মঙ্গলবার, ১৫ Jun ২০২১, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন১লা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

৪ঠা জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

নোটিশঃ
★সিলেটের বার্তায় প্রতিনিধি/সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। তাই যোগাযোগ করুন নিম্নের মেইল অথবা নাম্বারে।
গরমে পুড়ছে মাধবপুর, তালের শাঁসে মিটছে তৃষ্ণা

গরমে পুড়ছে মাধবপুর, তালের শাঁসে মিটছে তৃষ্ণা

তীব্র দাবদাহে পুড়ছে হবিগঞ্জের মাধবপুর। অসহনীয় গরমে জনজীবনে নেমেছে অস্বস্তি।

পিপাসায় কাতর চাতল পাখির মতো সাধারণ মানুষসহ পথচারীরা।

তৃষ্ণা মেটাচ্ছে স্বস্তিদায়ক ফল কচি তালের শাঁস তাপদাহের প্রচন্ড এই গরমে মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে মৌসুমি ফল তাল শাঁসের কদর বেড়েছে আজ সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় মধুমাস জ্যৈষ্ঠতে বিভিন্ন ফলের পাশাপাশি কদর বেড়েছে তাল শাঁসেরও খেতে সুস্বাদু ও প্রচন্ড গরমে তৃষ্ণা মেটানো এ ফলের পসরা সাজিয়ে ব্যবসায়ীরা বসেছেন মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার রাস্তার মোড়ে এবং ফুটপাতে। সেখানে ভিড় জমিয়েছে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ বিক্রেতারা ধারালো দা দিয়ে তাল কেটে তালের শাঁস বের করে দেন তৃষ্ণার্ত ক্রেতাদের অনেকেই রাস্তার পাশে বসে ও দাঁড়িয়ে এ ফল খাচ্ছেন আবার অনেকে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে চাহিদা মাফিক সময় মতো।

শাঁস কেটে সারতে পারছেন না অনেক বিক্রেতা মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রাস্তার পাশে বসে তালের শাঁস বিক্রি করছেন স্থানীয় তাল বিক্রেতা মোঃ সেলিম তিনি জানান পানি-তাল হিসেবে প্রতিটি তাল ১৫-২০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতিটি তাল থেকে তিন থেকে চারটি শাঁস বা বিচি হয় প্রতি পিস এখন ৭ টাকায় বিক্রি হয় তালের শাঁস বা বিচি অত্যন্ত সুস্বাদু ও পানি জাতীয় তুলতুলে নরম ফল হওয়ায় ছোট-বড় সকলে এই ফল খাচ্ছে। আরেক তাল বিক্রেতা রাজ্জাক মিয়া বলেন প্রতি বছর জৈষ্ঠ্য মাসে অন্যান্য ফলের পাশাপাশি কচি তালের জনপ্রিয়তা ও অনেকটা বেড়ে যায় বিশেষ করে প্রচন্ড গরম পড়লে এই ফলের কদরও বাড়ে। কচি তাল নরম ও পানি জাতীয় হওয়ায় এই ফল বেশ সুস্বাদু তালের শাঁস কিনতে আসা মাধবপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হাসান বলেন।

গ্রামাঞ্চলে মৌসুমি ফল হিসেবে তালের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি মৌসুমি ফলগুলোতে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ও ফরমালিন ব্যবহার করায় ফলগুলো মানবদেহে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। কিন্তু তালে কোনো ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় না। তাই এই ফলটি যেমন স্বাস্থ্যকর তেমনি মানবদেহের জন্য খুবই উপকারী তালের শাঁস কিনতে আসা আরেক ক্রেতা মাধবপুর প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির বলেন গত দুইদিন ধরে প্রচন্ড গরম
পড়ছে বাসা থেকে বের হতেই প্রচন্ড তৃষ্ণা পেয়েছে তাই তৃষ্ণা মেটাতে তালের শাঁস খেতে এসেছি তিনি আরও বলেন গরমে তালের শাঁসের চাহিদা বাড়ায় অনেক সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





Sylheter#Barta@777

©এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব sylheterbarta24.com কর্তৃক সংরক্ষিত