মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১, ০৩:২৮ অপরাহ্ন২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

২৪শে রজব, ১৪৪২ হিজরি

নোটিশঃ
★সিলেটের বার্তায় প্রতিনিধি/সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। তাই যোগাযোগ করুন নিম্নের মেইল অথবা নাম্বারে।
টেংরাটিলা ট্রাজেডির ১৬ বছর: ক্ষতিপূরণের আশায় কাটছে দিন

টেংরাটিলা ট্রাজেডির ১৬ বছর: ক্ষতিপূরণের আশায় কাটছে দিন

আজ ৭ জানুয়ারি টেংরাটিলা ট্রাজেডির ১৬ বছর হলো। ২০০৫ সালের এইদিনে সর্ববৃহৎ গ্যাসফিল্ড টেংরাটিলায় সূত্রপাত ঘটে আগুনের।

আগুনের লেলিহান শেখায় সেইদিন টেংরাটিলা, ভুজনা, উমরপুর গ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে ক্ষতিপুরণ পাওয়ার আশায় দিন কাটাচ্ছেন পরিবারগুলো।

এই সব এলাকার জনগণ দিনের পর দিন নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ২০০৫ সালে কয়েক দফা আগুনের ফলে টেংরাটিলা গ্যাসফিল্ডের সকল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

এরপর থেকে প্রতিনিয়ত মাটি ফেটে বুদবুদ করে গ্যাস বের হয়ে পরিবেশ দূষণের সাথে, বাড়ছে শ্বাসকষ্ট জনিত রোগির সংখ্যা। ভারসাম্য হীন পরিবেশ ও বিপর্যয়।
১৯৫৫ সালে গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়ে কয়েক দফা গ্যাস উত্তোলন হলেও আগুন লাগার পর

বর্তমানে পরিত্যাক্ত অবস্থায় রয়েছে টেংরাটিলা গ্যাসফিল্ডটি। এখন গ্যাসফিল্ডের যন্ত্রপাতিগুলো মরিচিকা আর বনজঙ্গলের দৃশ্য বিরাজ করছে।
ইতিপূর্বে নাইকো ক্ষতি পুরণ মামলা আন্তর্জাতিক আদালতে শেষ হলেও ক্ষতিপুরণ পায়নি স্থানীয়রা।

২০০৪ সালে তৎকালিন বিএনপি সরকার কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকোর সাথে চুক্তির মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করলে তারা মোটা অংকের ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে আগুন লাগিয়ে দেশের বৃহৎ গ্যাসফিল্ডটিকে অকেজো করে ফেলে। টেংরাটিলা গ্যাস ফিল্ডটির নাম এক এক সময় বিভিন্ন নামে পরিচিত ছিল, যেমন পিপিএল পাকিস্তান পেট্টোলিয়াম লি., বিপিএল বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম লি.। পরর্বতীতে টেংরাটিলা গ্যাসফিল্ডের সাথে যুক্ত হয় বড়বন অক্সটেন তেল কোম্পানি।
এব্যাপারে টেংরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম জানান,,, দীর্ঘদিন যাবত গ্যাসফিল্ডের নিরাপত্তা প্রহরী নেই। বায়ুদূষণের ফলে এলাকায় প্রতিবন্ধী শিশুর সংখ্যা বাড়ছে।

লক্ষিপুর ও সুরমা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মাস্টার বলেন,, গ্যাসফিল্ড নতুন করে চালু হলে এই এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হত।

বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রকৌশলী আব্দুল হালিম বীরপ্রতীক জানান, কেয়ামত দেখিনাই তবে ২০০৫ সালে টেংরাটিলা গ্যাসফিল্ডে আগুন লাগায় মানুষ কেয়ামতের আলামত দেখেছে।আগুন লাগার পর থেকে এই এলাকার কৃষি ও গাছ পালা মরে মরুভূমি তৈরি হচ্ছে। বায়ুদূষণে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট জনিত রোগ।

টেংরাটিলা দাবি আদায় সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক নুরুল আমিন জানান উচ্চ আদালত ও আন্তর্জাতিক আদালতে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার রায় হলেও টেংরা সহ স্থানীয়রা ক্ষতিপূরণ পায়নি। দ্রুত ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আশায় টেংরাও ভুজনাবাসী।

শেয়ার করুন
  •  
  • 46
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





Sylheter#Barta@777

©এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব sylheterbarta24.com কর্তৃক সংরক্ষিত