বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন২১শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

২৫শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

নোটিশ
★সিলেটের বার্তায় প্রতিনিধি/সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। তাই যোগাযোগ করুন নিম্নের মেইল অথবা নাম্বারে।
সিলেটে বিয়ের কেনাকাটার কথা বলে অটোরিকশায় তরুণীকে গণধর্ষণ

সিলেটে বিয়ের কেনাকাটার কথা বলে অটোরিকশায় তরুণীকে গণধর্ষণ

ফোন করে বিয়ের কেনাকাটার কথা বলা হয়। সে অনুযায়ী তরুণী শেফালীকে (ছদ্মনাম) সুরমা আবাসিক এলাকা থেকে নিয়ে যাওয়া হয় সিলেট নগরের আম্বরখানায়।

কিন্তু সেখানে বিয়ের কেনাকাটা না করে উল্টো সিএনজি অটোরিকশা করে নিয়ে যাওয়া হয় জালালাবাদ থানা এলাকার কান্দিগাঁও ইউনিয়নস্থ নীলগাঁও পুঁটিকাটা ব্রীজে। গাড়ীর দুই পাশের পর্দা ফেলে দিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয় তরুণীকে।

সোমবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সিলেটের জালালাবাদ থানাধীন কান্দিগাঁও ইউনিয়নের নীলগাঁও পুঁটিকাটা ব্রিজে এ ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করেছে থানাপুলিশ।

সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) মিডিয়া শাখা জানায়, ঘটনার ৩ দিন আগে জালালাবাদ থানার ইসলামপুর মানসিনগর গ্রামের কাপ্তান মিয়ার ছেলে তাজ উদ্দিনের (২২) মোবাইল ফোনে পরিচয় হয় ওই যুবতীর (৩১)। পরে সে সেই যুবতীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাজ উদ্দিন সোমবার (১৪ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিয়ের বাজার করবে বলে বাড়ি থেকে বের হতে বলেন। তাজ উদ্দিনের কথামতো ওই যুবতী বাড়ি থেকে বের হয়ে তাজ উদ্দিনের সঙ্গে দেখা করেন।

পরে তাজ উদ্দিন ওই যুবতীকে সিএনজি অটোরিকশাযোগে জালালাবাদ থানাধীন কান্দিগাঁও ইউনিয়নের নীলগাঁও পুঁটিকাটা ব্রিজে নিয়ে গিয়ে অটোরিকশার ভেতরেই ওই যুবতীকে ধর্ষণ করেন। এসময় তাজ উদ্দিনের দুই সহযোগী জালালাবাদ থানার ইসলামপুর মানসিনগর গ্রামের রজন মিয়ার ছেলে এখলাছুর রহমান (২৭) ও একই থানার নলকট গ্রামের ফুল মিয়াও (২৭) ওই যুবতীকে ধর্ষণ করেন।

পরে ‘ধর্ষকরা’ অটোরিকশাযোগে ভিকটিমকে সিলেট নগরীর দিকে নিয়ে আসতে থাকেন। এসময় ওই যুবতীর কান্না শুনে নীলগাঁওয়ের স্থানীয়রা সিএনজি অটোরিকশা আটকে যুবতীর মুখ থেকে ঘটনার বর্ণনা শুনে তাজ উদ্দিন ও এখলাছুর রহমান আটক করেন। তবে অটোরিকশা চালক ফুল মিয়া পালিয়ে যান।

পরে স্থানীয়রা জালালাবাদ থানায় খবর দিলে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিম এবং তাজ উদ্দিন ও এখলাছুর রহমানকে আটক করেন।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৫ জুন) ওই যুবতী জালালাবাদ থানায় মামলা (নং-১০) দায়ের করেন।

ভিকটিমকে পরে চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি বিভাগে প্রেরণ করে পুলিশ।

আটক আসামিদের মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





Sylheter#Barta@777

©এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব sylheterbarta24.com কর্তৃক সংরক্ষিত