শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২০, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন৩০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

২৩শে জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী

নোটিশঃ
★করোনাভাইরাস থেকে হেফাজত থাকতে পড়ুন-'লা-ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা, ইন্নি কুনতু মিনায যোয়ালিমীন'।। ★সিলেটের বার্তায় প্রতিনিধি/সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। তাই যোগাযোগ করুন নিম্নের মেইল অথবা নাম্বারে।
‘তেলিয়াপাড়া’ হবে দেশের সর্ববৃহৎ পর্যটনকেন্দ্র’

‘তেলিয়াপাড়া’ হবে দেশের সর্ববৃহৎ পর্যটনকেন্দ্র’

লিটন পাঠান, মাধবপুর থেকে:: পর্যটন শিল্প যে আমাদের দেশের একটি বিশাল খাত হতে পারে- এ ধারণার বিকাশ ঘটে মূলত পঞ্চাশের দশকে। এরপর ১৯৯৯ সালে পর্যটনকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা করা হয়
বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার পর্যটন মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে এ শিল্পকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে সেই পর্যটন সম্ভাবনাময় একটি হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া এলাকাটি।

দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে বহু ভ্রমণকারী মুগ্ধ হয়েছেন এখানে রয়েছে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত তেলিয়াপাড়া স্মৃতিস্তম্ভ বুলেট। যেখানে মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে আছে, লেক আর চা বাগানের কচি পাতায় সবুজে সবুজে ছেয়ে গেছে রয়েছে আরও অনেক দর্শনীয় স্থান।

কিন্তু এ শিল্পে সমন্বয়হীন এবং দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা না থাকায় তেমন পর্যটন শিল্প গড়ে উঠেনি এলাকাটিতে।

পর্যটন নীতি যথাযথ বাস্তবায়ন হলে তেলিয়াপাড়া হতে পারে দেশের সর্ব বৃহৎ পর্যটন কেন্দ্র।

স্থানীয় সাংসদ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মাহবুব আলী জানান, সারাদেশে পর্যটন শিল্পকে আকর্ষনীয় ও দর্শনীয় করতে সরকার এ বছর ২০হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।

এর ধারাবাহিকতায় তেলিয়াপাড়া ও সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানকে আরো দর্শনীয় করতে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পাক্কালে ১৯৭১ সালের ৪ ঠা এপ্রিল প্রথম সভা তেলিয়াপাড়ায় ডাক বাংলোতে অনুষ্ঠিত হয় তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোর পূর্ব-দক্ষিণ কোণে নির্মাণ করা হয়েছে ২, ৩ ও ৪নং সেক্টরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মরণে তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ।

১৯৭৫ সালের জুন মাসে এ স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ বুলেটের আকৃতিতে তৈরি এই সৌধের সামনে দু’টি ফলকে অঙ্কিত রয়েছে শামসুর রাহমান ’এর বিখ্যাত “ স্বাধীনতা তুমি ” কবিতা।

চারপাশের চা-বাগানের সবুজের বেষ্টনীতে স্মৃতিসৌধসহ রয়েছে একটি লেক।

লাল শাপলা ফোটা এই লেক বর্ষাকালে আকর্ষণীয় রূপ ধারণ করে ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস ৪ঠা এপ্রিল, ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস হিসাবে পালন করা হয়। তেলিয়াপাড়ার অধিবাসী মুক্তিযুদ্ধের বিশিষ্ট সংগঠক দেওয়ান আশ্রাব আলীর এক লিখিত তথ্যে জানা যায়, খালেদ মোশারফ এর নির্দেশে দেওয়ান আশ্রাব আলী তেলিয়াপাড়া চা বাগানের শ্রমিকদেরকে নিয়ে জঙ্গল কেটে ভারতে জীপ যাওয়ার মত একটি রাস্তা নির্মাণ করেন।

মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থান বাংলোটিতে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় সরকারী ও বেসরকারি ভাবে উদ্যোগ নিলে তেলিয়াপাড়া পর্যটন শিল্পে দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রাখতে পারে বলে মনে করেন এলাকার সূধীজন।

Last Updated on

শেয়ার করুন
  •  
  • 64
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





Sylheter#Barta@777

সিলেটের বার্তা পরিবারঃ

এম. এ কাদির-বালাগঞ্জ প্রতিনিধি

লিটন পাঠান-মাধবপুর প্রতিনিধি

 

©সিলেটের বার্তা ২৪ কর্তৃক সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।