শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

জেনে নিন ঘরের যেসব আসবাবপত্রে 'করোনাভাইরাস'



জেনে নিন ঘরের যেসব আসবাবপত্রে 'করোনাভাইরাস'
সিলেটের বার্তা ডেস্ক:: জীবননাশী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বময়। এমনকি ঘরের আসবাবপত্রেও দেখা দিয়েছে এই করোনাভাইরাসের প্রভাব। বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে। কোভিড-১৯ নামের নতুন এই করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে ইতিমধ্যে ৯০ হাজারের বেশি লোক আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৩ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষ। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে এই ভাইরাসটি ছড়ায়। আর এখন চীনের বাইরেও একের পর এক দেশে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিচ্ছে। নিয়মিত হাত ধোয়া বা টিস্যুতে হাঁচি দেওয়া- ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে এ ধরনের কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আপনি নিতে পারেন। যা হোক, ভাইরাসটিকে বেশ কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত শক্ত পৃষ্ঠের উপরে বেঁচে থাকতে দেখা গেছে। যার মানে হচ্ছে, প্রতিদিনের ব্যবহার্য জিনিসপত্র এবং শক্ত পৃষ্ঠগুলো ভাইরাসটির আবাসস্থল হতে পারে। আপনার বাসা-বাড়ি যতটা সম্ভব কম ঝুকিঁপূর্ণ নিশ্চিতে সহায়তা করতে যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি), আপনার ঘরের ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ স্থানের একটি তালিকা তৈরি করেছে। ঘরের এসব স্থানগুলো জীবাণুমুক্ত রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। করোনাভাইরাস বসবাস করতে পারে ঘরের এমন স্থানগুলো হলো- * কিচেন কাউন্টার টপস * টেবিল * দরজার হাতল * বাথরুমের ফিক্সচার * টয়লেট * ফোন * কিবোর্ড * ট্যাবলেট পিসি * টেবিলের আশপাশে * যেকোনো পৃষ্ঠ- যেখানে রক্ত, মল বা শরীরের তরল লেগে থাকতে পারে। উচ্চ ঝুঁকির এসব স্থান পরিষ্কার রাখবেন যেভাবে: সিডিসির পক্ষ থেকে, ঘরের জিনিসপত্র নিয়মিতভাবে জীবাণুনাশক স্প্রে দিয়ে পরিষ্কার করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়া স্প্রে ব্যবহারের সময় গ্লাভস পরার পাশাপাশি ঘরে বায়ু চলাচল নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। সিডিসি’র মতে, নিজের জিনিসপত্রগুলো পরিবারের অন্য সদস্যের সঙ্গে শেয়ার না করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সিডিসি বলছে, ‘আপনার বাড়ির অন্যান্য লোক বা পোষা প্রাণীর সাথে আপনার বাসন, চশমা, কাপ, খাবারের পাত্র, তোয়ালে বা বিছানা ভাগ করা উচিত নয়।’ এসব জিনিসপত্র ব্যবহার করার পর সেগুলো সাবান এবং পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলার পরামর্শ সিডিসি’র।  

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

সিলেটের বার্তা ২৪

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


জেনে নিন ঘরের যেসব আসবাবপত্রে 'করোনাভাইরাস'

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২০

featured Image
সিলেটের বার্তা ডেস্ক:: জীবননাশী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বময়। এমনকি ঘরের আসবাবপত্রেও দেখা দিয়েছে এই করোনাভাইরাসের প্রভাব। বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে। কোভিড-১৯ নামের নতুন এই করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে ইতিমধ্যে ৯০ হাজারের বেশি লোক আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৩ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষ। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে এই ভাইরাসটি ছড়ায়। আর এখন চীনের বাইরেও একের পর এক দেশে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিচ্ছে। নিয়মিত হাত ধোয়া বা টিস্যুতে হাঁচি দেওয়া- ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে এ ধরনের কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আপনি নিতে পারেন। যা হোক, ভাইরাসটিকে বেশ কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত শক্ত পৃষ্ঠের উপরে বেঁচে থাকতে দেখা গেছে। যার মানে হচ্ছে, প্রতিদিনের ব্যবহার্য জিনিসপত্র এবং শক্ত পৃষ্ঠগুলো ভাইরাসটির আবাসস্থল হতে পারে। আপনার বাসা-বাড়ি যতটা সম্ভব কম ঝুকিঁপূর্ণ নিশ্চিতে সহায়তা করতে যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি), আপনার ঘরের ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ স্থানের একটি তালিকা তৈরি করেছে। ঘরের এসব স্থানগুলো জীবাণুমুক্ত রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। করোনাভাইরাস বসবাস করতে পারে ঘরের এমন স্থানগুলো হলো- * কিচেন কাউন্টার টপস * টেবিল * দরজার হাতল * বাথরুমের ফিক্সচার * টয়লেট * ফোন * কিবোর্ড * ট্যাবলেট পিসি * টেবিলের আশপাশে * যেকোনো পৃষ্ঠ- যেখানে রক্ত, মল বা শরীরের তরল লেগে থাকতে পারে। উচ্চ ঝুঁকির এসব স্থান পরিষ্কার রাখবেন যেভাবে: সিডিসির পক্ষ থেকে, ঘরের জিনিসপত্র নিয়মিতভাবে জীবাণুনাশক স্প্রে দিয়ে পরিষ্কার করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়া স্প্রে ব্যবহারের সময় গ্লাভস পরার পাশাপাশি ঘরে বায়ু চলাচল নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। সিডিসি’র মতে, নিজের জিনিসপত্রগুলো পরিবারের অন্য সদস্যের সঙ্গে শেয়ার না করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সিডিসি বলছে, ‘আপনার বাড়ির অন্যান্য লোক বা পোষা প্রাণীর সাথে আপনার বাসন, চশমা, কাপ, খাবারের পাত্র, তোয়ালে বা বিছানা ভাগ করা উচিত নয়।’ এসব জিনিসপত্র ব্যবহার করার পর সেগুলো সাবান এবং পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলার পরামর্শ সিডিসি’র।  

সিলেটের বার্তা ২৪

প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমান
সম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪