সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ১২:১১ পূর্বাহ্ন১৮ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

২২শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

নোটিশ
★সিলেটের বার্তায় প্রতিনিধি/সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। তাই যোগাযোগ করুন নিম্নের মেইল অথবা নাম্বারে।
ঈদের দিনে সিলেটে ৬: দেশে ১৭৩ জনের প্রাণহানী

ঈদের দিনে সিলেটে ৬: দেশে ১৭৩ জনের প্রাণহানী

পবিত্র ঈদুল আযহার দিন (বুধবার, ২১ জুলাই) মহামারী করোনাভাইরাসে সিলেট বিভাগে আরও ৬ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। একইসঙ্গে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে ১৭৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

এই সময়ে সংক্রমণ ধরা পড়েছে ৭ হাজার ৬১৪ জনের শরীরে।

আজ বুধবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয় দেশে এ পর্যন্ত করোনা ধরা পড়েছে ১১ লাখ ৩৬ হাজার ৫০৩ জনের শরীরে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৮ হাজার ৪৯৮ জনের।

একদিনের ব্যবধানে প্রায় চার হাজার রোগী শনাক্তের সংখ্যা কমে আসলেও শনাক্তের হার বেড়েছে, ৩০ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

মঙ্গলবার রোগী শনাক্তের সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ৫৭৯ জন। অবশ্য, কোরবানি ঈদের ছুটি থাকায় নমুনা পরীক্ষাও অনেক কম হয়েছে।

আগের দিন ২৪ ঘণ্টায় দেশের ৬৩৯টি ল্যাবে করোনার ৩৯ হাজার ৫১০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়, বুধবার যা কমে দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৯৭৯টি।

করোনায় এর আগে এরচেয়ে কম শনাক্ত হয়েছিল ৩ জুন। সেদিন ৬ হাজার ২১৪ জনের দেহে করোনা শনাক্তের সংবাদ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মৃত্যুও কমে দুইশোর নিচে চলে এসেছে। এরআগে এর চেয়ে কম মৃত্যু হয়েছিল ৬ জুলাই, ১৬৩ জন।

করোনা থেকে গত একদিনে সুস্থ হয়েছেন আরও ৯ হাজার ৭০৪ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৯ লাখ ৬১ হাজার ৪৪ জন। সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ৯৮ জন, নারী ৭৫ জন। এর মধ্যে দুইজন শিশু রয়েছে।

বাকিদের মধ্যে বিশোর্ধ্ব ৬, ত্রিশোর্ধ্ব ১২, চল্লিশোর্ধ্ব ২২, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৪২ ও ষাটোর্ধ্ব ৪৫ জন, সত্তরোর্ধ্ব ৩৫, আশির্ধ্ব ১০ ও নব্বোর্ধ্ব ১ জন রয়েছেন।

বিভাগ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপরই রয়েছে খুলনা বিভাগ, ৩৮ জন। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ৩২ জন, রাজশাহীতে ১১, বরিশালে ৮, সিলেটে ৬, রংপুরে ১৬ ও ময়মনসিংহে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনা প্রথম শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। উদ্বেগ থাকলেও প্রথম কয়েক মাসে ভাইরাসটি সেভাবে ছড়ায়নি।

তবে মে মাস থেকে ব্যাপকভাবে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়তে থাকে। তখন আক্রান্তের হটস্পট ছিল ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রামের মতো জনবহুল শহরগুলো।

গত শীতে দ্বিতীয় ঢেউ আসার উদ্বেগ থাকলেও সংক্রমণ ও মৃত্যু- দুটোই কমে আসে। একপর্যায়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৩ শতাংশের নিচে নেমে যায়। যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিবেচনায় মহামারি নয়, নিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতি। তবে গত মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে শনাক্তের হার আবার বাড়তে থাকে। দ্বিতীয় ঢেউ নিশ্চিত হওয়ার পর এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে ভারতে করোনার নতুন ধরনের কথা জানা যায়।

সেই ভ্যারিয়েন্ট আক্রান্তদের দ্রুত অসুস্থ করে দেয়, তাদের অক্সিজেন লাগে বেশি। ছড়ায়ও দ্রুত, তাই মৃত্যুর সংখ্যাও বেশি।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সীমান্ত বন্ধ করে দেয়া হয় ২৪ এপ্রিল। কিন্তু বিধিনিষেধ না মানায় ভাইরাসের প্রকোপ ঠেকানো যায়নি। প্রথমে ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট রাজশাহী অঞ্চলে ব্যাপক মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পরে তা ছড়ায় খুলনা বিভাগে। সেই সঙ্গে ঢাকা বিভাগের বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল আর টাঙ্গাইল এলাকাতেও সংক্রমণ ঘটে ভাইরাসটির।

পরিস্থিতি ভয়াবহ হওয়ায় গত ২২ জুন থেকে ঢাকাকে ঘিরে রাখা সাত জেলায় যান চলাচল বন্ধ করে রাজধানীকে বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





Sylheter#Barta@777

©এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব sylheterbarta24.com কর্তৃক সংরক্ষিত