রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

কয়লা সংকটে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ



কয়লা সংকটে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ
কয়লা-সংকটে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল পটুয়াখালীর পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন। আজ সোমবার বেলা ১২টা ৪০ মিনিটে কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এতে লোডশেডিং আরও বাড়তে পারে।   বিসিপিসিএলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহ আব্দুল হাসিব বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।   বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল) বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, চীন-বাংলাদেশের যৌথ বিনিয়োগে ২০২০ সালে পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে।   এর উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। কেন্দ্রটি চালানোর জন্য কয়লা কিনতে ঋণ দিয়ে আসছে চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কোম্পানি।   আরও জানা গেছে, গত এপ্রিল পর্যন্ত ৩৯০ মিলিয়ন ডলার বকেয়া বিল পরিশোধ না করায় কয়লা সরবরাহ বন্ধ করে দেয় সিএমসি। তবে নতুন করে কয়লা আমদানির জন্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক ১০০ মিলিয়ন ডলার সংস্থান করে দেয়।   ইতিমধ্যে এলসি খোলা হয়েছে। চলতি মাসের ২৫ জুন কয়লা আসার কথা রয়েছে। তখন বিদ্যুৎ উৎপাদন আবার চালু হবে। বিসিপিসিএলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহ আব্দুল হাসিব বলেন, ‘কয়লা-সংকটে আমরা ২৫ মে প্রথম ইউনিট বন্ধ করেছি।   সোমবার দুপুরে কয়লার মজুত একেবারে শেষ হওয়ায় দ্বিতীয় ইউনিটও বন্ধ হয়ে গেছে। তবে এটি একটি সাময়িক সংকট। সরকার ১০০ মিলিয়ন ডলারের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে কয়লা আমদানি করে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি আবার চালু করা যাবে।’

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

সিলেটের বার্তা ২৪

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কয়লা সংকটে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৩

featured Image
কয়লা-সংকটে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল পটুয়াখালীর পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন। আজ সোমবার বেলা ১২টা ৪০ মিনিটে কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এতে লোডশেডিং আরও বাড়তে পারে।   বিসিপিসিএলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহ আব্দুল হাসিব বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।   বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল) বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, চীন-বাংলাদেশের যৌথ বিনিয়োগে ২০২০ সালে পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে।   এর উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। কেন্দ্রটি চালানোর জন্য কয়লা কিনতে ঋণ দিয়ে আসছে চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কোম্পানি।   আরও জানা গেছে, গত এপ্রিল পর্যন্ত ৩৯০ মিলিয়ন ডলার বকেয়া বিল পরিশোধ না করায় কয়লা সরবরাহ বন্ধ করে দেয় সিএমসি। তবে নতুন করে কয়লা আমদানির জন্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক ১০০ মিলিয়ন ডলার সংস্থান করে দেয়।   ইতিমধ্যে এলসি খোলা হয়েছে। চলতি মাসের ২৫ জুন কয়লা আসার কথা রয়েছে। তখন বিদ্যুৎ উৎপাদন আবার চালু হবে। বিসিপিসিএলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহ আব্দুল হাসিব বলেন, ‘কয়লা-সংকটে আমরা ২৫ মে প্রথম ইউনিট বন্ধ করেছি।   সোমবার দুপুরে কয়লার মজুত একেবারে শেষ হওয়ায় দ্বিতীয় ইউনিটও বন্ধ হয়ে গেছে। তবে এটি একটি সাময়িক সংকট। সরকার ১০০ মিলিয়ন ডলারের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে কয়লা আমদানি করে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি আবার চালু করা যাবে।’

সিলেটের বার্তা ২৪

প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমান
সম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪