বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

১০টি এয়ারবাস কিনছে বাংলাদেশ, চুক্তি সই

দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার পর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর বাড়াতে ১০টি এয়ারবাস বিমান কেনার চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।বুধবার (৭ অক্টোবার) রাতে রাজধানীর র‍্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনের উৎসব হলে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও এয়ারবাসের প্রতিনিধিরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার সোহেল আহমেদ, বিমানের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসাইন, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিক এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আসিক চৌধুরী।এ ছাড়া বক্তব্য দেন এয়ারবাস ইন্ডিয়া অ্যান্ড সাউথ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়ুর্গেন ওয়েস্টারমায়ার, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, জার্মানির রাষ্ট্রদূত রুদিগার লটস, ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যাঁ-মার্ক সের শার্লে, স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিস্তিগা ওচোয়া চিনচেত্রু এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।বক্তারা বলেন, এয়ারবাস কেনার এ চুক্তি বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতের উন্নয়নে সহায়তা করবে। এটি বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখবে। একই সঙ্গে বিমানের সক্ষমতা ও কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।বক্তারা আরও বলেন, নতুন এয়ারবাস বিমানের বহরে যুক্ত হলে বিমানবন্দরের পরিবেশ ও সেবার মান উন্নত হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের পাশে আছে এবং ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের বন্ধু হিসেবে থাকবে। এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সম্পর্কের নতুন দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকার, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও এয়ারবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স মনে করছে, এ চুক্তি বিমানের বহর সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতের ভবিষ্যৎ রূপকল্প বাস্তবায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে।

১০টি এয়ারবাস কিনছে বাংলাদেশ, চুক্তি সই