মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১৭ই রজব, ১৪৪২ হিজরি

নোটিশঃ
★সিলেটের বার্তায় প্রতিনিধি/সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। তাই যোগাযোগ করুন নিম্নের মেইল অথবা নাম্বারে।
কাচাঁমাল সঙ্কটে আবারও বন্ধ দেশের একমাত্র কংক্রিট স্লিপার প্লান্ট

কাচাঁমাল সঙ্কটে আবারও বন্ধ দেশের একমাত্র কংক্রিট স্লিপার প্লান্ট

সিলেটের বার্তা ডেস্ক:: দীর্ঘ ১৯ মাস বন্ধ থাকার গত ৫ অক্টোবর খুলা হয় সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র কংক্রিট স্লিপার প্লান্ট।

কিন্তু ২৬ দিন অতিবাহিত হয়ে গেল কাঁচামাল সঙ্কটে ফের বন্ধ হয়ে গেল সরকারি এই প্লান্টটি।

খোলার ১০ দিনের মাথায় আবারও বন্ধ হয়ে পড়ে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানটি।

জানা যায়, ছাতক উপজেলার রেলওয়ে ষ্টেশন সংলগ্ন এলাকায় সরকারী ভূমিতে ১৯৮৮সালের ২৭অক্টোবর কারখানায় স্লীপার উৎপাদন শুরু হয়। উৎপাদনের শুরু থেকেই স্লীপার তৈরি প্রধান কাঁচামাল হাইটেনশন স্ট্রিল রড, ইনসাট স্ট্রিল পাত ভারত থেকে আমদানী করা হয়। এখানে রাষ্ট্রায়াত্ব প্রতিষ্টান ছাতক সিমেন্ট কারখানার স্পেশাল ডায়মন্ড ব্রান্ড সিমেন্ট, ভোলাগঞ্জের পাথর ও বালু দিয়ে তৈরী করা হয় উচ্চ মানসম্পন্ন কংক্রিট স্লীপার। দৈনিক ২শ’৬৪টি স্লিপার উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ‘ছাতক কক্রিট স্লিপার কারখানা’ শুরু থেকেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চালু করা হয়। সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটি উন্নত মানের স্লিপার উৎপাদন করে থাকলেও নানা কারনে বারবার হোঁচট খেতে হয়েছে। কারখানায় জনবল সঙ্কটের পাশাপাশি রয়েছে যান্ত্রিক ত্রুটিও। বর্তমানে এখানে ৬ জন ইলেক্ট্রিসিয়ানসহ রেলওয়ের ২১ জন শ্রমিক ও ঠিকাদারের অধীনে ৫৬ জন শ্রমিক কাজ করছে।

পুরো দেশে স্লীপারের মোট চাহিদার তুলনায় এখানে স্বল্প পরিমানের স্লীপার উৎপাদন হলেও এগুলো রেললাইনের জন্য খুব টেকসই বলে জানিয়েছেন কারখানা কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি চায়নার একটি প্রতিষ্টান ছাতক কংক্রীট স্লীপার কারখানাটি বেসরকারী খাতে পরিচালনার আগ্রহ দেখিয়ে মিলটি পরিদর্শন করলেও অজ্ঞাত কারনে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে চায়না কোম্পানীর চুক্তি বাস্তবায়ন হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কংক্রীট স্লীপার কারখানার একাধিক শ্রমিকরা জানান, রেলওয়ের একমাত্র স্লীপার কারখানাটি সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় উন্নতি হচ্ছে না। কারখানাটি প্রয়োজনীয় জনবল সঙ্কটের নিরসন ও মিলটি আধুনিকায়ন করা হলে রেললাইনে স্লীপার উৎপাদন অনেকটাই বাড়বে বলে ধারনা করছেন তারা। ছাতক বাজার রেলওয়ের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী হাবিব উল্লাহ জানান, কারখানাটি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আমরা আবারও চালু করে সার্বিক সক্ষমতা যাচাই করেছি। এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট উর্ধতণ কর্তৃপক্ষের বরাবারে বিস্তারিত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। ##

শেয়ার করুন
  •  
  • 25
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





Sylheter#Barta@777

©এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব sylheterbarta24.com কর্তৃক সংরক্ষিত