রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

২ লাখ ২৮ হাজার টিকা আসলো সিলেটে



২ লাখ ২৮ হাজার টিকা আসলো সিলেটে

বহুল আলোচিত করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন (টিকা) অবশেষে সিলেটে এসে পৌঁছেছে।

মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দেশজুড়ে টিকা প্রদান কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আজ রবিবার (৩১ জানুয়ারি) কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে ১৯ কার্টুনে ২ লাখ ২৮ হাজার টিকা এসেছে সিলেটে।

রবিবার (৩১ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় বেক্সিমকো’র ফ্রিজার গাড়ি করে টিকাটি সিলেট সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

এরপর ভ্যাকসিনগুলো গাড়ি থেকে নামিয়ে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের সম্প্রসারিত টিকাদান প্রোগ্রাম (ইপিআই) ভবনে নিয়ে রাখা হয়।

সিলেটের বিভাগীয় স্বাস্থ্য উপ পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেটের বার্তাকে বলেন, আমরা করোনার টিকা পেয়েছি। সেগুলো কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে সংশ্লিষ্টস্থানে যথাযথভাবে রাখা হয়েছে।

১৯টি কার্টন করে ২ লাখ ২৮ হাজার টিকা আমরা হাতে পেয়েছি। কবে থেকে শুরু হবে টিকাদান এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যারা টিকা দিবে তাদেরকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। আশাকরা যাচ্ছে সবকিছু টিকটাক থাকলে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে।

তিনি সিলেটের বার্তাকে আরও বলেন, সিলেট বিভাগের চার জেলার জন্য ৩৭ কার্টন ভ্যাকসিন বরাদ্দ রয়েছে। প্রতি কার্টনে থাকবে ১ হাজার ২০০ করে ভ্যাকসিন। এর মধ্যে মৌলভীবাজারে ৫ কার্টন, হবিগঞ্জে ৬ কার্টন ও সুনামগঞ্জের জন্য ৭ কার্টন ভ্যাকসিন। অবশিষ্ট ১৯ কার্টন ভ্যাকসিন সিলেট জেলার জন্য।

সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মণ্ডল সিলেটের বার্তাকে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে ১৯টি কার্টন করে সিলেটে ২ লাখ ২৮ হাজার করোনার টিকা আমরা পেয়েছি। পর্যায়ক্রমে টিকা দেয়া শুরু হবে।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, ২২৪ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় ফ্রিজে টিকা রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। টিকা দানে প্রতিটি কেন্দ্রে দুইজন স্বাস্থ্যকর্মী ও চারজন স্বেচ্ছাসেবক থাকবেন। টিকাদান পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে তার নেতৃত্বে চিকিৎসকের সাতজনের একটি টিম থাকবে। এছাড়াও ইতোমধ্যে আমরা সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।

জানা যায়, টিকাদানে সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকায় সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজে ৪টি ও সদর হাসপাতালে ৮টি কেন্দ্রের মাধ্যমে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। টিকাদানে কেন্দ্র প্রতি থাকবেন ২ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও ৪ জন স্বেচ্ছাসেবক। টিকাদান পরবর্তী পর্যবেক্ষণের জন্য ৭ সদস্যের মেডিক্যাল টিম থাকবে। টিকাদান কার্যক্রমের সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নে সিলেটে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

মহানগর এলাকায় ১২টি কেন্দ্রে এবং উপজেলা পর্যায়ে নির্দিষ্ট কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। এরইমধ্যে জেলা ও মহানগর এলাকার জন্যপৃথক দুটি কমিটিও করা হয়েছে। মহানগর এলাকায় ২২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির আহ্বায়ক সিলেট করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবং সদস্য সচিব প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম। কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সিলেটের উপ পরিচালক।

অপরদিকে সিলেট জেলা পর্যায়ে করা ৮ সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে আছেন জেলা প্রশাসক এম কাজি এমদাদুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব হিসেবে আছেন সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মণ্ডল।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

সিলেটের বার্তা ২৪

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


২ লাখ ২৮ হাজার টিকা আসলো সিলেটে

প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২১

featured Image

বহুল আলোচিত করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন (টিকা) অবশেষে সিলেটে এসে পৌঁছেছে।

মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দেশজুড়ে টিকা প্রদান কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আজ রবিবার (৩১ জানুয়ারি) কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে ১৯ কার্টুনে ২ লাখ ২৮ হাজার টিকা এসেছে সিলেটে।

রবিবার (৩১ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় বেক্সিমকো’র ফ্রিজার গাড়ি করে টিকাটি সিলেট সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

এরপর ভ্যাকসিনগুলো গাড়ি থেকে নামিয়ে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের সম্প্রসারিত টিকাদান প্রোগ্রাম (ইপিআই) ভবনে নিয়ে রাখা হয়।

সিলেটের বিভাগীয় স্বাস্থ্য উপ পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেটের বার্তাকে বলেন, আমরা করোনার টিকা পেয়েছি। সেগুলো কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে সংশ্লিষ্টস্থানে যথাযথভাবে রাখা হয়েছে।

১৯টি কার্টন করে ২ লাখ ২৮ হাজার টিকা আমরা হাতে পেয়েছি। কবে থেকে শুরু হবে টিকাদান এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যারা টিকা দিবে তাদেরকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। আশাকরা যাচ্ছে সবকিছু টিকটাক থাকলে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে।

তিনি সিলেটের বার্তাকে আরও বলেন, সিলেট বিভাগের চার জেলার জন্য ৩৭ কার্টন ভ্যাকসিন বরাদ্দ রয়েছে। প্রতি কার্টনে থাকবে ১ হাজার ২০০ করে ভ্যাকসিন। এর মধ্যে মৌলভীবাজারে ৫ কার্টন, হবিগঞ্জে ৬ কার্টন ও সুনামগঞ্জের জন্য ৭ কার্টন ভ্যাকসিন। অবশিষ্ট ১৯ কার্টন ভ্যাকসিন সিলেট জেলার জন্য।

সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মণ্ডল সিলেটের বার্তাকে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে ১৯টি কার্টন করে সিলেটে ২ লাখ ২৮ হাজার করোনার টিকা আমরা পেয়েছি। পর্যায়ক্রমে টিকা দেয়া শুরু হবে।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, ২২৪ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় ফ্রিজে টিকা রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। টিকা দানে প্রতিটি কেন্দ্রে দুইজন স্বাস্থ্যকর্মী ও চারজন স্বেচ্ছাসেবক থাকবেন। টিকাদান পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে তার নেতৃত্বে চিকিৎসকের সাতজনের একটি টিম থাকবে। এছাড়াও ইতোমধ্যে আমরা সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।

জানা যায়, টিকাদানে সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকায় সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজে ৪টি ও সদর হাসপাতালে ৮টি কেন্দ্রের মাধ্যমে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। টিকাদানে কেন্দ্র প্রতি থাকবেন ২ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও ৪ জন স্বেচ্ছাসেবক। টিকাদান পরবর্তী পর্যবেক্ষণের জন্য ৭ সদস্যের মেডিক্যাল টিম থাকবে। টিকাদান কার্যক্রমের সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নে সিলেটে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

মহানগর এলাকায় ১২টি কেন্দ্রে এবং উপজেলা পর্যায়ে নির্দিষ্ট কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। এরইমধ্যে জেলা ও মহানগর এলাকার জন্যপৃথক দুটি কমিটিও করা হয়েছে। মহানগর এলাকায় ২২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির আহ্বায়ক সিলেট করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবং সদস্য সচিব প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম। কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সিলেটের উপ পরিচালক।

অপরদিকে সিলেট জেলা পর্যায়ে করা ৮ সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে আছেন জেলা প্রশাসক এম কাজি এমদাদুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব হিসেবে আছেন সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মণ্ডল।


সিলেটের বার্তা ২৪

প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমান
সম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪