আক্রান্ত

১,১৯৪,৭৫২

সুস্থ

১,০২২,৪১৪

মৃত্যু

১৯,৭৭৯

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • বরগুনা ১,০০৮
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • ঢাকা ১৫০,৬২৯
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • যশোর ৪,৫৪২
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • মাদারিপুর ১,৫৯৯
  • মাগুরা ১,০৩২
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • নাটোর ১,১৬২
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • রাঙামাটি ১,০৯৮
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • শরিয়তপুর ১,৮৫৪
  • শেরপুর ৫৪২
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • বান্দরবান ৮৭১
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • ভোলা ৯২৬
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • খুলনা ৭,০২৭
  • নড়াইল ১,৫১১
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

বুধবার, ২৮ Jul ২০২১, ০২:৪২ পূর্বাহ্ন১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

১৭ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

নোটিশ
★সিলেটের বার্তায় প্রতিনিধি/সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। তাই যোগাযোগ করুন নিম্নের মেইল অথবা নাম্বারে।
খাবার নেই ১৪ শতাংশ মানুষের ঘরে: ব্র্যাকের জরিপ

খাবার নেই ১৪ শতাংশ মানুষের ঘরে: ব্র্যাকের জরিপ

ফাইল ফটো

সিলেটের বার্তা ডেস্ক:: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রাণ কেড়ে নেয়ার পাশপাশি কেড়ে নিয়েছে সর্বশ্রেণির মানুষের আয়ের মাধ্যম। কেড়ে নিয়েছে নিম্নআয়ের ১৪ শতাংশ মানুষের খাবার

শারীরিক, মানসিক ক্ষতির পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে কোভিড-১৯।

দেশের নিম্নআয়ের ১৪ ভাগ মানুষের ঘরে কোনও খাবার নেই। আর ২৯ শতাংশের ঘরে আছে ১ থেকে ৩ দিনের খাবার।

দারিদ্র্যরেখার নিম্নসীমার নিচে নেমে গেছেন নিম্নআয়ের ৮৯ শতাংশ মানুষ।

উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক এর এক জরিপে এসব তথ্য উঠে আসছে।

দেশের ৬৪ জেলায় ২ হাজার ৬৭৫ জন নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে বলে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

কোভিড-১৯ সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা ও অর্থনৈতিক সঙ্কট সম্পর্কে ধারণা পেতে গত ৩১ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিলের মধ্যে এ জরিপটি পরিচালিত হয়।

জরিপে উঠে এসেছে, কোভিড-১৯ প্রতিরোধের পদক্ষেপের মারাত্মক প্রভাব পড়েছে নিম্নআয়ের মানুষ জীবিকায়। করোনাভাইরাসের আগে আয়ের ভিত্তিতে জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ২৪ শতাংশ ছিলেন দারিদ্র্যরেখার নিম্নসীমার নিচে এবং ৩৫ শতাংশ ছিলেন দারিদ্র্যরেখার ঊর্ধ্বসীমার নিচে। কিন্তু এখন জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৮৯ শতাংশ দারিদ্র্যরেখার নিম্নসীমার নিচে নেমে গেছেন। অর্থাৎ বর্তমান পরিস্থিতে চরম দারিদ্র্য আগের তুলনায় ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

কোভিড-১৯ মহামারির আগে জরিপে অংশ নেয়া ২ হাজার ৬৭৫ জনের গড় আয় ছিল ১৪ হাজার ৫৯৯ টাকা। যাদের মধ্যে ৯৩ শতাংশ জানায়ছ এই কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাবের পর তাদের আয় কমেছে। মার্চ ২০২০ এ এসে তাদের গড় আয় দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৭৪২ টাকায়। অর্থাৎ তাদের পারিবারিক আয় ৭৫ শতাংশের মতো কমে এসেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম (৮৪ শতাংশ), রংপুর (৮১ শতাংশ) এবং সিলেট বিভাগের (৮০ শতাংশ) মানুষের আয় কমেছে সবচেয়ে বেশি।

ব্র্যাক এর জরিপে উঠে এসেছে, সরকারি ছুটি বা সামাজিক দূরত্বের কারণে ৭২ শতাংশ মানুষ কাজ হারিয়েছেন বা তাদের কাজ কমে গেছে। ৮ শতাংশ মানুষের কাজ থাকলেও এখনও তারা বেতন পাননি।

কৃষিকাজে সম্পৃক্তদের (৬৫ শতাংশ) তুলনায় অ-কৃষিখাতের দিনমজুররা বেশি (৭৭ শতাংশ) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ৫১ শতাংশ রিকশাচালক, ৫৮ শতাংশ কারখানা শ্রমিক, ৬২ শতাংশ দিনমজুর, ৬৬ শতাংশ হোটেল/রেস্তোরাঁকর্মী জানান- চলতি মাসে তাদের আয় নেমে এসেছে শূন্যের কোঠায়। ১৪ ভাগ মানুষের ঘরে কোনও খাবারই নেই। ২৯ শতাংশের ঘরে আছে ১ থেকে ৩ দিনের খাবার।

জরিপে দেখা গেছে, কোভিড-১৯ সম্পর্কে শতকরা ৯৯ দশমিক ৬ ভাগ মানুষ শুনেছেন। যার মধ্যে ৬৬ ভাগ মানুষ প্রথম বিষয়টি জেনেছেন টেলিভিশন থেকে। মাত্র ৪০ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন কোয়ারেন্টিন বা আইসোলেশন কোভিড-১৯ থেকে রক্ষা পাওয়ার সম্ভাব্য উপায়। আক্রান্ত হলে কোথায় যোগাযোগ করতে হবে এ বিষয়ে নারীদের (৩৮ শতাংশ) চেয়ে পুরুষদের (৬০ শতাংশ) ধারণা বেশি। ৪৮ শতাংশ মানুষ মনে করে সরকারি হাসপাতালে কোভিড-১৯-এর রোগীর চিকিৎসা হয় না। ৯ শতাংশ মানুষ জানেনই না এই অবস্থায় কী করা উচিত।

কোভিড-১৯ প্রতিরোধে কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয় সে বিষয়েও ৩৬ শতাংশ উত্তরদাতার স্পষ্ট ধারণা নেই। এ ছাড়া করোনা সংক্রমণের লক্ষণ (জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট) দেখা দিলে হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সরাসরি চলে না আসার যে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে সে বিষয়েও ধারণা নেই অধিকাংশের। শতকরা ৫৩ জন উত্তরদাতা বলেছেন প্রতিবেশীর এসব লক্ষণ দেখা দিলে তাকে শহরের হাসপাতাল বা সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়ার পরামর্শ দেবেন। মাত্র ২৯ শতাংশ হেল্প লাইনে ফোন করার কথা বলেছেন।

জরিপে দেখা গেছে, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকারের ভূমিকা যথেষ্ট বলে মনে করেন ৬৪ শতাংশ মানুষ। বাকিদের মধ্যে ৩১ শতাংশ গ্রামের মানুষ এবং ৪০ ভাগ শহরের মানুষ এই ধারণাকে সমর্থন করেননি। মাত্র ৪ শতাংশ মানুষ (যাদের বেশির ভাগের বাস শহরে) জরুরি ত্রাণ পেয়েছেন বলে জানান (৫ এপ্রিল পর্যন্ত)। এ পরিস্থিতিতে সরকারের খাদ্য সহায়তা জরুরি বলে মনে করেন ৪৭ শতাংশ মানুষ। যেখানে শতকরা ২০ ভাগ চান নগদ অর্থ সহায়তা। শহরের মানুষের (৪৪ শতাংশ) চেয়ে গ্রামের মানুষরাই (৫০ শতাংশ) খাদ্য সহায়তার পক্ষে বেশি মত দেন।

শেয়ার করুন
  •  
  • 417
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





Sylheter#Barta@777

©এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব sylheterbarta24.com কর্তৃক সংরক্ষিত