মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১৭ই রজব, ১৪৪২ হিজরি

নোটিশঃ
★সিলেটের বার্তায় প্রতিনিধি/সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। তাই যোগাযোগ করুন নিম্নের মেইল অথবা নাম্বারে।
করোনা পরিস্থিতিতে থেমে নেই সহিংতা, হবিগঞ্জে চার মাসে ৩৩ খুন

করোনা পরিস্থিতিতে থেমে নেই সহিংতা, হবিগঞ্জে চার মাসে ৩৩ খুন

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ থেকে:: মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতেও থেমে নেই সহিংতা। পারিবারিক, সামাজিক অস্থিরতা। আছে পূর্ব শত্রুতা। সবমিলিয়ে গত চার মাসে হবিগঞ্জ জেলায় মোট ৩৩টি হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।

দেশের অন্যতম ছোট এই জেলায় মাত্র ৪ মাসে ৩৩টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করছেন সচেতন মহল। পুলিশ বলছে- আইনশৃঙ্খলার কোন অবনতি ঘটেনি। লকডাউনে সবাই ঘরবন্ধি থাকায় এবং দীর্ঘদিন পর অনেকে এলাকায় ফেরার ছোট-খাট বিষয় নিয়ে এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

জেলা পুলিশের তথ্যমতে- মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত চারমাসে ৩৩টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে মার্চ মাসে ১০টি, এপ্রিল মাসে ৬টি, মে মাসে ১০টি এবং জুন মাসে ৭টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এই চার মাসে হবিগঞ্জ জেলায় সংঘর্ষর ঘটনা ঘটেছে শতাধিক। এসব সংঘর্ষ-সংঘাতে আহত হয়েছে হাজারের উপরে। ব্যপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে অর্থ-সম্পদের। এর মধ্যে জেলার ৯ উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে লাখাই ও মাধবপুর উপজেলায়।

এদিকে, এতো বিশাল সংখ্যক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সচেতন মহলের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকে দাবি করছেন জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। আবার অনেকে বলছেন- এ চারমাস আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে করোনা মোকাবেলায় কাজ করতে হয়েছে। করোনার সার্বিক পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করতে হয়েছে তাদের। যার ফলে সহসাই ঘটেছে এসব খুনের ঘটনা।

তবে পুলিশ বলছে ভিন্ন কথা। তাদের দাবি করোনা মোকাবেলায় পুলিশ কাজ করলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তেমন অবনতি ঘটেনি। এসব হত্যাকাণ্ডের মধ্যে গ্রাম্য-ধাঙ্গার তেমন কোন ঘটনা নেই। পারিবারিক কলহের জেরেই মূলত এসব খুনের ঘটনা ঘটেছে।

হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা বলেন-হবিগঞ্জ একটি দাঙ্গাপ্রবণ এলাকা। আমি হবিগঞ্জে যোগদানের পর গ্রাম্য দাঙ্গা প্রতিহত করতে লিফলেট বিতরণ করেছি পোস্টার ছাপিয়েছি, উঠান বৈঠক করেছি, স্কুলে স্কুলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করে গ্রাম্য দাঙ্গার কুফল সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করেছি। ফলে জেলায় গ্রাম্য দাঙ্গা অনেকটা কমে এসছিল। আর কয়েকমাস সময় ফেলে হবিগঞ্জে দাঙ্গার সংখ্যা শুণ্যের কোটায় নামিয়ে আনতাম।’

তিনি আরো বলেন- করোনার কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থির অবনতি হয়েছে সেটা বলা যাবে না, দাঙ্গার ঘটনায় বলা যায় আমি আমার জেলাকে আইন শৃঙ্খলা শিথিল ও শান্তিপূর্ণ রাখতে কাজ করে চলেছি।

শেয়ার করুন
  •  
  • 38
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





Sylheter#Barta@777

©এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব sylheterbarta24.com কর্তৃক সংরক্ষিত