হেরা গুহা থেকে বিশ্ব মানবতার পথের দিশারী, ঐশীগ্রন্থ আল কুরআন নাজিলের শুভ সূচনা হলো।কুরআনকে বক্ষে ধারণ করে যুগযুগ ধরে বেশুমার লোক এর হাফেজ হচ্ছেন। কুরআন নাজিলের মাস রমজানে এর চর্চা যেনো বাকি ১১মাসের তুলনায় বেড়ে যায় দ্বীগুন। মসজিদে মসজিদে তারাবির নামাজের মাধ্যমে খতমে কুরআনের চর্চা মুসলিম উম্মাহকে কুরআনপ্রমী হতে উৎসাহিত করে।
এই রমজানে সিলেটের বার্তা যারা সালাতুত তারাবির নামাজে ইমামতি করছেন, তাদের সাথে কথা বলে আমাদের এই প্রতিবেদক তাদের অনুভূতির কথা শেয়ার করছেন পাঠকদের সাথে।
হাফেজ মাওলানা ত্বাহা হোসাইন সুনামগঞ্জের প্রবীণ আলেম শায়খ মাওলানা আব্দুল বছীর এর ছেলে। শ্যামলী ১২৫/৩ দক্ষিণ বড়পাড়া, সুনামগঞ্জ এর বাসিন্দা হাফেজ ত্বাহা ২০০৪/-০৫ সালে কুরআনের হিফজ সম্পন্ন করেন। সেই থেকেই রমজানে তারাবির নামাজের ইমামতি শুরু তাঁর।
তিনি বড়পাড়া নদীর পাড় জামে মসজিদে ২০০৪ থেকে ২০০৭ ইংরেজি পর্যন্ত তারাবির নামাজের ইমামতি করেন। পরে ২০০৮ থেকে ২০১০ পর্যন্ত দক্ষিণ বড়পাড়া জামে মসজিদে, ২০১১ সালে বিয়ানীবাজার আঙ্গুরা মোহাম্মদপুর পূর্বপাড় জামে মসজিদে, ২০১২ সালে দাওয়াত ও তাবলীগের মেহনতে রমজান মাসে তিনি দাওয়াতে তাবলীগের কাজে চিল্লায় ছিলেন। ২০১৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বড়পাড়া নদীর পাড় জামে মসজিদে তারাবির নামাজে পড়ান তিনি। এ বছর তিনি নিজ এলাকা দক্ষিণ বড়পাড়া জামে মসজিদে তারাবির নামাজে ইমামতি করছেন।
অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে হাফেজ মাওলানা ত্বাহা হেসাইন বলেন, তারাবির নামাজ পড়ানোর অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এটা আল্লাহ তায়ালার দেয়া এক অফুরন্ত নেয়ামত। আমি প্রতিনিয়ত মুসল্লিদের ভালোবাসায় সিক্ত হই যা কুরআনের প্রতি মানুষের অগাধ ভালোবাসা বলে আমি মনে করি।
মতামত