শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

মৌলভীবাজারে ২ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি: টিলা ধ্বসে নিহত ১



মৌলভীবাজারে ২ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি: টিলা ধ্বসে নিহত ১

মৌলভীবাজার জেলার ৭টি উপজেলার প্রায় ৫০ টি ইউনিয়নের দুই লক্ষাধিকের উপরে মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। টানা বৃষ্টিতে টিলা ধ্বসে এপর্যন্ত ১ জন নিহত ও বাবা-মেয়েসহ আহত হয়েছেন ৩জন। অনেকে রয়েছেন ঝুঁকিতে।

বিভিন্ন উপজেলায় খোলা হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্র। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি নদীর পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুই। কয়েকটি নদীতে দেখা দিয়েছে ভাঙ্গন। বিদ্যুৎ নেই বেশী কয়েকটি স্থানে।

জেলা প্রশাসক কার্যালয় জানায়, গত ৩দিনের বৃষ্টিতে জনজীবন অচল হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশী আক্রান্ত হয়েছে বড়লেখা উপজেলা। এপর্যন্ত কয়েকটি উপজেলায় খোলা হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্র। এপর্যন্ত আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে শতাধিক পরিবার আশ্রয় গ্রহন করেছে।

জেলা প্রশাসনের হিসেব অনুযায়ী, বড়লেখা উপজেলায় অতি ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও কুশিয়ারা নদী ও হাকালুকি হাওড় এর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বড়লেখা পৌর এলাকাসহ ১০টি ইউনিয়নের ২০০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বন্যা দূর্গত মানুষের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৬০ হাজার ছাড়িয়েছে।

পাশাপাশি পাহাড় ধ্বসে উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের আয়েশাবাগ চা বাগানে ১ জন নিহত ও সদর ইউনিয়নের কেছরিগুল গ্রামে ১ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিদ্যুৎ এর সাব স্টেশন ইতিমধ্যেই পানিতে নিমজ্জিত হয়ে বিদ্যুৎবিহীন প্রায় গোটা উপজেলা।

কুলাউড়া উপজেলায় অতি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে উপজেলা প্রশাসন। নদ-নদীসহ হাকালুকি হাওড়ের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ৭টি ইউনিয়ন ভূকশিমইল, ভাটেরা, জয়চন্ডী, ব্রাহ্মণবাজার, কাদিপুর, ও কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের বিস্তৃর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

এছাড়া কর্মধা ইউনিয়নের মহিষমারা গ্রামের ফানাই নদীর বাঁধ ভেঙ্গে মহিষমারা, বাবনিয়া, হাশিমপুর, ভাতাইয়া, পুরশাই গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে প্রায় ১০টি গ্রাম। অর্ধ শতাধিক গ্রামের প্রায় ৫হাজার পরিবার পানিবন্দী অবস্থায় নিজ নিজ বাসভবনসহ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছে। গ্রামগুলোর সাথে বিদ্যুৎ সংযোগ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। খোলা হয়েছে ৩৪ টি আশ্রয় কেন্দ্র।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম ফরহাদ চৌধুরী রাত সাড়ে ১২ টায় জানান, ইতিমধ্যে ৭টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৮০টি’র মতো পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। তাদের রাতের খাবার সরবরাহ করা হয়েছে।

জুড়ী উপজেলায় গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ২৮টি গ্রামের প্রায় ১৬ হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছেন। এ সকল গ্রামের অধিকাংশ রাস্তা ঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় জনসাধারণের চলাচলে দূর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।

এ পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ প্রায় ২৪টি পরিবারকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়াও জায়ফরনগর ইউনিয়নের গৌরীপুর ও সাগরনাল ইউনিয়নের কাশিনগর গোয়ালবাড়ি পশ্চিম শিলুয়া গ্রামে জুড়ী নদীর বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। পশ্চিম গোয়ালবাড়িতে টিলা ধ্বসে ও ঘর ধ্বসে কৃষক মরতুজ আলী ও তার মেয়ে সামিয়া আহত হয়েছে। তার ২০ টি গবাদি পশু মারা গেছে। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের সহযোগীতায় বাঁধ মেরামত কাজ শুরু হয়েছে।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে ৬টি ইউনিয়ন খলিলপুর, মনুমুখ, আখাইলকুড়া, কনকপুর, কামালপুর, চাঁদনীঘাট ইউপি (আংশিক) প্লাবিত হয়েছে। বন্যা দুর্গত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৭ হাজার ৫শ জন। শেরপুর এলাকায় কুশিয়ারা নদীর পানি ব্রাক্ষনগ্রামের উপর দিয়ে লোকালয়ে ঢুকে নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে।

রাজনগর উপজেলায় ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলেণ ৪টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এখানে বন্যা দূর্গত মানুষের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার জন।

শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে ৫টি ইউনিয়নের ১২টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এখানে বন্যা দূর্গত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার জন।

কমলগঞ্জ উপজেলায় অতি বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ধলাই নদীর পাড় ভেঙ্গে অত্র উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে।

এদিকে জেলা শহরের অনেক বাসাতেই পানি উঠে গেছে। বাসাতে গ্যাস সরবরাহ না থাকাতে লোকজন পড়েছেন সমস্যায়।

জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান রাতে জানান, সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ্য বড়লেখা উপজেলা। এছাড়াও অন্যান্য উপজেলায় প্রতিনিয়ত বন্যার পানি বাড়ছে। ক্ষতিগ্রস্থদের ত্রান সহয়াতার জন্য প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি বলেন, টিলা বা পাহাড়ে যাহারা বসবাস করছে তাদেরকে সতর্ক করে নিরাপদ আশ্রয়ে যাবার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। সবাইকে এব্যাপারে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নদীর বাঁগুলোকে দ্রুত মেরামতের ও তদারকির নির্দেশ দিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডকে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

সিলেটের বার্তা ২৪

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মৌলভীবাজারে ২ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি: টিলা ধ্বসে নিহত ১

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২২

featured Image

মৌলভীবাজার জেলার ৭টি উপজেলার প্রায় ৫০ টি ইউনিয়নের দুই লক্ষাধিকের উপরে মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। টানা বৃষ্টিতে টিলা ধ্বসে এপর্যন্ত ১ জন নিহত ও বাবা-মেয়েসহ আহত হয়েছেন ৩জন। অনেকে রয়েছেন ঝুঁকিতে।

বিভিন্ন উপজেলায় খোলা হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্র। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি নদীর পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুই। কয়েকটি নদীতে দেখা দিয়েছে ভাঙ্গন। বিদ্যুৎ নেই বেশী কয়েকটি স্থানে।

জেলা প্রশাসক কার্যালয় জানায়, গত ৩দিনের বৃষ্টিতে জনজীবন অচল হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশী আক্রান্ত হয়েছে বড়লেখা উপজেলা। এপর্যন্ত কয়েকটি উপজেলায় খোলা হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্র। এপর্যন্ত আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে শতাধিক পরিবার আশ্রয় গ্রহন করেছে।

জেলা প্রশাসনের হিসেব অনুযায়ী, বড়লেখা উপজেলায় অতি ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও কুশিয়ারা নদী ও হাকালুকি হাওড় এর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বড়লেখা পৌর এলাকাসহ ১০টি ইউনিয়নের ২০০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বন্যা দূর্গত মানুষের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৬০ হাজার ছাড়িয়েছে।

পাশাপাশি পাহাড় ধ্বসে উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের আয়েশাবাগ চা বাগানে ১ জন নিহত ও সদর ইউনিয়নের কেছরিগুল গ্রামে ১ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিদ্যুৎ এর সাব স্টেশন ইতিমধ্যেই পানিতে নিমজ্জিত হয়ে বিদ্যুৎবিহীন প্রায় গোটা উপজেলা।

কুলাউড়া উপজেলায় অতি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে উপজেলা প্রশাসন। নদ-নদীসহ হাকালুকি হাওড়ের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ৭টি ইউনিয়ন ভূকশিমইল, ভাটেরা, জয়চন্ডী, ব্রাহ্মণবাজার, কাদিপুর, ও কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের বিস্তৃর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

এছাড়া কর্মধা ইউনিয়নের মহিষমারা গ্রামের ফানাই নদীর বাঁধ ভেঙ্গে মহিষমারা, বাবনিয়া, হাশিমপুর, ভাতাইয়া, পুরশাই গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে প্রায় ১০টি গ্রাম। অর্ধ শতাধিক গ্রামের প্রায় ৫হাজার পরিবার পানিবন্দী অবস্থায় নিজ নিজ বাসভবনসহ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছে। গ্রামগুলোর সাথে বিদ্যুৎ সংযোগ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। খোলা হয়েছে ৩৪ টি আশ্রয় কেন্দ্র।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম ফরহাদ চৌধুরী রাত সাড়ে ১২ টায় জানান, ইতিমধ্যে ৭টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৮০টি’র মতো পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। তাদের রাতের খাবার সরবরাহ করা হয়েছে।

জুড়ী উপজেলায় গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ২৮টি গ্রামের প্রায় ১৬ হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছেন। এ সকল গ্রামের অধিকাংশ রাস্তা ঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় জনসাধারণের চলাচলে দূর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।

এ পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ প্রায় ২৪টি পরিবারকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়াও জায়ফরনগর ইউনিয়নের গৌরীপুর ও সাগরনাল ইউনিয়নের কাশিনগর গোয়ালবাড়ি পশ্চিম শিলুয়া গ্রামে জুড়ী নদীর বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। পশ্চিম গোয়ালবাড়িতে টিলা ধ্বসে ও ঘর ধ্বসে কৃষক মরতুজ আলী ও তার মেয়ে সামিয়া আহত হয়েছে। তার ২০ টি গবাদি পশু মারা গেছে। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের সহযোগীতায় বাঁধ মেরামত কাজ শুরু হয়েছে।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে ৬টি ইউনিয়ন খলিলপুর, মনুমুখ, আখাইলকুড়া, কনকপুর, কামালপুর, চাঁদনীঘাট ইউপি (আংশিক) প্লাবিত হয়েছে। বন্যা দুর্গত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৭ হাজার ৫শ জন। শেরপুর এলাকায় কুশিয়ারা নদীর পানি ব্রাক্ষনগ্রামের উপর দিয়ে লোকালয়ে ঢুকে নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে।

রাজনগর উপজেলায় ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলেণ ৪টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এখানে বন্যা দূর্গত মানুষের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার জন।

শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে ৫টি ইউনিয়নের ১২টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এখানে বন্যা দূর্গত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার জন।

কমলগঞ্জ উপজেলায় অতি বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ধলাই নদীর পাড় ভেঙ্গে অত্র উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে।

এদিকে জেলা শহরের অনেক বাসাতেই পানি উঠে গেছে। বাসাতে গ্যাস সরবরাহ না থাকাতে লোকজন পড়েছেন সমস্যায়।

জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান রাতে জানান, সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ্য বড়লেখা উপজেলা। এছাড়াও অন্যান্য উপজেলায় প্রতিনিয়ত বন্যার পানি বাড়ছে। ক্ষতিগ্রস্থদের ত্রান সহয়াতার জন্য প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি বলেন, টিলা বা পাহাড়ে যাহারা বসবাস করছে তাদেরকে সতর্ক করে নিরাপদ আশ্রয়ে যাবার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। সবাইকে এব্যাপারে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নদীর বাঁগুলোকে দ্রুত মেরামতের ও তদারকির নির্দেশ দিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডকে।


সিলেটের বার্তা ২৪

প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমান
সম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪