বাবা হাফিজ আনওয়ারুল হক'র মাদরাসা বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাই দেউলগ্রাম ফুরকানিয়া হাফিজিয়া মাদরাসা থেকে হাফেজ মুহাম্মদ উল্লাহ সাদীর ইলমে ওহীর জ্ঞানার্জনের সূচনা।
সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার ২নং চারখাই ইউনিয়নের দেউলগ্রামের বাসিন্দা হাফিজ আনওয়ারুল হকের ছোট ছেলে তিনি। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট মুহাম্মদ উল্লাহ সাদী ২০২২ সালে মহাগ্রন্থ আল কুরআনকে বক্ষে ধারণ করে হাফিজে কুরআন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।
এবছর তিনি সুনমাগঞ্জ জেলার ছাতক পৌরসভার মোঘলপাড়া জামে মসজিদে তারাবির নামাজে ইমামতি করছেন। এটা তার চতুর্থবারের সালাতুত তারাবির ইমামতির দায়িত্ব।
কুরআন নাজিলের এই মাসে নতুন শতাব্দীর দৈনিক শ্যামল সিলেট এবার 'সালাতুত তারাবির' নামাজে ইমামতির দায়িত্ব পালনকারী হাফেজে কুরআনদের অনুভূতির কথা পাঠকদের সামনে তুলে ধরতে এই 'আলোর পরশমণি'র আয়োজন করেছে।
আজকের প্রতিবেদনটি হাফেজ মুহাম্মদ উল্লাহ সাদীকে নিয়ে। তিনি ২নং চারখাই ইউনিয়নের ইউনিয়নের জাতীয় পর্যায়ে স্বর্ণপদক প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান
'মাদরাসাতুত তাহফিজ ইন্টাঃ বাংলাদেশে' হিফজের যাত্রা শুরু করেন। ২০২২ সালে তাকমিল ফিল হিফজ সম্পন্ন করে বাংলাদেশ কওমী মাদরাসা বোর্ড বেফাক, আযাদ দ্বীনী এদারা, হুফফাজ। এ তিন বোর্ডে পরীক্ষা দিয়ে 'এ প্লাস' পেয়ে উত্তীণ হন।
২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সিলেটের আলোড়ন সৃষ্টিকারী প্রতিষ্ঠান 'জামেয়া ইসলামিয়া ফরিদাবাদ সিলেটে' কিতাব বিভাগে অধ্যায়ণরত আছেন। হাফেজ মুহাম্মদ উল্লাহ সাদী নিজ গ্রামের মসজিদসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদে পবিত্র রমজান মাসে তারাবির ইমামমতি করেন। বর্তমানে সুনমাগঞ্জ জেলার ছাতক পৌরসভার মোঘলপাড়া জামে মসজিদে চতুর্থবারের মত তারাবির ইমামতি করছেন।
ইমামতির অনুভূতি বলতে গিয়ে হাফেজ মুহাম্মদ উল্লাহ সাদী সিলেটের বার্তাকে বলেন, মহান রবের শুকরিয়া আদায়ের পাশাপাশি আমার মাতাপিতা, উস্তাদদের শুকরিয়া আদায় করছি যাদের মেহনত ও দুয়ার বদৌলতে আমি হাফিজে কুরআন হয়েছি। তারাবির নামাজে ইমামতির দ্বারা আমি মুসল্লিদের যে ভালোবাসায় পেয়েছি তা ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়। আমার দিলের একটাই চাওয়া আল্লাহ তায়ালা যেনো আমাকে আমৃত্যু কুরআনের খাদিম হিসাবে নিয়োজিত রাখেন।
মতামত