সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার আপিল শুনানি ৮ ডিসেম্বর

বহুল আলোচিত দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি আগামী ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।সোমবার (১৯ অক্টোবর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক শুনানির এ দিন ধার্য করেন।২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিশ্বজিৎ হত্যা মামলায় আট আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবিএম নিজামুল হক।পরে ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ে আট মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির মধ্যে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। বাকি ছয় আসামির মধ্যে চারজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং অপর দুজনকে খালাস দেওয়া হয়। বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর স্বাক্ষরের পর ৮০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আট আসামি হলেন—রফিকুল ইসলাম শাকিল, মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন, সাইফুল ইসলাম, কাইয়ুম মিঞা টিপু, রাজন তালুকদার ও মীর মো. নূরে আলম লিমন।যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ১৩ আসামি হলেন—এএইচএম কিবরিয়া, ইউনুস আলী, তারিক বিন জোহর তমাল, গোলাম মোস্তফা, আলাউদ্দিন, ওবায়দুর কাদের তাহসিন, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল-আমিন, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, মোশাররফ হোসেন ও কামরুল হাসান। তাঁদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়।নিম্ন আদালতের রায়ের এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামিরা। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ১৩ আসামির মধ্যে দুজন আপিল করে খালাস পান। বাকি ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল থাকে।২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর ১৮-দলীয় জোটের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে বিশ্বজিৎ দাসকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।এ ঘটনায় ২০১৩ সালের ৫ মার্চ ছাত্রলীগের ২১ কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মামলার আসামিদের মধ্যে আটজন কারাগারে এবং বাকিরা পলাতক রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজারে বিশ্বজিৎ দাসের একটি দর্জির দোকান ছিল। তাঁর গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরে।

বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার আপিল শুনানি ৮ ডিসেম্বর