শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

আফ্রিকার উপকূলে ৬০ হাজার পেঙ্গুইনের মৃত্যু



আফ্রিকার উপকূলে ৬০ হাজার পেঙ্গুইনের মৃত্যু

দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলবর্তী দ্বীপগুলোর কলোনিতে সার্ডিন মাছের দ্রুত হ্রাসের কারণে অনাহারে মারা গেছে ৬০ হাজারের বেশি আফ্রিকান পেঙ্গুইন। সম্প্রতি অস্ট্রিচ : জার্নাল অব আফ্রিকান অরিন্থোলোজি-এর নতুন এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।

প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০০৪ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ডাসেন আইল্যান্ড ও রবন আইল্যান্ড—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ প্রজনন কলোনিতে ৯৫ শতাংশ আফ্রিকান পেঙ্গুইন বিলুপ্ত হয়ে গেছে। গবেষকদের ধারণা, বছরে একবার পালক বদলের সময় দীর্ঘ উপবাসের কারণে তারা খাবারের অভাবে মারা গেছে।

গবেষণা সহ-লেখক এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. রিচার্ড শার্লি বলেন, এই পতন শুধু এক-দুটি স্থানে নয়, পুরো অঞ্চলে একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। গত ৩০ বছরে আফ্রিকান পেঙ্গুইনের সংখ্যা প্রায় ৮০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

২০০৪ সালের পর থেকে মাত্র তিন বছর বাদে প্রতি বছরে দক্ষিণ আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলে সার্ডিন প্রজাতির প্রাচুর্য সর্বোচ্চ মাত্রার মাত্র ২৫ শতাংশে নেমে এসেছে। সমুদ্রের তাপমাত্রা ও লবণাক্ততার পরিবর্তনে সার্ডিনের ডিম ছাড়ার সাফল্য কমেছে,অতিরিক্ত মাছ ধরা অব্যাহত রয়েছে। ফলে খাদ্য সংকট দেখা দেওয়ায় এমন পরিস্থিতি হয়েছে। সার্ডিন পেঙ্গুইনের প্রধান খাদ্য হওয়ায় তাদের অনাহার বেড়েছে।

পেঙ্গুইন বছরে ২১ দিনের মতো সময় ভূমিতে অবস্থান করে পুরনো পালক ঝরিয়ে নতুন পালক নিয়ে পানিতে নামে। এ সময়ে তারা খেতে পারে না। তাই আগে থেকে শরীরে যথেষ্ট চর্বি জমাতে না পারলে উপবাস অবস্থায় বেঁচে থাকা সম্ভব হয় না।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

সিলেটের বার্তা ২৪

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আফ্রিকার উপকূলে ৬০ হাজার পেঙ্গুইনের মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলবর্তী দ্বীপগুলোর কলোনিতে সার্ডিন মাছের দ্রুত হ্রাসের কারণে অনাহারে মারা গেছে ৬০ হাজারের বেশি আফ্রিকান পেঙ্গুইন। সম্প্রতি অস্ট্রিচ : জার্নাল অব আফ্রিকান অরিন্থোলোজি-এর নতুন এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।

প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০০৪ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ডাসেন আইল্যান্ড ও রবন আইল্যান্ড—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ প্রজনন কলোনিতে ৯৫ শতাংশ আফ্রিকান পেঙ্গুইন বিলুপ্ত হয়ে গেছে। গবেষকদের ধারণা, বছরে একবার পালক বদলের সময় দীর্ঘ উপবাসের কারণে তারা খাবারের অভাবে মারা গেছে।

গবেষণা সহ-লেখক এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. রিচার্ড শার্লি বলেন, এই পতন শুধু এক-দুটি স্থানে নয়, পুরো অঞ্চলে একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। গত ৩০ বছরে আফ্রিকান পেঙ্গুইনের সংখ্যা প্রায় ৮০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

২০০৪ সালের পর থেকে মাত্র তিন বছর বাদে প্রতি বছরে দক্ষিণ আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলে সার্ডিন প্রজাতির প্রাচুর্য সর্বোচ্চ মাত্রার মাত্র ২৫ শতাংশে নেমে এসেছে। সমুদ্রের তাপমাত্রা ও লবণাক্ততার পরিবর্তনে সার্ডিনের ডিম ছাড়ার সাফল্য কমেছে,অতিরিক্ত মাছ ধরা অব্যাহত রয়েছে। ফলে খাদ্য সংকট দেখা দেওয়ায় এমন পরিস্থিতি হয়েছে। সার্ডিন পেঙ্গুইনের প্রধান খাদ্য হওয়ায় তাদের অনাহার বেড়েছে।

পেঙ্গুইন বছরে ২১ দিনের মতো সময় ভূমিতে অবস্থান করে পুরনো পালক ঝরিয়ে নতুন পালক নিয়ে পানিতে নামে। এ সময়ে তারা খেতে পারে না। তাই আগে থেকে শরীরে যথেষ্ট চর্বি জমাতে না পারলে উপবাস অবস্থায় বেঁচে থাকা সম্ভব হয় না।


সিলেটের বার্তা ২৪

প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমান
সম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪