জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ সিলেট সদর উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটির অভিষেকে অংশ নিয়েছেন মাত্র ১টি ইউনিয়নে থাকা দায়িত্বশীলরা।
উপজেলার জালালাবাদ, হাটখোলা, খাদিমনগর, খাদিমপাড়া, টুলটিকর, টুকেরবাজার, মোগলগাঁও, কান্দিগাঁও এই ৮টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে মাত্র ৪নং খাদিমপাড়া ইউনিয়ন এর মধ্যে বাড়িঘর, কমস্থলে থাকা দায়িত্বশীলরা ১ জানুয়ারি, শুক্রবার অনুষ্ঠিত অভিষেক অনুষ্ঠানে ছিলেন।
হাতে গুনা ১০-১২ জন দায়িত্বশীলদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হওয়া সিলেট সদর উপজেলা জমিয়তের অভিষেক অনুষ্ঠান দেখে দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জমিয়তের এক নেতা বলেন-সিলেট বিভাগের অন্যান্য উপজেলার মধ্যে সদর উপজেলার গুরুত্ব সীমাহীন। রাজনৈতিক, নির্বাচন কেন্দ্রীক আর ভৌগলিক দিক থেকেও রয়েছে এই উপজেলার গুরুত্ব অপরিসীম।
অনুসন্ধানে জানা গেছে-গত বছরের ৩০ নভেম্বর সিলেট সদর উপজেলা জমিয়তের ত্রি-বাষিক সম্মেলন হয় খাদিমপাড়াস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে। সেখানেও মাত্র ২-৩টি ইউনিয়নের জমিয়তের ১৫-২০ জন নেতার্কীরা ছিলেন।
সেন্টারের বাকি চেয়ারগুলোতে বসেছিলেন একটি প্রাইভেট মাদরাসার ছাত্ররা। মূলত: ওই ছাত্রদের দ্বারাই অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য ও উপস্থিতি বৃদ্ধি করা হয়।
কাউন্সিলের দিন অতিথিদের অনেকেই হতাশামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। পূর্বের কমিটির ব্যর্থতার বাস্তব প্রমাণ ছিল ওইদিনের উপস্থিতি দেখে।
পরে মাওলানা খলিলুর রহমানকে সভাপতি ও ক্বারী মাওলানা আশরাফ আহমদকে সাধারণ সম্পাদক মাত্র এই দুইটি পদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল।
এব্যাপারে দলীয় নীতিমালা কী জানতে যোগাযোগ করা হয়েছিল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সিলেট জেলা শাখার সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নজরুল ইসলামকে।
তিনি সিলেটের বার্তাকে জানান, যখন উপজেলা পর্যায়ে জমিয়তের কমিটি গঠন করা হচ্ছিল, আমি তখন অসুস্থ হয়ে দীর্ঘদিন বিশ্রামে ছিলাম। তাই এ নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাইনা।