্গে পালস্না দিয়ে উৎকণ্ঠা বাড়ছে কৃষকের মনে শ্রমিক সংকটের কারণে সোনালি ধান কাটতে পারবেন তো- এ প্রশ্ন এখন, মাধবপুর উপজেলা হাজারো কৃষকের মনে কৃষকরা জানান, বোরো ধান কাটতে প্রচুর শ্রমিক লাগে মাধবপুরে এলাকায় কিছু জমির মাটি নরম থাকায় ধান কাটার মেশিন দিয়ে কাটা যায় না তাই তাদের রোপণকৃত ধান নিয়ে চরম বিপাকে রয়েছেন মাধবপুরের কৃষকরা একদিকে নিজেও যেমন ঝুঁকিতে রয়েছেন অন্যদিকে জমির ফসলও পড়ছে মারাত্মক ঝুঁকিতে, শুক্রবার (১০ এপ্রিল) খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাধবপুর উপজেলার ১১টি ইউনিয়নসহ চলতি বছর ১১৫০০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদ করা হয়েছে বৃষ্টি হওয়ায় ফলনও ভালো হয়েছে। বিভিন্ন গ্রামে ধান পাকতে শুরু করেছে। কয়েক দিনের মধ্যেই পাকা ধানের সোনালি রঙে ছেয়ে যাবে মাধবপুর এলাকা। কিন্তু করোনার প্রভাবে শ্রমিক না পাওয়ায় বোরো ধান কাটতে পারবেন কি না এই শঙ্কা কৃষকে মধ্যে। বোরো উৎপাদনের ওপর নির্ভর করে মাধবপুর উপজেলার কৃষকরা ভিন্ন সরকারি, এনজিও ও মহাজনদের কাছে ঋণ নিয়ে বোরো আবাদ করেছেন।

ফলন ভালো হলে ঋণ পরিশোধ করবেন। কিন্তু করোনা দুর্যোগের কারণে দেখা দিচ্ছে নানা সমস্যা। এক সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মাধবপুরে শ্রমিক আসত ধান কাটতে। গত ৬ থেকে ৭ বছর ধরে দূর-দূরান্তের শ্রমিকরা ধান কাটতে আসেন না। স্থানীয় ও পার্শ্ববর্তী উপজেলা থেকে সামান্য কিছু শ্রমিক ধান কাটতে আসেন। বর্তমানে করোনার কারণে আশপাশের উপজেলা থেকেও শ্রমিক আসবেন না।

ফলে এ নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। মাধবপুর গ্রামের কৃষক খোকন পাঠান বলেন, বর্গাতে কিছু জমি চাষাবাদ করেছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ধান পাকবে। কিন্তু ধানকাটা শ্রমিকের সন্ধান পাচ্ছেন না তাই চিন্তায় রয়েছেন।

মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, এ বছর ধানের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু করোনার কারণে আগামী দিনগুলো কী হবে এখনই বলা যাচ্ছে না। করোনা প্রভাব বাড়তে থাকলে শ্রমিক সংকট দেখা দেবে।

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসনূভা নাশতারান বলেন, পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে অনেক কিছু। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে যদি করোনার প্রভাব কমে তাহলে শ্রমিক সংকট থাকবে না।

শেয়ার করুন
  •  
  • 223
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





Sylheter#Barta@777

©এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব sylheterbarta24.com কর্তৃক সংরক্ষিত