নিজামুল হক লিটন:: রাস্তাঘাট ফাঁকা, নেই আগের মতো যান-জন চলাচল। মার্কেট তো বন্ধই, পাড়া-মহল্লারও অনেক দোকান আছে বন্ধ৷
সবমিলিয়ে হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতি। দৃশ্যপট বলছে যেনো সিলেটে অঘোষিত 'লকডাউন' চলছে।
এতে করে দুর্ভোগে পড়েছেন ঘরমুখী সিলেটের লাখো মানুষ।
আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় রাস্তার মাঝে শিশু-নারীসহ অপেক্ষা করছেন গাড়ির জন্য।

প্রখর রোদ অপেক্ষা করে চেয়ে আছেন তারা গণপরিবহন এর দিকে। তাদের দুর্ভোগের সাথী নেই কেউ।
করোনাভাইরাস এর প্রার্দূভাবের কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব গণপরিবহণ বন্ধ ।
কভিড-১৯ করোনাভাইরাসের কারণে এরইমধ্যে গণপরিবহন সীমিত আকারে চলাচল করছে। আজ মঙ্গলবার বিকাল থেকে করোনার কারণে সারাদেশে যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এবার ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব গণপরিবহন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ২৫৭টি লোকাল, মেইল ও কমিউটার ট্রেন চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। আজ সকাল থেকেই ২৫৭টি ট্রেন বন্ধ রাখা হয়েছে। আগামীকাল থেকে আরও পাঁচটি লোকাল ট্রেন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সরকার আগামী ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ১০ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে।
সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকলেও এই সময়ে হাসপাতাল, ফার্মেসি, খাদ্যপণ্যের দোকান ও কাঁচাবাজার খোলা থাকবে। আর সব কিছু বন্ধ থাকবে। দেশবাসীকে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনোভাবেই বাসা-বাড়ির বাইরে বের না হতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৩৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে এবং মারা গেছে ৩ জন।
https://youtu.be/n4W2WTHNpHw
মতামত