বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন৮ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

৫ই সফর, ১৪৪২ হিজরী

নোটিশঃ
★করোনাভাইরাস থেকে হেফাজত থাকতে পড়ুন-'লা-ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা, ইন্নি কুনতু মিনায যোয়ালিমীন'।। ★সিলেটের বার্তায় প্রতিনিধি/সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। তাই যোগাযোগ করুন নিম্নের মেইল অথবা নাম্বারে।
সিলেটে যেসব নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে ও কমেছে

সিলেটে যেসব নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে ও কমেছে

অর্থনীতি বার্তা:: গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বেড়েছে ছয়টি নিত্য পণ্যের দাম। সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।

টিসিবির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- দাম বেড়েছে চাল, সয়াবিন তেল, ছোট দানার মসুর ডাল, মুগ ডাল, অ্যাংকর ও জিরার। বিপরীতে আমদানি করা রসুন, আলু এবং ছোট ও মাঝারি দানার মসুর ডালের দাম কমেছে।

রাজধানীর শাহজাহানপুর, মালিবাগ বাজার, কারওয়ান বাজার, বাদামতলী বাজার, সূত্রাপুর বাজার, শ্যাম বাজার, কচুক্ষেত বাজার, মৌলভীবাজার, মহাখালী বাজার, উত্তরা আজমপুর বাজার, রহমতগঞ্জ বাজার, রামপুরা এবং মিরপুর-১ নম্বর বাজারের পণ্যের দামের তথ্য নিয়ে এই তথ্য দিয়েছে টিসিবি।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে সব থেকে বেশি দাম বেড়েছে চালের। নাজির, মিনিকেট, পাইজাম, লতা, স্বর্ণ সব ধরনের চালের দাম গত এক সপ্তাহে বেড়েছে। এর মধ্যে নাজির ও মিনিকেট চালের দাম ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়ে কেজি ৫৪ থেকে ৬৪ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

মাঝারি মানের পাইজাম ও লতা চালের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ। বর্তমানে এই চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫৫ টাকা। গরিবের মোটা চাল হিসেবে পরিচিত স্বর্ণার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৪ থেকে ৪৮ টাকায়। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ।

টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে লুজ ও বোতল উভয় ধরনের সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে। লুজ সয়াবিন তেল এক দশমিক ৮২ শতাংশ বেড়ে কেজি ৮২ থেকে ৮৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর বোতলের ৫ লিটার সয়াবিন তেলের দাম এক দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ বেড়ে ৪৫০ থেকে ৫১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ছোট দানার মসুর ডালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১৫ টাকায়, এতে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ২ দশমিক ৩৮ শতাংশ। মুগ ডালের দাম ৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়ে কেজি ১১০ থেকে ১২০ টাকা হয়েছে। অ্যাংকরের দাম ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়ে কেজি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা হয়েছে। আর জিরার দাম সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ৮ দশমিক ৭০ শতাংশ। এতে প্রতি কেজি জিরা ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা হয়েছে।

অপরদিকে টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে সব থেকে বেশি দাম কমেছে মাঝারি দানার মসুর ডালের। সপ্তাহের ব্যবধানে ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ কমে মাঝারি দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। আর বড় দানার মসুর ডাল ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ কমে ৬৫ থেকে ৭৫ টাকাতে কেজি বিক্রি হচ্ছে।

কয়েক মাস ধরে চড়া দামে বিক্রি হওয়া আলুর দামও গত সপ্তাহে কিছুটা কমেছে। কমেও চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে আলু।

টিসিবি জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে আলুর দাম ৮ শতাংশ কমে কেজি ৩৪ থেকে ৩৫ টাকা হয়েছে। আর আমদানি করা রসুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা। এর মধ্যে এই পণ্যটির দাম কমেছে ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

Last Updated on

শেয়ার করুন
  •  
  • 103
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





Sylheter#Barta@777

সিলেটের বার্তা পরিবারঃ

এম. এ কাদির-বালাগঞ্জ প্রতিনিধি

লিটন পাঠান-মাধবপুর প্রতিনিধি

 

©সিলেটের বার্তা ২৪ কর্তৃক সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।