রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

শেষ দশকে ই’তিকাফের ফযিলত



শেষ দশকে ই’তিকাফের ফযিলত

লুকমান হাকিম: আজ ৮ রামাযান, শনিবার-১৪৪১ হিজরি মোতাবেক ০২ মে-২০২০ ইংরেজি।

মাহে রামাযানের শেষ দশকের মাসনূন ই’তিকাফ অত্যন্ত ফযিলতের আমল। হাদীস শরীফে এসেছে- ‘নবী কারীম সা. রামাযানের শেষ দশদিন ইতিকাফ করতেন। (বুখারী: ২০২১; মুসলিম: ১১৭১)

ইবাদত-বন্দেগীর মাধ্যমে রাত্রি জাগরণ করে সহস্র রজনী অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ ও উত্তম রাত-লাইলাতুল কদর তালাশ করা কর্তব্য। কুরআন মজীদে ইরশাদ হয়েছে-‘নিঃসন্দেহে কদরের রাতে আমি কুরআন অবতীর্ণ করেছি। আর আপনি কি জানেন শবে কদর কী? শবে কদর হল এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এ রাতে ফেরেশতা ও রুহুল কুদ্স (জিবরাঈল আ.) তাদের পালনকর্তার আদেশক্রমে প্রত্যেক মঙ্গলময় বস্তু (পৃথিবীতে) অবতরণ করে। (এ রাতের) আগাগোড়া শান্তি যা ফজর হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। (কদর)

আল্লাহ তাআলা মানুষের স্বভাবে যে ফেরেশতাসুলভ বৈশিষ্ট্য চরিত্র গচ্ছিত রেখেছেন, তার উন্নতি ও উৎকর্ষসাধন এবং নফস ও প্রবৃত্তির দমন ও নিবৃত্তির অন্যতম মাধ্যম হল রোযা। কানা’আত, আত্মশুদ্ধি, সবর ও শোকর, তাকওয়ার মতো বৈশিষ্ট্যগুলোর উন্নতি ও বিকাশে রোযার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। উপরন্তু রোযার মাধ্যমে মানুষ উদার ও প্রবৃত্তির জৈবিক তাড়না হতে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে ঊর্ধ্ব জগৎ তথা আপন স্রষ্টার সঙ্গে সম্পর্ক ও যোগসূত্র স্থাপনে সক্ষম হয়।

তাছাড়া নিরেট চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতেও প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য বছরের কিছু দিন অবশ্যই পানাহার বর্জন করা উচিত। এটি স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই হিন্দু-খ্রিস্টান সকল সকল ধর্মেই রোযার মতো উপবাস করার প্রচলন রয়েছে। (যদিও ইসলামের রোযার সাথে সেসব উপবাসের পদ্ধতিগত বহু পার্থক্য রয়েছে)। (আরকানে আরবাআ: ২৬৪)

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

সিলেটের বার্তা ২৪

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


শেষ দশকে ই’তিকাফের ফযিলত

প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২০

featured Image

লুকমান হাকিম: আজ ৮ রামাযান, শনিবার-১৪৪১ হিজরি মোতাবেক ০২ মে-২০২০ ইংরেজি।

মাহে রামাযানের শেষ দশকের মাসনূন ই’তিকাফ অত্যন্ত ফযিলতের আমল। হাদীস শরীফে এসেছে- ‘নবী কারীম সা. রামাযানের শেষ দশদিন ইতিকাফ করতেন। (বুখারী: ২০২১; মুসলিম: ১১৭১)

ইবাদত-বন্দেগীর মাধ্যমে রাত্রি জাগরণ করে সহস্র রজনী অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ ও উত্তম রাত-লাইলাতুল কদর তালাশ করা কর্তব্য। কুরআন মজীদে ইরশাদ হয়েছে-‘নিঃসন্দেহে কদরের রাতে আমি কুরআন অবতীর্ণ করেছি। আর আপনি কি জানেন শবে কদর কী? শবে কদর হল এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এ রাতে ফেরেশতা ও রুহুল কুদ্স (জিবরাঈল আ.) তাদের পালনকর্তার আদেশক্রমে প্রত্যেক মঙ্গলময় বস্তু (পৃথিবীতে) অবতরণ করে। (এ রাতের) আগাগোড়া শান্তি যা ফজর হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। (কদর)

আল্লাহ তাআলা মানুষের স্বভাবে যে ফেরেশতাসুলভ বৈশিষ্ট্য চরিত্র গচ্ছিত রেখেছেন, তার উন্নতি ও উৎকর্ষসাধন এবং নফস ও প্রবৃত্তির দমন ও নিবৃত্তির অন্যতম মাধ্যম হল রোযা। কানা’আত, আত্মশুদ্ধি, সবর ও শোকর, তাকওয়ার মতো বৈশিষ্ট্যগুলোর উন্নতি ও বিকাশে রোযার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। উপরন্তু রোযার মাধ্যমে মানুষ উদার ও প্রবৃত্তির জৈবিক তাড়না হতে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে ঊর্ধ্ব জগৎ তথা আপন স্রষ্টার সঙ্গে সম্পর্ক ও যোগসূত্র স্থাপনে সক্ষম হয়।

তাছাড়া নিরেট চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতেও প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য বছরের কিছু দিন অবশ্যই পানাহার বর্জন করা উচিত। এটি স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই হিন্দু-খ্রিস্টান সকল সকল ধর্মেই রোযার মতো উপবাস করার প্রচলন রয়েছে। (যদিও ইসলামের রোযার সাথে সেসব উপবাসের পদ্ধতিগত বহু পার্থক্য রয়েছে)। (আরকানে আরবাআ: ২৬৪)


সিলেটের বার্তা ২৪

প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমান
সম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪