সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে অভিযান চালিয়ে ১৫ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯।শুক্রবার রাত ১০টায় এসআরবি-৯'র মিডিয়া শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। এসআরবি-৯ জানায়, বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাহিরপুর থানার বাদাঘাট ইউনিয়নের মছিমপুর বাজার থেকে লাউড়েরগড় বাজারগামী সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার দক্ষিণ ছয়শ্রী এলাকার আবদুল রশিদের ছেলে মো. এনাম মিয়া (২২) এবং হবিগঞ্জ সদর থানার ধুলিয়াখাল এলাকার রাশেদুল ইসলামের স্ত্রী রিয়া আক্তার (২১)।র্যাব-৯-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯-এর সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জের একটি অভিযানিক দল বৃহস্পতিবার দুপুরে তাহিরপুর থানার দক্ষিণ মুকসেদপুর এলাকায় অবস্থান করছিল। এ সময় তারা জানতে পারে, মছিমপুর বাজার থেকে কয়েকজন ব্যক্তি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় মাদকদ্রব্য নিয়ে লাউড়েরগড় বাজারের দিকে যাচ্ছে।পরে দুপুর ২টা ১০ মিনিটের দিকে বাদাঘাট মছিমপুর বাজার থেকে লাউড়েরগড় বাজারগামী পাকা সড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করে অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি সবুজ রঙের সিএনজি সংকেত দিয়ে থামানো হলে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখান থেকে দুই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাদের আটক করা হয়।আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে তাদের হেফাজতে গাঁজা থাকার কথা স্বীকার করলে একটি সবুজ রঙের ট্রলি ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। ব্যাগের ভেতর নীল রঙের পলিথিনে খাকি রঙের স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার দুজন জানান, তারা পরস্পর যোগসাজশে সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন।পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। উদ্ধার করা গাঁজাসহ তাদের তাহিরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।র্যাব-৯ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।