মঙ্গলবার, ১৫ Jun ২০২১, ০৮:০৭ অপরাহ্ন১লা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

৪ঠা জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

নোটিশঃ
★সিলেটের বার্তায় প্রতিনিধি/সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। তাই যোগাযোগ করুন নিম্নের মেইল অথবা নাম্বারে।
ভারতে মামলার শুনানি চলাকালে জ্ঞান হারালেন বিচারপতি

ভারতে মামলার শুনানি চলাকালে জ্ঞান হারালেন বিচারপতি

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে চার দোষীকে আলাদা-আলাদা ফাঁসি দেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছিল। পরে আজ শুক্রবার সেই মামলার শুনানি চলাকালে জ্ঞান হারান বিচারপতি আর ভানুমতী। পরে জানা যায় বিচারপতি জ্বরে ভুগছিলেন। শুনানি চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ফলে মামলার শুনানি পিছিয়ে গেছে। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি এই মামলার শুনানি হবে।এর আগে নির্ভয়ার ধর্ষক বিনয় শর্মার প্রাণভিক্ষার আরজি খারিজ করেছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল সে। শুক্রবার তার পিটিশান খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। ফলে ফাঁসি এড়াতে বিনয়ের সামনে আর কোনো আইনি পথ খোলা রইল না। পাশাপাশি বিনয়ের মানসিকভাবে সুস্থ নয় বলেও আদালতে জানিয়েছিলেন তার আইনজীবী। এদিন তার সেই দাবিও খারিজ করে দেন বিচারপতি। রায় দেওযার সময় আদালত জানায়, মেডিক্যাল রিপোর্ট অনুযায়ী বিনয় সুস্থই আছে।গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে শুনানি চলাকালীন বিনয়ের আইনজীবী এপি সিং দাবি করেন, তার মক্কেলকে বেআইনিভাবে বন্দি করে রাখা হয়েছে। এমনকি তার ওপর অত্যাচারও চালিয়েছে তিহার জেল কর্তৃপক্ষ। যদিও বিনয়ের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে সরকার।২০১২ সালে দিল্লির চলন্ত বাসে ধর্ষণের ঘটনা শিউড়ে উঠেছিল গোটা দেশ। তারপর থেকে টানা সাত বছর ধরে বিচারপ্রক্রিয়া চলছে। এক নাবালক ছাড়াও পেয়ে গেছে। এক অভিযুক্ত জেলের মধ্যে আত্মহত্যা করে। বাকি চারজনের ফাঁসির নির্দেশ দিয়েছে আদালত। কিন্তু আইনি মারপ্যাঁচে পরপর দুবার ফাঁসির দিনক্ষণ পিছিয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে মুকেশ সিংয়ের প্রাণভিক্ষার আরজি খারিজ করে দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। কেন তার আরজি খারিজ করা হল, তা নিয়ে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মুকেশের আইনজীবী। তার সেই আরজিও খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। ফলে তার আর ফাঁসি এড়ানো আর কোনো আইনি পথ বাকি নেই। আরেক দোষী অক্ষয়কুমার সিংয়ের (ঠাকুর) নামে ফাঁসির পরোয়ানা জারি হয়েছিল। কিন্তু সেই আরজি বাতিলের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল অক্ষয়। রায় সংশোধনের সেই আরজিও খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আরজি জানায় সে।এদিকে, ধর্ষণকাণ্ডের সময় পবন গুপ্তা নাবালক ছিল বলে দাবি করে আদালতের দ্বারস্থ হয়। কিন্তু পুলিশি তদন্তের সময় তাকে নাবালক হিসেবে দেখানো হয়নি। এ নিয়ে আগেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল পবনের আইনজীবী। সেসময় তার আরজি খারিজ করে দেওয়া হয়। কেন তার সেই আরজি খারিজ করা হল, এনিয়ে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় তার আইনজীবী। তার সেই আরজিও খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

শেয়ার করুন
  •  
  • 44
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





Sylheter#Barta@777

©এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব sylheterbarta24.com কর্তৃক সংরক্ষিত