আক্রান্ত

৭৭৭,৩৯৭

সুস্থ

৭১৮,২৪৯

মৃত্যু

১২,০৪৫

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • বরগুনা ১,০০৮
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • ঢাকা ১৫০,৬২৯
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • যশোর ৪,৫৪২
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • মাদারিপুর ১,৫৯৯
  • মাগুরা ১,০৩২
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • নাটোর ১,১৬২
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • রাঙামাটি ১,০৯৮
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • শরিয়তপুর ১,৮৫৪
  • শেরপুর ৫৪২
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • বান্দরবান ৮৭১
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • ভোলা ৯২৬
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • খুলনা ৭,০২৭
  • নড়াইল ১,৫১১
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন৩০শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

৩০শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি

নোটিশঃ
★সিলেটের বার্তায় প্রতিনিধি/সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। তাই যোগাযোগ করুন নিম্নের মেইল অথবা নাম্বারে।
করোনাভাইরাস: ইসলাম যা করতে নির্দেশ দিয়েছে

করোনাভাইরাস: ইসলাম যা করতে নির্দেশ দিয়েছে

ধর্মবার্তা::বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত রোগের নাম ‘করোনাভাইরাস’। চীনের উহান শহরে এই ভাইরাসটি প্রথমে ছড়িয়েছে। তারপর একেএকে বিশ্বের অনেকগুলো দেশে তা ছড়িয়ে পড়েছে।
ভাইরাসটি নাকি ‘বাদূর’ এর স্যুপ থেকে প্রথমে ছড়ায়। যা ইউটিউব বা বিশ্ব সার্চ ইঞ্জিন গুগলের মাধ্যমে জানা যায়।
বর্তমানে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা নির্দিষ্ট করে বলা দায়। তবে গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী লাখের উপর হবে।
আসা যাক, মূল আলোচনায়, বিশ্বের বড় বড় জ্ঞানী-বিজ্ঞানীরা যখন পুরোদমে তাদের মূল্যবান সময় ব্যয় করে করোনাভাইরাস থেকে বাঁচার উপায়-উপকরণ খোঁজছেন। তাদের আবিস্কৃত ভ্যাকসিন রোগীর উপর অ্যাপ্লাই করছেন।
কেউ কেউ মুখে মাস্ক পরার নির্দেশনা দিচ্ছেন। ঠিক সেই মূহুর্তে মনে পড়লো এই দুরারোগ্য, দূরাবস্থা, কঠিন সময়ে সত্য ও ন্যায় ও শান্তির ধর্ম ইসলাম কী বলছে?
এসময়ে কী করার নির্দেশনা দেয় ইসলাম। এটাই আজ মূল আলোচনার বিষয়।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা. বলেছেন, ‘যখন কোনো জাতির মধ্যে প্রকাশ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে তখন সেখানে মহামারি আকারে প্লেগ রোগের প্রাদুর্ভাব হয়। তা ছাড়া এমন সব ব্যাধির উদ্ভব হয়, যা আগের লোকদের মধ্যে কখনো দেখা যায়নি। (ইবনে মাজাহ, ৪০১৯)

দুনিয়ার যাবতীয় বিপদাপদ, অসুখ বিসুখ আল্লাহর অনুমতিতেই হয়। মানুষ চক্রান্ত করুক, আর যাই করুক, জগতের সবকিছু আল্লাহর অনুমতিতে ঘটে। এভাবে আল্লাহ্ তাআলা কাউকে পরীক্ষা করেন, কাউকে আযাব দেন। মহামারি তেমনই একটি বিষয়। সম্প্রতি দেখা দেয়া করোনা ভাইরাস, এটিও একটি মহামারি বিষয়ে পরিণত হয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে কেন আল্লাহ্ তাআলা মহামারি দ্বারা শাস্তি দেন?
.
(১) দ্বীনের ব্যাপারে উদাসীনতা
কোনো জাতির মাঝে আল্লাহর অবাধ্যতা বেড়ে গেলে, অবাধে সবাই পাপাচারে লিপ্ত হলে আল্লাহ্ নানানভাবে শাস্তি তাদের দেন। ভূমিকম্প, ঝড় তুফান, জলোচ্ছ্বাস, মহামারি ইত্যাদি। অশ্লীলতা, জঘন্য পাপ বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি কারণে এই আযাবগুলো আসে। অতীতেও পাপাচারের শাস্তি হিসেবে মহামারি প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। এমন ঘটনা দাউদ আ.-এর সময়েই ঘটেছিল। আল্লাহ্ বলেন, ‘তুমি কি তাদের দেখনি যারা মৃত্যুভয়ে হাজারে হাজারে স্বীয় আবাসভূমি ত্যাগ করেছিল। অতঃপর আল্লাহ তাদের বলেছিলেন, তোমাদের মৃত্যু হোক। তারপর আল্লাহ তাদের জীবিত করেন। …থ (সুরা বাকারা, ২: ২৪৩)

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, ‘তারা সংখ্যায় ছিল চার হাজার। মহামারির ভয়ে তারা পালিয়ে ছিল। তারা বলেছিল, আমরা এমন ভূমিতে যাব যেখানে মৃত্যু নেই। অতঃপর তারা এক স্থানে একত্র হলো। তখন আল্লাহ তাদের ওপর মৃত্যুর ফরমান জারি করেন।থ (তাফসির ইবনে কাসির)

(২) দায়িত্ব পালনেও অবহেলা
যখন কোনো জাতির ওপর আযাব আসে, তখন শুধু পাপীরাই এতে আক্রান্ত হয় না। বরং মহামারি শুরু হলে নেক বান্দারাও আক্রান্ত হয়। দ্বীনি দায়িত্ব পালনে অবহেলা করা, নেক কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজে বাঁধা প্রদান করা ছেড়ে দেয়ার কারণে এই আযাব আসে।

মহান আল্লাহ্ তাআলা বলেন, ‘অতএব তোমাদের পূর্বের প্রজন্মসমূহের মধ্যে এমন প্রজ্ঞাবান কেন হয়নি, যারা জমিনে ফাসাদ করা থেকে নিষেধ করত? এমন লোক কমই ছিল, তাদের আমি বাঁচিয়ে নিয়েছিলাম। যালিমরা বিলাসিতার পেছনে পড়ে ছিল এবং তারা ছিল অপরাধী।থ (সুরা হুদ, ১১: ১১৬)

মহামারি দেখা দিলে করণীয় কী?
(১) বেশি বেশি ইস্তিগফার করুন, তাওবা করুন।
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর আমি তোমাদের পূর্বেকার জাতিসমূহের কাছে বহু রাসূল পাঠিয়েছি। অতঃপর (রাসূলগণকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করার কারণে) তাদেরকে অভাব-অনটন ও রোগ-শোক দ্বারা পাকড়াও করেছি, যাতে তারা বিনীত হয়।থ (সুর আনআম, ৬: ৪২)

কাজেই যেকোনো বিপদে বান্দা আল্লাহ-মুখী হবে। তাঁর কাছে ক্ষমা চাইবে, আশ্রয় প্রার্থনা করবে। আমার রব এটাই চান। তাই মহামারি দেখা দিলে মুমিনের প্রধান কাজ হলো নিজের ভুল ত্রুটির জন্য আল্লাহর কাছে বিনীত হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করা, পাপ থেকে ফিরে আসা।

(২) নিজ এলাকায় থাকুন:
বেশির ভাগ মহামারিই সংক্রামক। তাই নবীজি সা. বলেছেন, ‘কোথাও মহামারি দেখা দিলে এবং সেখানে তোমরা অবস্থান করলে সে জায়গা থেকে বের হয়ে যেয়ো না। তদ্রূপ অন্য কোনো এলাকায় মহামারি দেখা দিলে, আর সেখানে তোমরা অবস্থান না করলে সেখানে যেয়ো না।থ (তিরমিযী, ১০৬৫)
অর্থাৎ মহামারিতে আক্রান্ত এলাকার মানুষ সেখানে অবস্থান করবে, বের হবে না। আর বাহিরের মানুষ সেখানে প্রবেশ করবে না। প্রত্যেকেই আপন আপন ভূমিতে থাকবে। যদি কেউ এতে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়, তা হলে এর প্রতিদান কী?

নবী সা. বলেছেন, ‘অতএব প্লেগ রোগে কোনো বান্দা যদি ধৈর্য ধরে এবং এ বিশ্বাস নিয়ে আপন শহরে অবস্থান করতে থাকে যে, আল্লাহ তার জন্য যা নির্দিষ্ট করে রেখেছেন তা ছাড়া আর কোনো বিপদ তার ওপর আসবে না; তাহলে সেই বান্দার জন্য থাকবে শহীদের সাওয়াবের সমান সাওয়াব।থ (সহিহ বুখারী, ৫৭৩৪)

(৩) পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন:
পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা ঈমানের অঙ্গ। আল্লাহর রাসূল সা. বলেছেন
‘পবিত্র ঈমানের অংশ।’ (মিশকাত শরীফ)

হাত সর্বদা পরিষ্কার রাখুন। বাহিরে বের হলে মুখে বা নাকে হাত দেবেন না। বাসায় ফিরে হাত ধৌত করে খাবার স্পর্শ করবেন। রাস্তার পশু-পাখি ধরা থেকে বিরত থাকুন।
.
(৪) মুখ ঢেকে হাঁচি দিন:
আল্লাহর রাসূল যখন হাঁচি দিতেন, হাত দিয়ে অথবা এক টুকরো কাপড় দিয়ে মুখ চেপে ধরতেন। (তিরমিযী)

এই ছোট্ট কাজটি যদি আমরা সচেতন-ভাবে পালন করি, তাহলে ধ্বংসাত্মক অনেক সংক্রামক ভাইরাসই প্রতিহত করা সম্ভব বিইজনিল্লাহ্।

(৫) বেশি বেশি দুআ পড়ুন:
হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি নি¤েœাক্ত দুআটি সন্ধ্যায় তিনবার পাঠ করবে সকাল হওয়া পর্যন্ত তার প্রতি কোনো বিপদ হঠাৎ চলে আসবে না। আর যে তা সকালে তিনবার পাঠ করবে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার ওপর কোনো হঠাৎ বিপদ আসবে না।
দুআটি হলো, অর্থ: আল্লাহর নামে, যার নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো বস্তুই ক্ষতি করতে পারে না, তিনি সর্বশ্রোতা ও মহাজ্ঞানী। (আবু দাউদ, ৫০৮৮)

এছাড়া নবীজি সা. পড়তেন, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আ’উযুবিকা মিনাল বারাসি, ওয়াল জুনুনি, ওয়াল জুযামি, ওয়া সায়্যিইল আছক্বামি’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই শ্বেত, উন্মাদনা, কুষ্ঠ এবং সব দুরারোগ্য ব্যাধি হতে।থ (আবু দাউদ, ১৫৫৪, সহীহ)

আল্লাহ্ তাআলা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সবাইকে কঠিন এই সময়ে হেফাজতে রাখুন। আমিন।।

শেয়ার করুন
  •  
  • 77
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





Sylheter#Barta@777

©এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব sylheterbarta24.com কর্তৃক সংরক্ষিত