সিলেটের আকাশজুড়ে অবশেষে নামলো বজ্রবৃষ্টি। রাত পৌনে ৮টার দিকে এক পশলা বৃষ্টিতে প্রাণ জুড়িয়েছেন সিলেটবাসী। তবে দোকানপাট বন্ধের সময় হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ঘরমুখী বহু মানুষ।
বৃষ্টির সাথে যোগ হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। একাধিকবার লোডশেডিং হয়েছে সিলেট নগরে।
সিলটে নগরীর পূর্ব জিন্দাবাজােরে ট্রান্সফরমারে বিকট শব্দ করে চলে যায় বিদ্যুৎ।
এর আগে সিলেটে শনিবার (৬ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে রবিবার (৭ মার্চ) সকাল ৯টার মধ্যে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দেয় আবহাওয়া অধিদফতর।
২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সিলেটের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। এছাড়া সিলেট বিভাগে শনিবার (৬ মার্চ) দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। তারপরের ৩ দিন তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
এদিকে, সিলেটে এক পসলা বৃষ্টিতে স্বস্তি নেমে এসেছে জনজীবনে। শনিবার সন্ধ্যারাত পৌনে ৮টার দিকে শুরু হয় বৃষ্টি। এ রিপোর্ট লেখা (রাত ৮টা) পর্যন্ত বৃষ্টি হচ্ছিলো।
বিকাল থেকে সিলেটের আকাশ মেঘলাচ্ছন্ন দেখা যায়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে প্রথমে আকাশে মেঘের গর্জন শুনা যায়। এরপর শুরু হয় বৃষ্টি। এই বৃষ্টিতে সিলেট শহরের রাস্তাঘাটের ধুলো কমেছে বলে জানান নগরবাসী। নগরীতে উন্নয়ন কাজ চলমান থাকায় প্রায় সব রাস্তায় ছিল শুধু ধুলোবালি।
অরেদিকে, আজ (শনিবার) ফাল্গুন মাসের ২১ তারিখ। ফাল্গুনের শেষ দিকে এই বৃষ্টি হওয়ায় বোরো ধান, আম গাছের মুকুল, লিচু গাছের মুকুলসহ নানা ফসলাদীর জন্য বড় উপকার হবে বলে বিজ্ঞজনের অভিমত। শীত শেষ হওয়ার পর সিলেটে কিছুটা গরম পড়েছিল। এই গরমের মাঝে একটু বৃষ্টি যেন মানুষের মাঝে শীতলভাব নিয়ে এসেছে।
তবে সেই সঙ্গে শনিবারের বৃষ্টি জানান দিয়েছে কালবৈশাখীর আগমনী বার্তাও।
মতামত