শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

হাওজে কাওসার এর পানি পানের সৌভাগ্য মিলে যে কাজে



হাওজে কাওসার এর পানি পানের সৌভাগ্য মিলে যে কাজে

আজ ৪ রমজান ১৪৪২ হিজরী।বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন যে, রমজান সবর তথা ধৈর্য ধারণের মাস এবং সবরের বিনিময়ে আল্লাহপাক জান্নাত বরাদ্ধ রেখেছেন। ইহা পরস্পর সহানুভুতি প্রদর্শন করার মাস।

যে ব্যক্তি এ মাসে আপন গোলাম ও মজদুর হতে কাজের বোঝা পাতলা করে দেয় আল্লাহপাক তাকে ক্ষমা করে দেবেন এবং জাহান্নামের আগুন হতে মুক্তি দান করবেন। যে ব্যক্তি কোনো রোযাদারকে ইফতারিতে পানি পান করাবে আল্লাহপাক ক্বিয়ামতের দিন তাকে হাওজে কাওছারের পানি পান করাবেন। তারপর থেকে বেহেশতে প্রবেশ পর্যন্ত আর পানির কোনো পিপাসা হবে না।

হযরত আবু সাঈদ খুদরী রা. হতে বর্ণিত হুজুর সা.বলেন যে, রমযানের প্রতিটি দিবারাত্রিতে আল্লাহর দরবারে দোযখ হতে অসংখ্য কয়েদীকে মুক্তি দেওয়া হয় এবং প্রত্যেক মুসলমানের দিবা ও রাত্রে একটি করে দোয়া কবুল হয়।

নিজে ইফতার করার পাশাপাশি রোজাদারদের ইফতার করানোর ফযিলতই আলাদা এ সম্পর্কে হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে-হযরত যায়েদ বিন খালেদ জুহানী রা. হতে বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোন রোজাদারকে ইফতার করালো তাকে রোজাদারের অনুরূপ সওয়াব দান করা হবে। কিন্তু রোজাদারের সওয়াবের কোন কমতি হবে না। (তিরমিযী /৮০৭)। রমজান শরিফে প্রত্যেকের উচিত নিজের অধীনস্থদের উপর থেকে কাজের চাপ কমিয়ে দেয়া যাতে করে তাদের কষ্ট লাঘব হয়।

হযরত আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত প্রিয়নবী সা.বলেন যে, ব্যক্তি বিনা ওজরে ইচ্ছা পূর্বক রমযানের একটি রোজা ভঙ্গ করেছে, অন্য সময়ের সারা জীবনের রোযা ঐ মাসের রোযার সমকক্ষ হবে না। মাহে রমজানের একটি রোযা কতই না মূল্যবান। অতএব আসুন আমরা সবাই নিজ নিজ অধিনস্থ কমকর্তা-কর্মচারী ও কাজের লোকদের উপর সহানুভূতিমূলক কাজের চাপ কমিয়ে দেই। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ভালো কাজে প্রতিযোগিতা করার তৌফিক দান করুন।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

সিলেটের বার্তা ২৪

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


হাওজে কাওসার এর পানি পানের সৌভাগ্য মিলে যে কাজে

প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২১

featured Image

আজ ৪ রমজান ১৪৪২ হিজরী।বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন যে, রমজান সবর তথা ধৈর্য ধারণের মাস এবং সবরের বিনিময়ে আল্লাহপাক জান্নাত বরাদ্ধ রেখেছেন। ইহা পরস্পর সহানুভুতি প্রদর্শন করার মাস।

যে ব্যক্তি এ মাসে আপন গোলাম ও মজদুর হতে কাজের বোঝা পাতলা করে দেয় আল্লাহপাক তাকে ক্ষমা করে দেবেন এবং জাহান্নামের আগুন হতে মুক্তি দান করবেন। যে ব্যক্তি কোনো রোযাদারকে ইফতারিতে পানি পান করাবে আল্লাহপাক ক্বিয়ামতের দিন তাকে হাওজে কাওছারের পানি পান করাবেন। তারপর থেকে বেহেশতে প্রবেশ পর্যন্ত আর পানির কোনো পিপাসা হবে না।

হযরত আবু সাঈদ খুদরী রা. হতে বর্ণিত হুজুর সা.বলেন যে, রমযানের প্রতিটি দিবারাত্রিতে আল্লাহর দরবারে দোযখ হতে অসংখ্য কয়েদীকে মুক্তি দেওয়া হয় এবং প্রত্যেক মুসলমানের দিবা ও রাত্রে একটি করে দোয়া কবুল হয়।

নিজে ইফতার করার পাশাপাশি রোজাদারদের ইফতার করানোর ফযিলতই আলাদা এ সম্পর্কে হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে-হযরত যায়েদ বিন খালেদ জুহানী রা. হতে বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোন রোজাদারকে ইফতার করালো তাকে রোজাদারের অনুরূপ সওয়াব দান করা হবে। কিন্তু রোজাদারের সওয়াবের কোন কমতি হবে না। (তিরমিযী /৮০৭)। রমজান শরিফে প্রত্যেকের উচিত নিজের অধীনস্থদের উপর থেকে কাজের চাপ কমিয়ে দেয়া যাতে করে তাদের কষ্ট লাঘব হয়।

হযরত আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত প্রিয়নবী সা.বলেন যে, ব্যক্তি বিনা ওজরে ইচ্ছা পূর্বক রমযানের একটি রোজা ভঙ্গ করেছে, অন্য সময়ের সারা জীবনের রোযা ঐ মাসের রোযার সমকক্ষ হবে না। মাহে রমজানের একটি রোযা কতই না মূল্যবান। অতএব আসুন আমরা সবাই নিজ নিজ অধিনস্থ কমকর্তা-কর্মচারী ও কাজের লোকদের উপর সহানুভূতিমূলক কাজের চাপ কমিয়ে দেই। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ভালো কাজে প্রতিযোগিতা করার তৌফিক দান করুন।


সিলেটের বার্তা ২৪

প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমান
সম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪