রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

রমজান মাসে বিদ্যুতের অব্যাহত ভেলকিবাজিতে ভোগান্তি



রমজান মাসে বিদ্যুতের অব্যাহত ভেলকিবাজিতে ভোগান্তি

প্রতিবছর রমজান মাসে সেহরি-ইফতার ও তারাবির নামাজের সময়ে নিরবিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা থাকে এবছরও আছে।

কিন্তু বাদ বাকি সময়ে বিদ্যুৎতের অব্যাহত ভেলকিবাজিতে ভোগান্তির অন্ত নেই।

সিলেট নগর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলা এবং সুনামগঞ্জেও একই সমস্যায় ভোগছেন গ্রাহকরা।

কানাইঘাট থেকে আমাদের নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় রমজান মাসের শুরু থেকে পল্লী বিদ্যুাতের ঘনঘন লোডশেডিংয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বিদ্যুৎ গ্রাহকারা ও ধর্মপ্রাণ মানুষ। অনেক বিদ্যুৎ গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন রমজান মাসের শুরু থেকে পল্লী বিদ্যুাতের লোডশেডিং বেড়েই চলছে। শেহরী, ইফতার ও তারাবীর নামাজের সময় বিদ্যুাৎ চলে যায়। কোন কোন এলাকায় ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকেনা। রমজান মাসের আগে বিদ্যুতের লোডশেডিং ছিল না বললেই চলে। কিন্তু রমজান মাসের শুরু থেকেই বিদ্যুতের বারবার লোডশেডিং এর কারণে জন সাধারণ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন।

গত মঙ্গলবার তারাবীর নামাজের সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ক্ষোদ্ধ হয়ে উঠেন বিভিন্ন এলাকার মুসল্লীরা। বিশেষ করে পৌরসভায় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ লাইন থাকার পরও বারবার লোডশেডিং হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে উপজেলার অনেক প্রত্যান্ত এলাকায় ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিং এর কারণে জনমনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। কানাইঘাট পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিস কর্তৃপক্ষের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তারা ঝড়-বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে বলেন যার কারণে স্বভাবিক ভাবে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে এবং মাঝে মধ্যে বিদ্যুৎ লাইনে ত্রুটি জনিত কারনে বিদ্যুৎ চলে যায়।

তবে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের এমন অজুহাত মানতে নারাজ বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। তারা বলছেন সামান্য বাতাস বৃষ্টি ও ডাক হলে বিদ্যুৎ সংযোগ ঘন্টার পর ঘন্টা বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি আকাশের অবস্থা স্বাভাবিক থাকার পরও ঘনঘন বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। উপজেলার কোথায়ও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কাল বৈশাখী ঝড় হয়নি এমনকি বিদ্যুৎ লাইন বা খুটি কোথাও পড়েনি। ঝড়-বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে পবিত্র রমজান মাসে বিদ্যুৎ এর লোডশেডিং এর কারনে জন সাধারণের দৈনন্দিন কার্যক্রম ও ইবাদত বন্দেগিতে বিঘ্ন ঘটছে বলে বিদ্যুৎ গ্রাহকরা জানিয়েছেন।

সুনামগঞ্জ থেকে আমাদের নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, কোনোভাবেই থামছে না পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং। বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারে সফলতা দেখা গেলেও সুনামগঞ্জে এসে সরকারের এই সফলতার গল্প হতাশায় পতিত হচ্ছে।

বিদ্যুতের ভেলকিবাজি সহ্যসীমা অতিক্রম করেছে। কারণে অকারণে ঘন্টারপর বিদ্যুৎবিহীন থাকছে কোনো না কোনো উপজেলা। রমজানের এই প্রচন্ড গরমে পল্লী বিদ্যুতের এই অসহ্য ভোগান্তি জনবিস্ফোরণের পরিণত হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে গ্রাহকরা অকথ্য ভাষায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবার দাবি করে আসলেও ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলছে না গ্রাহকদের। ঝড়-বৃষ্টিতে বিদ্যুৎ না থাকা এখানে স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্ত ইদানিং আকাশে মেঘ উঠতেই বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সাংস্কৃতি চালু হয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বশীলদের মোবাইল ফোনও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বিদ্যুৎ নিয়ে ধোঁয়াশা আর ভোগান্তির মধ্যে আছেন জেলার ১১ উপজেলার ৮০ হাজার গ্রাহক।

অব্যাহতভাবে লোডশেডিং চলতে থাকলেও একে সাময়ি বিপত্তি বলে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ এর দায় চাপাচ্ছেন ৩৩ কেভির ফল্ট আর ঝড় বৃষ্টির উপর।

ক্ষুদ্ধ গ্রাহকরা অভিযোগ করেন, গত ১৫ দিন ধরে সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎ বিপর্যয় অতীতের চেয়ে নড়েবড়ে অবস্থার মধ্যে আছে। আকাশে মেঘ দেখলেই বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়। দৈনিক ২৪ ঘন্টার মধ্যে ২-৩ ঘন্টার বেশি বিদ্যুৎ থাকে না। এই ২-৩ ঘন্টার বিদ্যুৎ স্থির হচ্ছেনা। একবার বিদ্যুৎ এসে ২০ মিনিট থাকলেও এ সময়ের মধ্যে অন্তত ২/৩ বার আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকে। দিনের অনেকটা সময় বিদ্যুতের দেখা থাকেনা। দিনে ২-৩ ঘন্টার বিদ্যুৎ পোলেও তা মেলে গভীর রাতে। ঝড়বাদলের রাতে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হলে আর চালু হওয়ার কোনো আশাই থাকে না। সব মিলিয়ে বিদ্যুতের একটানা বেহাল দশায় গ্রাহকরা ক্ষুদ্ধ-বিরক্ত।

গণমাধ্যমকর্মী ইয়াকুব শাহরিয়ার তাঁর ফেইসবুক টাইমলাইলে লিখেছেন, “পল্লীবিদ্যুতের খামখেয়ালিতে অতিষ্ঠ উপজেলাবাসী। সামান্য বাতাস দেখলেই লোডশেডিং”।

নোহান আরেফিন নেওয়াজ লিখেছেন, গাছের পাতা নড়াচড়া শুরু করিবার আগেই বিদ্যুৎ উধাও হইয়া যায়। সেই যে যায় আর আসিবার বিন্দুমাত্রা ইচ্ছাপোষণ করে না। তিনি কতৃপক্ষকে উপহাস করে লিখেন, বিদ্যুৎওয়ালা ভাইদের ধইন্যবাদ, আমরাই বরং দুর্ভোগেই থাকি।

লোসেডিং এর ব্যাপারে সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম সুজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, ৩৩ কেভিতে ফল্ট দেখা দিয়েছে। কাজ চলছে তাই বিদ্যুতের সাময়িক বিপত্তি হচ্ছে। ঠিক হয়ে যাবে।

আগের চেয়ে বিদ্যুৎ সেবা ভালো বলে জানান তিনি।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

সিলেটের বার্তা ২৪

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রমজান মাসে বিদ্যুতের অব্যাহত ভেলকিবাজিতে ভোগান্তি

প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২১

featured Image

প্রতিবছর রমজান মাসে সেহরি-ইফতার ও তারাবির নামাজের সময়ে নিরবিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা থাকে এবছরও আছে।

কিন্তু বাদ বাকি সময়ে বিদ্যুৎতের অব্যাহত ভেলকিবাজিতে ভোগান্তির অন্ত নেই।

সিলেট নগর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলা এবং সুনামগঞ্জেও একই সমস্যায় ভোগছেন গ্রাহকরা।

কানাইঘাট থেকে আমাদের নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় রমজান মাসের শুরু থেকে পল্লী বিদ্যুাতের ঘনঘন লোডশেডিংয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বিদ্যুৎ গ্রাহকারা ও ধর্মপ্রাণ মানুষ। অনেক বিদ্যুৎ গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন রমজান মাসের শুরু থেকে পল্লী বিদ্যুাতের লোডশেডিং বেড়েই চলছে। শেহরী, ইফতার ও তারাবীর নামাজের সময় বিদ্যুাৎ চলে যায়। কোন কোন এলাকায় ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকেনা। রমজান মাসের আগে বিদ্যুতের লোডশেডিং ছিল না বললেই চলে। কিন্তু রমজান মাসের শুরু থেকেই বিদ্যুতের বারবার লোডশেডিং এর কারণে জন সাধারণ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন।

গত মঙ্গলবার তারাবীর নামাজের সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ক্ষোদ্ধ হয়ে উঠেন বিভিন্ন এলাকার মুসল্লীরা। বিশেষ করে পৌরসভায় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ লাইন থাকার পরও বারবার লোডশেডিং হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে উপজেলার অনেক প্রত্যান্ত এলাকায় ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিং এর কারণে জনমনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। কানাইঘাট পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিস কর্তৃপক্ষের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তারা ঝড়-বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে বলেন যার কারণে স্বভাবিক ভাবে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে এবং মাঝে মধ্যে বিদ্যুৎ লাইনে ত্রুটি জনিত কারনে বিদ্যুৎ চলে যায়।

তবে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের এমন অজুহাত মানতে নারাজ বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। তারা বলছেন সামান্য বাতাস বৃষ্টি ও ডাক হলে বিদ্যুৎ সংযোগ ঘন্টার পর ঘন্টা বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি আকাশের অবস্থা স্বাভাবিক থাকার পরও ঘনঘন বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। উপজেলার কোথায়ও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কাল বৈশাখী ঝড় হয়নি এমনকি বিদ্যুৎ লাইন বা খুটি কোথাও পড়েনি। ঝড়-বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে পবিত্র রমজান মাসে বিদ্যুৎ এর লোডশেডিং এর কারনে জন সাধারণের দৈনন্দিন কার্যক্রম ও ইবাদত বন্দেগিতে বিঘ্ন ঘটছে বলে বিদ্যুৎ গ্রাহকরা জানিয়েছেন।

সুনামগঞ্জ থেকে আমাদের নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, কোনোভাবেই থামছে না পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং। বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারে সফলতা দেখা গেলেও সুনামগঞ্জে এসে সরকারের এই সফলতার গল্প হতাশায় পতিত হচ্ছে।

বিদ্যুতের ভেলকিবাজি সহ্যসীমা অতিক্রম করেছে। কারণে অকারণে ঘন্টারপর বিদ্যুৎবিহীন থাকছে কোনো না কোনো উপজেলা। রমজানের এই প্রচন্ড গরমে পল্লী বিদ্যুতের এই অসহ্য ভোগান্তি জনবিস্ফোরণের পরিণত হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে গ্রাহকরা অকথ্য ভাষায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবার দাবি করে আসলেও ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলছে না গ্রাহকদের। ঝড়-বৃষ্টিতে বিদ্যুৎ না থাকা এখানে স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্ত ইদানিং আকাশে মেঘ উঠতেই বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সাংস্কৃতি চালু হয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বশীলদের মোবাইল ফোনও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বিদ্যুৎ নিয়ে ধোঁয়াশা আর ভোগান্তির মধ্যে আছেন জেলার ১১ উপজেলার ৮০ হাজার গ্রাহক।

অব্যাহতভাবে লোডশেডিং চলতে থাকলেও একে সাময়ি বিপত্তি বলে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ এর দায় চাপাচ্ছেন ৩৩ কেভির ফল্ট আর ঝড় বৃষ্টির উপর।

ক্ষুদ্ধ গ্রাহকরা অভিযোগ করেন, গত ১৫ দিন ধরে সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎ বিপর্যয় অতীতের চেয়ে নড়েবড়ে অবস্থার মধ্যে আছে। আকাশে মেঘ দেখলেই বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়। দৈনিক ২৪ ঘন্টার মধ্যে ২-৩ ঘন্টার বেশি বিদ্যুৎ থাকে না। এই ২-৩ ঘন্টার বিদ্যুৎ স্থির হচ্ছেনা। একবার বিদ্যুৎ এসে ২০ মিনিট থাকলেও এ সময়ের মধ্যে অন্তত ২/৩ বার আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকে। দিনের অনেকটা সময় বিদ্যুতের দেখা থাকেনা। দিনে ২-৩ ঘন্টার বিদ্যুৎ পোলেও তা মেলে গভীর রাতে। ঝড়বাদলের রাতে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হলে আর চালু হওয়ার কোনো আশাই থাকে না। সব মিলিয়ে বিদ্যুতের একটানা বেহাল দশায় গ্রাহকরা ক্ষুদ্ধ-বিরক্ত।

গণমাধ্যমকর্মী ইয়াকুব শাহরিয়ার তাঁর ফেইসবুক টাইমলাইলে লিখেছেন, “পল্লীবিদ্যুতের খামখেয়ালিতে অতিষ্ঠ উপজেলাবাসী। সামান্য বাতাস দেখলেই লোডশেডিং”।

নোহান আরেফিন নেওয়াজ লিখেছেন, গাছের পাতা নড়াচড়া শুরু করিবার আগেই বিদ্যুৎ উধাও হইয়া যায়। সেই যে যায় আর আসিবার বিন্দুমাত্রা ইচ্ছাপোষণ করে না। তিনি কতৃপক্ষকে উপহাস করে লিখেন, বিদ্যুৎওয়ালা ভাইদের ধইন্যবাদ, আমরাই বরং দুর্ভোগেই থাকি।

লোসেডিং এর ব্যাপারে সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম সুজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, ৩৩ কেভিতে ফল্ট দেখা দিয়েছে। কাজ চলছে তাই বিদ্যুতের সাময়িক বিপত্তি হচ্ছে। ঠিক হয়ে যাবে।

আগের চেয়ে বিদ্যুৎ সেবা ভালো বলে জানান তিনি।


সিলেটের বার্তা ২৪

প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমান
সম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪