সিলেটের লালবাজার, কালিঘাট, মহাজনপট্রি, সুরমা মার্কেট, কদমতলী, রেলগেটসহ গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে রয়েছে ছোটবড় অসংখ্য আবাসিক হোটেল।
এসব স্থানে লোক ভাড়া দিয়ে সাময়িক সময়ের জন্য অবস্থান করে না, বরং ৫০০-১০০০টাকা দিয়ে ১০-১৫ মিনিটের জন্য ফুর্তি করতে আবাসিক হোটেলগুলোতে যাওয়া এক শ্রেণির মানুষের।
সিলেট মহানগর পুলিশের অভিযানে প্রতিদিনই ধরা পড়ছে খদ্দের, পতিতাসহ মূল হোতারা। তবুও যেনো থেমে নেই এই নির্লজ্জ ব্যবসা।
১ দিনের ব্যবধানে আরও ৭ জন অবাঞ্চিত নারী-পুরুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ সোমবার (২৪ মে) বেলা আড়াইটার দিকে নগরীর সুরমা মার্কেটের বদরুল আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সুরমা মার্কেটের বদরুল আবাসিক হোটেলে একদল পুলিশ অভিযান চালায়। বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান এর নেতৃত্বে পুলিশের ওই দল হোটেলে গিয়ে দেখতে পায় অনৈতিক কাজে লিপ্ত রয়েছে কয়েকজন নারী পুরুষ। এসময় ২ নারী ও ৫ পুরুষকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
আটককৃত ৫ পুরুষের মধ্যে ৩ জনের বাড়ী দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজারে, একজন ওসমানীনগর ও একজন সুনামগঞ্জের বাসিন্দা। তবে পুলিশ ২ নারীর নাম ঠিকানা উল্লেখ করেনি।
উল্লেখ্য, ইতিপূর্বেও অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকায় বদরুল হোটেলে অভিযান চালিয়ে কয়েকজন নারী পুরুষকে আটক করা হয়েছিল।
মতামত