রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কবরের পাশে কান্না, মসজিদে মুসল্লির ঢল
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
মহিমান্বিত রজনী শবে বরাত। যথাযোগ্য ভাবগাম্ভীর্যের সাথে মুসলমানরা পালন করছেন শবে বরাতের রাত।
মুক্তির এই রজনীতে মহান আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আযকার করছেন মুসল্লীরা।
প্রতি বছরের মতো এ বছরও মুক্তি লাভের আশায় সিলেটের হযরত শাহজালাল রহঃ দরগাহ মসজিদ, হযরত শাহপরান রহঃ মাজার মসজিদ, হযরত মানিকপীর রহঃ সিটি গোরস্তান, সিলেট কেন্দ্রীয় বন্দর বাজার জামে মসজিদসহ পাড়া-মহল্লার মসজিদসমূহে মুসল্লীদের ঢল নেমেছে।
সেই সঙ্গে বিভিন্ন কবরস্থানে মৃত স্বজনদের জন্য জান্নাত কামনা করে দোয়া করছেন স্বজনরা।
রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এশার নামাজের সময় থেকে মুসল্লীতে ভরে ওঠে সিলেটের হযরত শাহজালাল রহঃ দরগাহ মসজিদ।
শুধু দরগাহ মসজিদই নয়, এশার নামাজকে কেন্দ্র করে সিলেট নগরীর সব মসজিদেই দেখা গেছে উপচেপড়া ভিড়।
নানা বয়সী ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আসছেন জামাতে নামাজ আদায় করতে। মসজিদে আগত মুসল্লীরা বলছেন, আজ শবে বরাতের রাত, গুনাহ মাফের একটি রাত।রোজার প্রস্তুতি হিসেবেই এই রাত থেকে ইবাদত বন্দেগী শুরু করেছেন সবাই। এছাড়াও বিভিন্ন কবরস্থানে গিয়ে দেখা গেছে, কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কেউ কাঁদছেন, কেউ করছেন কোরআন তেলাওয়াত, আবার অনেকেই হাত তুলে আল্লাহর কাছে আর্জি জানাচ্ছেন প্রিয়জনের আত্মার মাগফেরাতের। ছোট-বড় বিভিন্ন বয়সী মানুষ স্বজনজনের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে মোনাজাত করছেন।
স্বজনদের জান্নাত চেয়ে হাতজোড় করে চাপা কান্নাও করছেন অনেকে। প্রসঙ্গত, শবে বরাতে আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় রাতভর ইবাদত করেন মুসল্লিরা। নফল নামাজ, জিকির আসকার, কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সময় কাটান ইবাদাতকারীরা।
পবিত্র এ রাতে কবরে থাকা আত্মীয় স্বজনদের জন্য দোয়া করতে যান মানুষ। নিজেদের গোনাহ থেকে মুক্তি এবং মৃত স্বজনদের জান্নাত কামনা করে দোয়া করেন সবাই।
প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমানসম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪
মতামত