রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

ব্যর্থতায় হারলো বাংলাদেশ



ব্যর্থতায় হারলো বাংলাদেশ
১৬০ রানের লক্ষ্য খেলতে নেমে মাত্র ১০০ রান করে থামে বাংলাদেশ। ৫৯ রানে হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। চার ম্যাচে এটি দ্বিতীয় হার বাংলাদেশের। রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা হয় ধীরগতিতে। শুরুতে উইকেট না পড়লেও রান ওঠেনি স্কোরবোর্ডে। পাওয়ার প্লে থেকে আসে মাত্র ৩০ রান। দুই ওপেনারই বেশি বল খেলে কম রান করেন। এতে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ফারজানা ৪০ বলে ৩০ ও মুর্শিদা ২৫ বলে ২১ রান করেন। জ্যোতি এসে চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু রানরেট বেশি হওয়ায় তিনিও কিছু করতে পারেননি। বাংলাদেশ অধিনায়ক ২৯ বলে ৩৬ রান করেন সর্বোচ্চ। শেষ দিকে বাংলাদেশের উইকেটের মিছিল দেখা যায়। ৯১ থেকে ৯৫ পর্যন্ত ৪ রানে হারায় ৪ উইকেট। এর আগে বোলিংটাও ছিলো এলোমেলো। ম্যাচসেরার পুরষ্কার পান শেফালি। হারের পথে বাংলাদেশ রান তাড়ায় নেমে বাংলাদেশের শুরুটা হয় ধীরগতিতে। ক্রিজে আকড়ে পড়ে ছিলেন দুই ওপেনার। কিন্তু স্কোরবোর্ডে রান জমা হয়নি। মুর্শিদার পর ফিরলেন ফারজানাও। ৪০ বলে ৩০ রান করে দীপ্তির বলে রানার হাতে ক্যাচ তুলে দেন লং অনে। তার পরে ক্রিজে এসেই দীপ্তির সরাসরি থ্রোতে রানআউট হয়ে ফেরেন রুমানা। ১৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৭০ রান। ৩০ বলে প্রয়োজন ৯০ রান। ক্রিজে জ্যোতির সঙ্গী রিতু মনি। ধীরগতির শুরুর পর আউট মুর্শিদা ধীরগতির শুরুর পর সাজঘরে ফিরলেন মুর্শিদা। ক্রিজে থিতু হয়ে যখন তার কাজ ছিল দ্রুত রান তোলা তখনই তিনি আউট হয়ে ফেরেন। রাঙা ঝুলিয়ে দেওয়া বলে মারতে গিয়ে শর্ট কাভারে মান্ধানার হাতে ধরা পড়েন আগের ম্যাচে ফিফটি করা মুর্শিদা। ২৫ বলে ২১ রান করেন তিনি। তার আউটের আগে ৯ ওভারে বাংলাদেশ মাত্র ৪৫ রান করে। ক্রিজে ফারজানার সঙ্গী জ্যোতি। পাওয়ার প্লেতে ধীরগতির বাংলাদেশ রান তাড়া করতে নেমে ধীরগতির শুরু করেছে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার মুর্শিদা-ফারজানার ব্যাট থেকে ৩ ওভারে আসে মাত্র ১১ রান। বাউন্ডারি আসে মাত্র ১টি। এরপর রানের গতি কিছুটা বাড়ে। পাওয়া প্লের বাকি ৩ ওভারে রান আসে ১৯টি। পাওয়ার প্লে শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩০ রান।দেড়শর বেশি রান তাড়া করতে নেমে পাওয়ার প্লেতে এমন শুরু ভোগাতে পারে বাংলাদেশকে। জ্যোতিদের ১৬০ রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লো ভারত ওপেনিং জুটিতেই যা রান তোলার তুলে ফেলে ভারত। স্মৃতি-শেফালির জুটি থেকে রান আসে ৯৬টি। তার মধ্যে পাওয়ার প্লেতে তোলে ৫৯ রান। ওপেনিং জুটি ভাঙার পর ৩৫ রানে ৪ উইকেট হারায় দলটি। সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন শেফালি। ৪৭ রান আসে স্মৃতির ব্যাট থেকে। এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলেন জেমিইমাহ। তিনি ৩৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তারা ৫ উইকেটে ১৫৯ রান করে। বাংলাদেশের হয়ে ৩ উইকেট নেন রুমানা। আগের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করা তৃষ্ণা ২ ওভারে দেন ২৫ রান। এরপর তাকে আর বোলিং দেননি অধিনায়ক।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

সিলেটের বার্তা ২৪

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ব্যর্থতায় হারলো বাংলাদেশ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২২

featured Image
১৬০ রানের লক্ষ্য খেলতে নেমে মাত্র ১০০ রান করে থামে বাংলাদেশ। ৫৯ রানে হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। চার ম্যাচে এটি দ্বিতীয় হার বাংলাদেশের। রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা হয় ধীরগতিতে। শুরুতে উইকেট না পড়লেও রান ওঠেনি স্কোরবোর্ডে। পাওয়ার প্লে থেকে আসে মাত্র ৩০ রান। দুই ওপেনারই বেশি বল খেলে কম রান করেন। এতে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ফারজানা ৪০ বলে ৩০ ও মুর্শিদা ২৫ বলে ২১ রান করেন। জ্যোতি এসে চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু রানরেট বেশি হওয়ায় তিনিও কিছু করতে পারেননি। বাংলাদেশ অধিনায়ক ২৯ বলে ৩৬ রান করেন সর্বোচ্চ। শেষ দিকে বাংলাদেশের উইকেটের মিছিল দেখা যায়। ৯১ থেকে ৯৫ পর্যন্ত ৪ রানে হারায় ৪ উইকেট। এর আগে বোলিংটাও ছিলো এলোমেলো। ম্যাচসেরার পুরষ্কার পান শেফালি। হারের পথে বাংলাদেশ রান তাড়ায় নেমে বাংলাদেশের শুরুটা হয় ধীরগতিতে। ক্রিজে আকড়ে পড়ে ছিলেন দুই ওপেনার। কিন্তু স্কোরবোর্ডে রান জমা হয়নি। মুর্শিদার পর ফিরলেন ফারজানাও। ৪০ বলে ৩০ রান করে দীপ্তির বলে রানার হাতে ক্যাচ তুলে দেন লং অনে। তার পরে ক্রিজে এসেই দীপ্তির সরাসরি থ্রোতে রানআউট হয়ে ফেরেন রুমানা। ১৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৭০ রান। ৩০ বলে প্রয়োজন ৯০ রান। ক্রিজে জ্যোতির সঙ্গী রিতু মনি। ধীরগতির শুরুর পর আউট মুর্শিদা ধীরগতির শুরুর পর সাজঘরে ফিরলেন মুর্শিদা। ক্রিজে থিতু হয়ে যখন তার কাজ ছিল দ্রুত রান তোলা তখনই তিনি আউট হয়ে ফেরেন। রাঙা ঝুলিয়ে দেওয়া বলে মারতে গিয়ে শর্ট কাভারে মান্ধানার হাতে ধরা পড়েন আগের ম্যাচে ফিফটি করা মুর্শিদা। ২৫ বলে ২১ রান করেন তিনি। তার আউটের আগে ৯ ওভারে বাংলাদেশ মাত্র ৪৫ রান করে। ক্রিজে ফারজানার সঙ্গী জ্যোতি। পাওয়ার প্লেতে ধীরগতির বাংলাদেশ রান তাড়া করতে নেমে ধীরগতির শুরু করেছে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার মুর্শিদা-ফারজানার ব্যাট থেকে ৩ ওভারে আসে মাত্র ১১ রান। বাউন্ডারি আসে মাত্র ১টি। এরপর রানের গতি কিছুটা বাড়ে। পাওয়া প্লের বাকি ৩ ওভারে রান আসে ১৯টি। পাওয়ার প্লে শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩০ রান।দেড়শর বেশি রান তাড়া করতে নেমে পাওয়ার প্লেতে এমন শুরু ভোগাতে পারে বাংলাদেশকে। জ্যোতিদের ১৬০ রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লো ভারত ওপেনিং জুটিতেই যা রান তোলার তুলে ফেলে ভারত। স্মৃতি-শেফালির জুটি থেকে রান আসে ৯৬টি। তার মধ্যে পাওয়ার প্লেতে তোলে ৫৯ রান। ওপেনিং জুটি ভাঙার পর ৩৫ রানে ৪ উইকেট হারায় দলটি। সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন শেফালি। ৪৭ রান আসে স্মৃতির ব্যাট থেকে। এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলেন জেমিইমাহ। তিনি ৩৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তারা ৫ উইকেটে ১৫৯ রান করে। বাংলাদেশের হয়ে ৩ উইকেট নেন রুমানা। আগের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করা তৃষ্ণা ২ ওভারে দেন ২৫ রান। এরপর তাকে আর বোলিং দেননি অধিনায়ক।

সিলেটের বার্তা ২৪

প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমান
সম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪