বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

আরিফুল হকের ভেলকিবাজি, নাকি সিলেটের রেল উন্নয়নে নীরবতা?



আরিফুল হকের ভেলকিবাজি, নাকি সিলেটের রেল উন্নয়নে নীরবতা?

সিলেটের রেলপথের বেহাল দশা থেকে মুক্তি, রেলসেবার মানোন্নয়ন এবং ঢাকা–সিলেট রুটে অনুমোদিত ৮১৯/৮২০ নম্বরের টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস চালুর দাবিতে ২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর বৃহত্তর সিলেটবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন তাঁরা। তখন সিলেটের উন্নয়ন, রেলপথের সংস্কার ও নতুন ট্রেন চালুর দাবিতে তাঁদের সরব ভূমিকা দেখা গিয়েছিল।


কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেই আন্দোলনের আওয়াজ যেন অনেকটাই স্তিমিত। ছবিতে থাকা দুজনের একজন বর্তমান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, অন্যজন সিলেট সিটি করপোরেশনের বর্তমান প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।


প্রশ্ন হচ্ছে, সিলেটের রেলপথের দুরবস্থা কি কেটে গেছে? ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হওয়ার ঘটনা কি বন্ধ হয়েছে? যাত্রীসেবার মান কি বেড়েছে? ঢাকা–সিলেট রুটে টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস চালুর দাবি কি বাস্তবায়িত হয়েছে?


বাস্তবতা হলো, সিলেটের রেলপথের উন্নয়ন নিয়ে জনমনে অসন্তোষ এখনো রয়েছে। নিম্নমানের ইঞ্জিন, যাত্রাপথে ইঞ্জিন বিকল হওয়া এবং রেলসেবার নানা সীমাবদ্ধতা নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন ট্রেন চালু ও রেলসেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ দেখা গেলেও সিলেটের প্রত্যাশিত উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।


জাতীয় সংসদে বিভিন্ন এলাকার সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ অঞ্চলের রেল যোগাযোগ ও উন্নয়ন নিয়ে কথা বলছেন—এমন পরিস্থিতিতে সিলেটের স্বার্থে দায়িত্বশীলদের অবস্থান কী, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বিশেষ করে রেলপথের উন্নয়ন ও টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস চালুর বিষয়ে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সুস্পষ্ট বক্তব্য ও উদ্যোগ কোথায়?


একসময় যাঁরা সিলেটের উন্নয়নের দাবিতে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন, দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে এখন তাঁদের ভূমিকা কী—সিলেটবাসী তা জানতে চায়।


সিলেটবাসীর প্রশ্ন, আন্দোলনের সময়কার প্রতিশ্রুতি কি কেবল রাজপথের বক্তব্য ছিল, নাকি বাস্তবায়নেরও কোনো পরিকল্পনা রয়েছে?


সিলেটের মানুষ আশ্বাস নয়, দৃশ্যমান উন্নয়ন চায়। রেলপথের আধুনিকায়ন, উন্নত ইঞ্জিন, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ট্রেন চলাচল এবং টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস চালুর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের স্পষ্ট অবস্থান ও কার্যকর পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।

সিলেটের বার্তা ২৪

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


আরিফুল হকের ভেলকিবাজি, নাকি সিলেটের রেল উন্নয়নে নীরবতা?

প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

সিলেটের রেলপথের বেহাল দশা থেকে মুক্তি, রেলসেবার মানোন্নয়ন এবং ঢাকা–সিলেট রুটে অনুমোদিত ৮১৯/৮২০ নম্বরের টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস চালুর দাবিতে ২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর বৃহত্তর সিলেটবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন তাঁরা। তখন সিলেটের উন্নয়ন, রেলপথের সংস্কার ও নতুন ট্রেন চালুর দাবিতে তাঁদের সরব ভূমিকা দেখা গিয়েছিল।


কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেই আন্দোলনের আওয়াজ যেন অনেকটাই স্তিমিত। ছবিতে থাকা দুজনের একজন বর্তমান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, অন্যজন সিলেট সিটি করপোরেশনের বর্তমান প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।


প্রশ্ন হচ্ছে, সিলেটের রেলপথের দুরবস্থা কি কেটে গেছে? ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হওয়ার ঘটনা কি বন্ধ হয়েছে? যাত্রীসেবার মান কি বেড়েছে? ঢাকা–সিলেট রুটে টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস চালুর দাবি কি বাস্তবায়িত হয়েছে?


বাস্তবতা হলো, সিলেটের রেলপথের উন্নয়ন নিয়ে জনমনে অসন্তোষ এখনো রয়েছে। নিম্নমানের ইঞ্জিন, যাত্রাপথে ইঞ্জিন বিকল হওয়া এবং রেলসেবার নানা সীমাবদ্ধতা নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন ট্রেন চালু ও রেলসেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ দেখা গেলেও সিলেটের প্রত্যাশিত উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।


জাতীয় সংসদে বিভিন্ন এলাকার সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ অঞ্চলের রেল যোগাযোগ ও উন্নয়ন নিয়ে কথা বলছেন—এমন পরিস্থিতিতে সিলেটের স্বার্থে দায়িত্বশীলদের অবস্থান কী, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বিশেষ করে রেলপথের উন্নয়ন ও টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস চালুর বিষয়ে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সুস্পষ্ট বক্তব্য ও উদ্যোগ কোথায়?


একসময় যাঁরা সিলেটের উন্নয়নের দাবিতে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন, দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে এখন তাঁদের ভূমিকা কী—সিলেটবাসী তা জানতে চায়।


সিলেটবাসীর প্রশ্ন, আন্দোলনের সময়কার প্রতিশ্রুতি কি কেবল রাজপথের বক্তব্য ছিল, নাকি বাস্তবায়নেরও কোনো পরিকল্পনা রয়েছে?


সিলেটের মানুষ আশ্বাস নয়, দৃশ্যমান উন্নয়ন চায়। রেলপথের আধুনিকায়ন, উন্নত ইঞ্জিন, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ট্রেন চলাচল এবং টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস চালুর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের স্পষ্ট অবস্থান ও কার্যকর পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।


সিলেটের বার্তা ২৪

প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমান
সম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪
আরিফুল হকের ভেলকিবাজি, নাকি সিলেটের রেল উন্নয়নে নীরবতা?
0:00 0:00
1.0x