শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আজ লক্ষ্মীপূজা
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২২
দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে বাঙালি সনাতন সম্প্রদায়ের ধনসম্পদের দেবীর পূজা ‘লক্ষ্মীপূজা’।
সনাতন শাস্ত্রমতে লক্ষ্মী ধনসম্পদ, সৌভাগ্য ও সৌন্দর্যের দেবী। লক্ষ্মী বিষ্ণুর পত্নী, বিষ্ণুর শক্তির উৎসও তিনি।
পেঁচা লক্ষ্মীর বাহন। বিষ্ণু রাম ও কৃষ্ণ রূপে অবতার গ্রহণ করলে, সীতা ও রাধা রূপে লক্ষ্মী তাদের সঙ্গিনী হন। দেবী লক্ষ্মী ধনধান্যে ভরিয়ে দিতে কোজাগরী পূর্ণিমা রাতে ভক্তগৃহে আসেন। শারদীয় দুর্গোৎসব শেষে প্রথম পূর্ণিমা তিথিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এই পূজা করে থাকেন।
লক্ষ্মীকে নিয়ে বাংলার জনসমাজে বিভিন্ন জনপ্রিয় গল্প প্রচলিত রয়েছে। এই গল্পগুলো পাঁচালীর আকারে লক্ষ্মীপূজার দিন পাঠ করা হয়। একে লক্ষ্মীর পাঁচালী বলা হয়।
লক্ষ্মীপূজার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হচ্ছে সিঁদুর, ঘট, ধান, মাটি, আম্রপল্লব, ফুল, দুর্বা, তুলসীপাতা, হরীতকী, চন্দন, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য, আতপচাল ও জল।
লক্ষ্মীপূজায় মঙ্গলঘট, ধানের ছড়ার সঙ্গে গৃহস্থের আঙিনায় শোভা পায় চালের গুঁড়োর আলপনায় লক্ষ্মীর ছাপ। এই উপলক্ষে রমণীরা উপবাসব্রত পালন করেন। লক্ষ্মী পূজায় রাত্রি জাগরণ করা হয়। কোজাগরী মানে ‘কে জাগরী’ বা ‘কে জেগে আছো’।
শাস্ত্রমতে, এ রাতে লক্ষ্মী সবার বাড়িতে যান। যে গৃহের দরজা বন্ধ থাকে ও গৃহস্থরা ঘুমিয়ে থাকেন, সেখান থেকে লক্ষ্মী ফিরে আসেন। এ কারণে এই লক্ষ্মী পূজাকে কোজাগরী বলা হয় এবং রাত্রি জাগরণের নিয়ম রয়েছে। গৃহস্থরা প্রতি বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীর পূজা করেন।
সূত্র : বাসস
প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমানসম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪
মতামত