এম এ কাদির বালাগঞ্জ থেকে:: সিলেটের বালাগঞ্জে কুনু মিয়া হত্যাকান্ডের ১৫ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোন আসামী গ্রেফতার করতে পারে নি পুলিশ।
এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
উপজেলার দেওয়ান বাজার ইউনিয়নের নশিওর পুর গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় গ্রামে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষে এক মত বিনিময় সভায় এ দাবি জানানো হয়।
উক্ত সভায় কুনু মিয়া হত্যাকান্ডের ১৫ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর ও পুলিশ খুনিদের গ্রেপতারে ব্যার্থ হওয়ায় বক্তারা ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে জানান কুনু মিয়া হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত মামলায় উল্লেখিত আসামিদের
শিঘ্রই গ্রেফতার করা না হলে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে নশিওর পুর গ্রামবাসির উদ্যোগে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে।
চলমান সময়ে ধৈর্য ধারণ করে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গ্রামবাসির প্রতি আহবান জানানো হয়। উল্লেখ্য গত ২৫ জুন নশিওর পুর গ্রামের আরজু মিয়ার পুত্র কনু মিয়া (৩৮) প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হন। ২৪ জুুন, বুধবার বিকেলে পূর্ব শত্রুতার জেরে একই গ্রামের আব্দুল কাদির ওরফে গোন্ডা কাদিরের ছেলে ওয়াহিদ আলী ও তার পক্ষের লোকজন গ্রামের এক স্থানে পরিকল্পিত ভাবে দেশীয় অস্ত্রেসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে কনু মিয়ার উপর এলোপাতাড়ি হামলা করে এতে কুনু মিয়ার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুত্বর জখম হয়।
কুনু মিয়ার আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান ২৫ জুন, বৃহস্পতিবার ভোর রাতে তিনি মারা যান।
২৬ জুন, কুনু মিয়ার বোন বাদি হয়ে বালাগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা (নং-৬) দায়ের করেন। মামলায় আব্দুল ওয়াহিদ, গুন্ডা আব্দুল কাদির,আবু জাহিদ এ ৩ জনকে আসামী করা হয়।
এ ব্যাপার বালাগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ গাজি আতাউর রহমান জানান আসামীদের গ্রেপতারে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।খুব কমসময়ের মধ্যেই আপনাদের গ্রেফতারের সংবাদ জানাতে পারব বলে আশা করছি।
মতামত