সিলেটের বার্তা প্রতিবেদক:: আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে আকবরকে গ্রেফতার করতে আল্টিমেটাম দিয়েছেন নিহত রায়হনের পরিবার।
সিলেট নগরীর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশী নির্যাতনে রায়হান উদ্দিন নামে যুবক নিহতের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়েছেন পরিবার ও এলাকাবাসী।
আজ রবিবার রবিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আখালিয়া এলাকার নেহারিপাড়া এলাকায় নিহত রায়হানের পরিবার ও এলাকাবাসী এ দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে রায়হান হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি, রায়হান হত্যায় জড়িত বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ দোষী সব পুলিশ সদস্যকে অবিলম্বে গ্রেফতার করাসহ ছয় দফা দাবি জানানো হয়।
প্রসঙ্গত, গত ১১ অক্টোবর সিলেটের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে ধরে নিয়ে টাকার জন্য অমানবিক নির্যাতন করা হয় নগরীর নেহারিপাড়া এলাকার বাসিন্দা রায়হানকে (৩৩)। ভোরে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় রোববার দিবাগত রাতে সিলেট কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন নিহত রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি। সেদিন বিকালে ডাক্তারের চেম্বারের কম্পাউন্ডার হিসেবে কর্মরত তার স্বামী বসা থেকে বের হয়ে আসে।
রাত ১০টা থেকে তার মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। রাত ৪টা ৩৩ মিনিটে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে রায়হান তার মাকে কল করে কথা বলেন। ওই কলে রায়হান কাঁদতে কাঁদতে জানান যে, তাকে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে আটকে রেখেছে এবং টাকা না দিলে ছাড়বে না।
এর পরই ভোর সাড়ে ৫টায় চার হাজার টাকা নিয়ে রায়হানের চাচা হাবিব উল্লাহ ফাঁড়িতে গেলে পুলিশ তাকে ১০টার সময় ১০ হাজার টাকা নিয়ে যেতে বলেন। তিনি ১০টায় টাকা নিয়ে গেলে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজে যেতে বলা হয়। হাসপাতালে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, ৭টা ৪০ মিনিটে রায়হানের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিতে পুলিশ ছিনতাই করতে গিয়ে গণপিটুনিতে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার করে।
মামলায় নিহতের স্ত্রী উল্লেখ করেন, বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশি নির্যাতনেই রায়হানের মৃত্যু হয়েছে।
মতামত