হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে নানা অভিযোগ ও দুর্নীতির মাস্টার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহমুদুল হকের অনিয়ম দুর্নীতির তদন্ত বৈঠকে দুই শিক্ষক গ্রুপের মাঝে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
পরিস্থিতিে সংঘর্ষের আসঙ্খাজনক-বস্থায় গড়িয়ে গেলে ইউএনও'র নিরাপত্তা কর্মীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত আনা হয়।

জানাযায়, আজমিরীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহমুদুল হক দ্রুত সময়ে মাসিক টাকা প্রদান করবে বলে ১৩০ টাকা করে দিতে প্রাথমিক শিক্ষকদের বাধ্য করেন। এমনকি স্থানীয় কয়েকটি স্কুলের শিক্ষকদেরকে দিয়ে ক্লাসের পাঠ্যক্রম বন্ধ রেখে তার অফিসে দিনানিপাত করতে বাধ্য করেন যার ধরুন শিক্ষার্থীরা ক্লাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এতেই ক্লান্ত হন নি মাহমুদুল। শিক্ষকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নামে উৎকোচ গ্রহণ করে যোগ্যদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করাসহ ব্যাংক ঋণের জন্য স্বাক্ষর নিতে আসা শিক্ষকদের নানাভাবে শোকজ করে সে।
এদিকে উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষকেরা এমন মানসিক ও আর্থিক নির্যাতন থেকে স্বস্তি পেতে এবং মাহমুদুল হকের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এপ্রিলের ২১ তারিখ ১০২ শিক্ষকের স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় প্রাথমিক শিক্ষা সচিব বরাবর।
এরই ধারাবাহিকতায় ৩রা নভেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অদিদপ্তর কর্তৃক তদন্তের দিন ধার্য্য করা হয় এবং আজমিরীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জেলা প্রাথমিক শিক্ষাকর্মকর্তার উপস্থিতি সকাল ১১ টায় তদন্ত কমিটি বসে।
এদিকে কমিটি চলাকালীন সময়ে একপর্যায়ে দুর্নীতিতে আসক্ত মাহমুদুল হকের সাপোর্ট করা শিক্ষক এবং অভিযোগকারী শিক্ষকদের মাঝে বাকবিতণ্ডাসহ হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি প্রতিকুলে যাওয়ার সম্ভাবনা উদ্ধত হলে ঘটনাস্থলে এসে হাজির হন উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইসচেয়ারম্যান, ইউএনও সহ তাঁর নিরাপত্তা বাহিনী। পরে নিরাপত্তা বাহিনীর সার্বক্ষণিক প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা সালেহা সুমি জানান, আমাদের নানা জানিয়ে মিটিং বসে এবং এমন ন্যাক্কারজনক পরিবেশ তৈরী করায় পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মতামত