শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

লকডাউন মানছেন না মাধবপুরবাসী, বাড়ছে করোনার ঝুঁকি



লকডাউন মানছেন না মাধবপুরবাসী, বাড়ছে করোনার ঝুঁকি
লিটন পাঠান, মাধবপুর:: লকডাউন মানছেন না হবিগঞ্জের মাধবপুরবাসী। কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে অবাধে হাট-বাজারে মানুষের ভীড় বাড়ছেই। করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে জনসমাগম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হলেও মানছে না মাধবপুরের মানুষ। করোনা জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে মাইকিং, লিফলেট, সহ প্রশাসনের লোকজন বাজারে বাজারে সচেতনতার জন্য প্রচার করছে কিন্তু,ভাইরাসের ভয়াবহতা সর্ম্পকে ধারণা না থাকা সরকারের বিভিন্ন নির্দেশনা বা নিয়মনীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না সাধারণ মানুষ। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গতকাল সোমবার উপজেলার বিভিন্ন বাজারে হাট বসানো হয়। এভাবে চলতে থাকলে ভাইরাস ছড়িয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল। সারা দেশে করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের তৎপরতায় এবং প্রসাশনের ও সেনাবাহিনীর টহলে সাপ্তাহিক এ হাট কিছুটা নিয়ন্ত্রণে কিন্তু গত সপ্তাহ থেকে মাইকিং করেও যেন বন্ধ হচ্ছে না হাট। নির্দেশনা অনুযায়ী মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাশনূভা নাশতারাণ সন্ধ্যা ৭টা থেকে ওষুধের দোকান ব্যাতীত সব ধরনের দোকান পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধের নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা বিকেলেই হাট, দোকান বন্ধসহ ঘর থেকে প্রয়োজন ছাড়া বের না হতে মাইকিং করে অনুরোধ করেন। নির্দেশানুসারে আগামীকাল বুধবার থেকে,মাছ,সুটকী ও কাচা বাজার উপজেলা সদর স্টেডিয়ামে বসবে। সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন গার্মেন্ট, অফিস, আদালত ছুটির পর থেকে লোকজন গ্রামে ছুটে এসেছে। এদের সাধারন সর্দি, কাশি নিয়ে অনেকেই এলাকার দোকানে আড্ডা মারেন। এতে করোনা ঝুকিতে থাকে সবাই। খেলার মাঠে এলাকার সব মানুষ গাদাগাদি করে খেলাধুলা করে।পাড়ার দোকান সন্ধ্যা হলেই জমজমাট হয়ে উঠে। উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) আয়েশা আক্তার জানান, জনগনকে সচেতন করার লক্ষে আমরা সেনাবাহিনী কে নিয়ে মাঠে তৎপর রয়েছি।বিদেশ ফেরতদের হোম কোয়ারেন্টাইন তদারকি, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার জন্য পদক্ষেপগুলো আমরা সবাই বুঝাইয়া বলি। কিন্তু জন সাধারণ করোনা ভাইরাসকে সিরিয়াস ভাবে নিচ্ছেন না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাশনূভা নাশতারাণ বলেন, উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে জন সমাগম যাতে বেশী না হয় এর জন্য আমরা কাজ করছি। করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতা সম্পর্কে মানুষ বুঝানোর চেষ্টা করছি। মানুষ কে সচেতন করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য ত্রাণ সহায়তা করে যাচ্ছি। এ উপজেলায় এখন পর্যন্ত ত্রাণ নিয়ে কোন অনিয়ম লক্ষ্য করা যায়নি।সামাজিক দুরত্ব ও হোম কোয়ারেন্টাইন সঠিকভাবে তদারকি করা হচ্ছে। তারপরও অভিযান পরিচালনা করা হবে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

সিলেটের বার্তা ২৪

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


লকডাউন মানছেন না মাধবপুরবাসী, বাড়ছে করোনার ঝুঁকি

প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২০

featured Image
লিটন পাঠান, মাধবপুর:: লকডাউন মানছেন না হবিগঞ্জের মাধবপুরবাসী। কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে অবাধে হাট-বাজারে মানুষের ভীড় বাড়ছেই। করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে জনসমাগম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হলেও মানছে না মাধবপুরের মানুষ। করোনা জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে মাইকিং, লিফলেট, সহ প্রশাসনের লোকজন বাজারে বাজারে সচেতনতার জন্য প্রচার করছে কিন্তু,ভাইরাসের ভয়াবহতা সর্ম্পকে ধারণা না থাকা সরকারের বিভিন্ন নির্দেশনা বা নিয়মনীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না সাধারণ মানুষ। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গতকাল সোমবার উপজেলার বিভিন্ন বাজারে হাট বসানো হয়। এভাবে চলতে থাকলে ভাইরাস ছড়িয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল। সারা দেশে করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের তৎপরতায় এবং প্রসাশনের ও সেনাবাহিনীর টহলে সাপ্তাহিক এ হাট কিছুটা নিয়ন্ত্রণে কিন্তু গত সপ্তাহ থেকে মাইকিং করেও যেন বন্ধ হচ্ছে না হাট। নির্দেশনা অনুযায়ী মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাশনূভা নাশতারাণ সন্ধ্যা ৭টা থেকে ওষুধের দোকান ব্যাতীত সব ধরনের দোকান পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধের নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা বিকেলেই হাট, দোকান বন্ধসহ ঘর থেকে প্রয়োজন ছাড়া বের না হতে মাইকিং করে অনুরোধ করেন। নির্দেশানুসারে আগামীকাল বুধবার থেকে,মাছ,সুটকী ও কাচা বাজার উপজেলা সদর স্টেডিয়ামে বসবে। সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন গার্মেন্ট, অফিস, আদালত ছুটির পর থেকে লোকজন গ্রামে ছুটে এসেছে। এদের সাধারন সর্দি, কাশি নিয়ে অনেকেই এলাকার দোকানে আড্ডা মারেন। এতে করোনা ঝুকিতে থাকে সবাই। খেলার মাঠে এলাকার সব মানুষ গাদাগাদি করে খেলাধুলা করে।পাড়ার দোকান সন্ধ্যা হলেই জমজমাট হয়ে উঠে। উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) আয়েশা আক্তার জানান, জনগনকে সচেতন করার লক্ষে আমরা সেনাবাহিনী কে নিয়ে মাঠে তৎপর রয়েছি।বিদেশ ফেরতদের হোম কোয়ারেন্টাইন তদারকি, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার জন্য পদক্ষেপগুলো আমরা সবাই বুঝাইয়া বলি। কিন্তু জন সাধারণ করোনা ভাইরাসকে সিরিয়াস ভাবে নিচ্ছেন না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাশনূভা নাশতারাণ বলেন, উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে জন সমাগম যাতে বেশী না হয় এর জন্য আমরা কাজ করছি। করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতা সম্পর্কে মানুষ বুঝানোর চেষ্টা করছি। মানুষ কে সচেতন করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য ত্রাণ সহায়তা করে যাচ্ছি। এ উপজেলায় এখন পর্যন্ত ত্রাণ নিয়ে কোন অনিয়ম লক্ষ্য করা যায়নি।সামাজিক দুরত্ব ও হোম কোয়ারেন্টাইন সঠিকভাবে তদারকি করা হচ্ছে। তারপরও অভিযান পরিচালনা করা হবে।

সিলেটের বার্তা ২৪

প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমান
সম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪