বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ১০:২২ অপরাহ্ন১২ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১২ই রজব, ১৪৪২ হিজরি

নোটিশঃ
★সিলেটের বার্তায় প্রতিনিধি/সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। তাই যোগাযোগ করুন নিম্নের মেইল অথবা নাম্বারে।
৪৩-এ পা রাখলেন মুশফিক জায়গীরদার

৪৩-এ পা রাখলেন মুশফিক জায়গীরদার

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের সাথে সিলেট মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুশফিক জায়গীরদার। ফাইল ফটো

আজ ২৩ ডিসেম্বর ২০২০ ইংরেজি। ১৯৭৭ সালের এইদিনে সিলেটের প্রবাসী অধুষিত এলাকা বিয়ানীবাজারের আলিনগর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী জায়গীরদার বাড়ীতে মঈনুর রশীদ জায়গীরদার ও সালেহা বেগম চৌধুরীর ঔরসে জন্মগ্রহণ করেন বর্তমান সময়ের যুব রাজনীতির অহংকার মুশফিক জায়গীরদার।

তিনি স্কুল জীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গঠিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। যখন তিনি ৭ম শ্রেণির ছাত্র ঠিক তখন ছাত্রলীগের সেক্রেটারির মত গুরু দায়িত্ব পান।

পরে ১০ম শ্রেণির ছাত্র থাকাবস্থায় তিনি স্কুল ছাত্রলীগের সভাপতির মতো মহান দায়িত্ব পালন করেন।

ছাত্র থাকাকালীন সময়ে তিনি বৃহত্তর টিলাগড় আঞ্চিলক ছাত্রলীেগর প্রচার সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করেন।

পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল নাদেল ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দিন খাঁনের নেতৃত্বাধীন ৪১ সদস্যের সিলেট জেলা ছাত্রলীগের স্কুল ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হন।

২০০০ সালে মুশফিক জায়গীরদার যখন একাকিত্ব জীবনের অবসান ঘটিয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তখন থেকে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির ইতি টানেন। প্রথমেই তিনি সিলেট মহানগর যুবলীগের সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০০৪ সালে স্মনেলনে ১ম যুগ্ম সম্পাদক ও পরে ২০০৯ সালে ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন।

কারাবরণ: মুশফিক জায়গীর কখনো স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির কাছে মাথা নত করেন নি। এর জন্য তিনি বিভিন্ন সময় হামলা-মামলার শিকার হন। তবুও তাকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে পেশীশক্তিরা সরাতে পারে নি। স্বচ্ছ রাজনীতি আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শে সমাজ ও দেশ গঠনের জন্য মাঠে ছিলেন সক্রিয়। এর জন্য তাকে ২০০১ সালে ৩ মাসের কারাবরণ করতে হয়।

২০১২ সালে সিলেট মহানগর যুবলীগের ১ম যুগ্ম আহবায়ক মনোনীত হন। এবং সর্বশেষ গত বছর ২০১৯ সালে বিপুল ভোটের মাধ্যমে সিলেট মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

মুশফিক জায়গীরদার রাজনীতির পাশাপাশি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

তিনি পর পর বৃহত্তর সিলেটের ব্যবসায়ীক সংগঠন সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক নির্বাচিত হন।

এছাড়াও তিনি বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক গোষ্ঠির সাধারণ সম্পাদক, শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ সাংগঠনকি সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করেন।

অপরদিকে তিনি সিলেটের মাটি ও মানুষের দাবি-দাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে সমাজসেবায় অভূতপূর্ব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।

দাম্পত্যজীবনে তিনি ২ ছেলে ও ২ মেয়ে সন্তানের জনক।

তার জন্মদিনে যেসব রাজনৈতিক সহকর্মী, অনুসারী, বন্ধুবান্ধবসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোকজন শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাদের প্রতি তিনি কৃতহজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। এবং সবার কাছে সুস্থতা ও নেক হায়াতের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন।

শেয়ার করুন
  •  
  • 80
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





Sylheter#Barta@777

©এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব sylheterbarta24.com কর্তৃক সংরক্ষিত