বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ০৩:২০ পূর্বাহ্ন১৯শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১৯শে রজব, ১৪৪২ হিজরি

নোটিশঃ
★সিলেটের বার্তায় প্রতিনিধি/সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। তাই যোগাযোগ করুন নিম্নের মেইল অথবা নাম্বারে।
মৌলভীবাজারে লালসার শিকার প্রতিবন্ধী শিশু, দরজা ভেঙে অন্ত:সত্তাকে গণধর্ষন

মৌলভীবাজারে লালসার শিকার প্রতিবন্ধী শিশু, দরজা ভেঙে অন্ত:সত্তাকে গণধর্ষন

ঘরে মা বাবা ছিলেন না। ১৩ বছর বয়সের প্রতিবন্ধী শিশুকে একা পেয়ে ধর্ষণ করেছে লম্পট যুবক। এদিকে গভীর রাতে ঘরের দরজা ভেঙে ৩ মাসের অন্ত:সন্তা গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ধর্ষণের শিকার শিশু ও অন্ত:সন্তা নারী মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়েছে পুলিশ।

জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের জসমতপুর গ্রামের ১৩ বছরের প্রতিবন্ধী শিশুকে পাশের বাড়ীর এক যুবক ঘরে ঢুকে ধর্ষন করে। ঘটনাটি ঘটে গত ১৬ জানুয়ারি শনিবার দূপুরে। এ সময় শিশুটির মা ও বাবা ঘরে ছিলেন না।

এ ঘটনার পর স্থানীয় মুরব্বীরা চিকিৎসা ও সমঝোতার আশ্বাস দিয়ে কাউকে এবিষয়ে কোন কিছু না বলার জন্য জানায়।

কিন্তু প্রতিবন্ধী শিশুর শারিক অবস্থার অবনতি হলে ৪দিন পর বুধবার দুপুরে মা মেয়েটিকে হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

১৩ বছরের শিশুর মা কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, ১৩ বছর ধরে অনেক কষ্ঠ করে মানুষের বাড়িতে কাজ করে বাচ্চাদের লালন-পালন করছি। কিন্তু কেন যে আমার প্রতিবন্ধী মেয়ের সাথে এমন করলো তার দৃষ্ঠানত মূলক বিচার চাই। তিনি বলেন, সরকার থেকে আমার মেয়েটি প্রতিবন্ধী ভাতাও পাচ্ছে।

অপরদিকে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার গুজারাই গ্রামের মছব্বির মিয়ার বস্তিতে শেষ রাতে দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে ৩ মাসের অন্ত:সত্তা গৃহবধুকে ৪ জন মিলে গণধর্ষন করে। এসময় তার স্বামী সিএনজি চালক জুবেদ মিয়া নিজ বাড়িতে ছিলেন। মেয়েটি জুবেদ মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী।

অন্ত:স্বত্বা গৃহবধূ বলেন, রাত ১ টার দিকে প্রথমে ঘরে এসে ডাকাডাকি করে, দরজা খুলে না দেয়াতে চলে যায়। পরে রাত ৩ ঘটিকার সময় দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। তিনি তিন মাসের অন্ত:স্বত্তা বলে জানান। তিনি দোষিদের প্রকৃত শাস্তির দাবী জানান।

ধর্ষিতার স্বামী বলেন, তিনি সিএনজি চালান। তার দুই সংসার রয়েছে। এটি তার দ্বিতীয় সংসার। ঘটনার দিনে রাতে তিনি কলোনীর বাসায় না ফিরে নিজ বাড়িতে ছিলেন। রাত ৪ টার দিকে ফোন পেয়ে বাসায় এসে লোকের কাছ থেকে ও তার স্ত্রীর কাছ থেকে এসব শুনেছে। সেও তার স্তীর সাথে পাশবিক নির্যাতন কারীদের বিচার দাবী করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মছব্বির মিয়ার কলোনির মালিক পক্ষের এক মহিলা বলেন, ধর্ষিত মেয়েটি ভয়ে কথাগুলো বলছে না, স্বামী তাকে তালাক দিয়ে দেবে ভেবে। মেয়েটির সাথে খুবই খারাপ ব্যবহার করা হয়েছে, খুব খারাপ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল।

ডাঃ পার্থ সারথী দত্ত কানুনগো, তত্বাবধায়ক, মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতাল বলেন, দু’জনই সেক্সুয়াল এসল্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, তাদের চিকিৎসা চলছে।

মৌলভীবাজার মডেল থানার ওসি ইয়াছিনুল হক ও কমলগঞ্জ থানার ওসি আরিফুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এখনও কেউ এবিষয়ে অভিযোগ করেননি। তদন্ত চলছে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন
  •  
  • 50
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





Sylheter#Barta@777

©এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব sylheterbarta24.com কর্তৃক সংরক্ষিত