মেয়েটির নাম পিংকী। ১৭ বছরের এই মেয়েটি শারিরীক প্রতিবন্ধী। অন্যের সাহায্য ছাড়া একা একা সে হাঁটতে পারে না।
একদিকে পরনির্ভর তার হাঁটাচলা অপরদিকে চুলোর আগুনে জ্বলে গেছে তার ডান পা।
প্লাস্টিক সার্জারি করলে ভালো হয়ে যাবে সে। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন প্রচুর টাকার।
সমাজের দানশীল, সমাজসেবী ও প্রবাসী ব্যক্তিদের সাহায্য-সহযোগিতায় সুস্থ হয়ে বাঁচতে চায় পিংকী।
সে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার থানাধীন দাউদপুর ইউনিয়নের সিকন্দরপুর রাউতকান্দি গ্রামের দরিদ্র দিনমজুর আব্দুস শহিদ গেদাই মিয়ার বড় মেয়ে।
জন্মের পর থেকে পিংকী শারীরিক প্রতিবন্ধী, সে একা হাঁটা চলা করতে পারে না। এমতাবস্থায় বিগত দুই বছর আগে বাড়িতে রান্নাঘরের চুলার আগুনে পিংকীর ডান পায়ের পাতা থেকে উরু পর্যন্ত পুড়ে যায়।
ঘটনার পর পিংকীকে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করান তার পিতা। সমাজের বিত্তবানদের সাহায্য সহযোগিতায় গেদাই মিয়া মেয়ের চিকিৎসা করে সাময়িক সুস্থ করলে ও টাকার অভাবে প্লাস্টিক সার্জারী করাতে পারছেন না। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ পিংকীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে প্লাস্টিক সার্জারীর পরামর্শ দিয়েছেন।
চিকিৎসার মাধ্যমে প্লাস্টিক সার্জারী করে পিংকীকে পুরোপুরি সুস্থ করতে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। এত টাকা জোগাড় করা তার দিনমজুর পিতার পক্ষে সম্ভব নয়। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী গেদাই মিয়া, তিনি প্রতিদিন যা আয়-রোজগার করেন তা দিয়ে কোন মতে সংসার চলাচ্ছেন। মেয়ের চিকিৎসার টাকা জোগাড় করা তার পক্ষে অসম্ভব।
বর্তমানে পিংকী'র অবস্থা খুবই খারাপ। ঔষধ ক্রয় করার টাকাও তার পিতা জোগাড় করতে পারছেন না। মেয়েকে সুস্থ করতে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সমাজের বিত্তবানদের সাহায্য সহযোগিতা কামনা করেছেন।
পিংকীর চিকিৎসার জন্য সকল হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তিগণ আর্থিক সাহায্য পাঠাতে বিকাশঃ ০১৩০১ ৯৭০৬৩৪ নাম্বার, সঞ্চয়ী হিসাব নাম্বার ৩৬২৪১০১০৬৬৪৭৮, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, চৌধুরীবাজার শাখা, দক্ষিণ সুরমা, সিলেট।
মেয়ে পিংকীকে বাচাঁতে হৃদয়বান ও দানশীল ব্যাক্তিদের অনুরোধ জানিয়েছেন দিনমজুর দরিদ্র পিতা আব্দুস শহিদ গেদাই মিয়া।
মতামত