শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

আর্কাইভ দেখুন

হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে আসামীর মৃত্যু

হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে আসামীর মৃত্যু

হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে এনামুল হাসান (৩৫) নামে মাদক মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।কারাগার কর্তৃপক্ষের দাবি, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে নিহতের স্বজনদের দাবি, এনামুলের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহত এনামুল হাসান চুনারুঘাট উপজেলার আমতলী এলাকার মৃত আব্দুর রফিকের ছেলে। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন।নিহতের ভাই মো. কামরুল হাসান জানান, প্রায় তিন মাস আগে গাঁজাসহ আটক হওয়ার পর এনামুলকে কারাগারে পাঠানো হয়। তাকে ফাঁসানো হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, গত মঙ্গলবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এনামুল। তখন তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন। বৃহস্পতিবার আদালতে তার জামিনের আবেদন করার কথা ছিল। কামরুল হাসান বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে কারাগার থেকে ফোন করে এনামুলের মৃত্যুর খবর জানানো হয়। পরে মরদেহ দেখতে গিয়ে তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান বলে দাবি করেন তিনি।এ বিষয়ে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার বিলাল উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৫-অক্টোবর)২০২৬ ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এনামুল হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরে তাকে কারাগারের হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


রাশমিকা দত্তক নিলেন ৪০০ পরিবারকে

রাশমিকা দত্তক নিলেন ৪০০ পরিবারকে

রূপালি পর্দার গ্ল্যামারের বাইরে গিয়ে মানবতার এক সুন্দর উদাহরণ রাখলেন দক্ষিণী অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। মানবকল্যাণে ‘প্রজেক্ট অন্নপূর্ণা’ নামের একটি নতুন উদ্যোগ শুরু করেছেন তিনি।এর মাধ্যমে দক্ষিণ ভারতের আটটি অঞ্চলের মোট ৪০০টি দরিদ্র পরিবারকে আগামী এক বছর ধরে খাবার ও মুদি বাজার সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এ অভিনেত্রী।আসন্ন পিরিয়ড ড্রামা সিনেমা ‘রণবালী’তে রাশমিকাকে দেখা যাবে ‘জয়আম্মা’ নামের একটি শক্তিশালী চরিত্রে, যা মূলত ১৮৭৬-৭৮ সালের ঐতিহাসিক মাদ্রাজ দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে নির্মিত।পর্দার এ চরিত্রটিই বাস্তব জীবনে তাকে সমাজের পিছিয়ে থাকা মানুষের পাশে দাঁড়াতে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।ভিডিও বার্তায় রাশমিকা বলেছেন, ‘আমি আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ৪০০ পরিবারকে দত্তক নিয়েছি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতি ধাপে ৪০০ পরিবারকে টানা ৩ মাস করে মুদি বাজার বা রেশন সহায়তা দেওয়া হবে এবং এ ধারাবাহিকতা আগামী এক বছর ধরে চলবে। এর ফলে ওই পরিবারগুলোর দৈনন্দিন খাবারের খরচ বেঁচে যাবে এবং সেই জমানো টাকা তারা ভবিষ্যতের সঞ্চয় ও কল্যাণে কাজে লাগাতে পারবে।’এ মুদি প্যাকেটে রয়েছে ৭৫ কেজি চাল, ১০ কেজি আটা, ১০ লিটার রান্নার তেল এবং ডাল, রাগি, সয়া চাঙ্কস, মসলা ও চা-পাতা। হায়দ্রাবাদ, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, কোচি, অনন্তপুর, কোডাঘু এবং বিজয়ওয়াড়ার মতো দক্ষিণ ভারতের আটটি প্রধান অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে এ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।এতদিন নিজের দাতব্য কাজগুলো প্রচারের আলোর বাইরে রাখতেন রাশমিকা। কিন্তু এবার তা প্রকাশ্যে আনার কারণ হিসেবে তিনি জানান, ‘যদি আমার এ ছোট প্রচেষ্টা দেখে আপনাদের কেউ অনুপ্রাণিত হন এবং অন্যের উপকারে এগিয়ে আসেন, তবেই আমার এ উদ্যোগ সার্থক হবে। দয়ার একটি ছোট কাজও কারও জীবন বদলে দিতে পারে।’


মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের ঘোষণা

মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের ঘোষণা

দীর্ঘ আলোচনা ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পর মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এতে জানানো হয়, স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে একমাত্র সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বোয়েসেল (BOESL), ২৫টি প্রসেসিং এজেন্সি এবং ৩১২টি রিক্রুটিং এজেন্সি। এ ছাড়া বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধে ১০ হাজার কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে (জিরো কস্ট) মালয়েশিয়ায় প্রেরণের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মালয়েশিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মী ভাই-বোনদের জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আগ্রহী কর্মীরা তালিকাভুক্ত ও অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন এবং অনুমোদিত মেডিক্যাল সেন্টার থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারবেন।এ ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট মেডিক্যাল সেন্টারকে এককভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হবে না। আমরা চাই, কর্মীরা যেন সহজে, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এবং কোনো ধরনের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সুযোগ পান।এই গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জনে দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মন্ত্রণালয় বলেছে, একইসঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী, মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাদের সহযোগিতা ও ইতিবাচক মনোভাবের জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এখন সবার দায়িত্ব সরকার, রিক্রুটিং এজেন্সি এবং কর্মী—একসঙ্গে এই সুযোগকে সফল করা এবং মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি, সুশৃঙ্খল ও টেকসই শ্রমবাজার গড়ে তোলা।


পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও বাস্তবায়নবিষয়ক সভায় প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানপ্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান পরিবেশ ও বন রক্ষায় জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তাদের নির্ধারিত দায়িত্বের বাইরেও উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দেশের পরিবেশ রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার কথাও বলেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও বাস্তবায়নবিষয়ক সভায় প্রধান মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের মাদার ট্রি চিহ্নিত করে সেগুলো সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে গাছ লাগানোর পাশাপাশি নিয়মিত পরিচর্যা নিশ্চিত করা, রোপণ করা চারা বেঁচে আছে কি না, তা নিজস্ব লোক পাঠিয়ে পর্যবেক্ষণ করা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বনায়ন বাড়ানোর উপায় বের করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।প্রধান মন্ত্রী বলেন, মানুষের প্রকৃতির মাঝে যাওয়ার জায়গা কম। এ ধরনের জায়গা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি ছাদবাগান, স্কুলবাগানসহ বিভিন্ন ভবনে বাগান তৈরিতে মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে।সরকার প্রধান বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে। মানুষ যত বেশি সচেতন হবে, কাজ তত সহজ হবে।পরিবেশ ও বন রক্ষায় গৃহীত সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের পৃথক পরিকল্পনা রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধান মন্ত্রী বলেন, অনেক বছর ধরে ঢাকা বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় প্রথম বা দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসছে। এটি দেশের জন্য লজ্জার বিষয়। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব নিতে হবে।মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধান মন্ত্রী বলেন, ‘আপনি আপনার যেটা ডিউটি, তার থেকে আপনি কিন্তু একটু বেশি করার সক্ষমতা আপনার রয়েছে।’ তিনি বলেন, দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ সবার কাছে আসে না। যাঁরা আজ দায়িত্বশীল অবস্থানে রয়েছেন, তাঁদের সেই সুযোগ রয়েছে। শুধু নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করেই থেমে গেলে হবে না। দেশের মানুষের জন্য আরও কিছু করার চেষ্টা থাকতে হবে।প্রধান মন্ত্রী বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা আমাদের একটা সুযোগ দিয়েছেন এই দেশের জন্য, এই দেশের মানুষের জন্য কিছুটা করার। আপনি নয়টা-পাঁচটা অফিস করতেই পারেন। এরপরে যদি আপনি কিছু না করেন, কেউ কিছু বলবে না। কিন্তু পরিবেশটা যদি খারাপ হয়ে যায়, ভবিষৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ, আপনার পরবর্তী প্রজন্ম তো দেশেই থাকবে।’তিনি বলেন, দেশের পরিবেশ ভালো রাখতে হলে সবাইকে দায়িত্বের বাইরে গিয়ে কিছুটা বেশি কাজ করতে হবে। পরিবর্তন চাইলে নিজের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।প্রধান মন্ত্রী ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে বলেন, ঠিকভাবে কাজ করতে পারলে এর সুফল দেশের সব মানুষ পাবে। সবাই এগিয়ে এলে দেশের মানুষের জন্য সম্মিলিতভাবে ভালো কিছু করা সম্ভব হবে।বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়, অন্য মন্ত্রণালয়গুলো নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম গাছ লাগালে সেই ঘাটতি পূরণে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে রোপণ করা গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।সভায় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধান মন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ, ভারপ্রাপ্ত সচিব ফাহমিদা খানমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


২৪ ঘণ্টায় এসএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ২৯, ১৩৫ যানবাহনে আইনি ব্যবস্থা

২৪ ঘণ্টায় এসএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ২৯, ১৩৫ যানবাহনে আইনি ব্যবস্থা

সিলেট নগরীতে গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালনা করা অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সিলেট মহানগর পুলিশ (এসএমপি)। একই মেয়াদে ট্রাফিক বিভাগ আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১৩৫টি যানবাহনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত ১২টা পর্যন্ত বিগত ২৪ ঘণ্টায় নগরীর বিভিন্ন থানা ও ফাঁড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে পরোয়ানাভুক্ত আসামি, নিয়মিত মামলার আসামি, সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী ও পুলিশি সনদে সন্দেহভাজন ব্যক্তিবর্গ রয়েছেন। নিয়মিত টহল ও তল্লাশির সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় পণ্য উদ্ধার করে, যার মধ্যে রয়েছে ১০টি কম্বল, ১৫টি শাড়ি এবং আনুমানিক ২ লাখ ৩ হাজার ৬৪০ টাকা মূল্যের অন্যান্য সামগ্রী।একই সাথে ট্রাফিক বিভাগের অভিযানে নগরীতে সড়ক পরিবহন আইন অমান্য করায় ৬৩টি মামলা দায়ের করা হয় এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অন্যান্য ত্রুটির কারণে ৭২টি যানবাহন আটক করা হয়।এসএমপি মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আদালতে হস্তান্তর করা হচ্ছে। নগরীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশি এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


হবিগঞ্জের তোফাজ্জুল হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

হবিগঞ্জের তোফাজ্জুল হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে তোফাজ্জুল মিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শতাধিক মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উপজেলার পাড়াগাঁও ৭ মহল্লাবাসীর জলমহাল লিজ নেন একই গ্রামের ঠাকুরানদিঘী পূর্বপাড়ের শাহিন মিয়া। গত ১৭ সেপ্টেম্বর ওই জলমহালে মাছ ধরতে গেলে একই গ্রামের জিতু মিয়া ও তার লোকজনের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ সময় শাহিন মিয়ার ভাই তোফাজ্জুল মিয়াকে একা পেয়ে জিতু মিয়া ও তার লোকজন মারধর করেন।এতে তোফাজ্জুল গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ সেপ্টেম্বর তোফাজ্জুল মিয়া মারা যান। বক্তারা অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের এক মাস পেরিয়ে গেলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা দ্রুত হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। দাবি বাস্তবায়ন না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন মানববন্ধনে অংশ নেওয়া এলাকাবাসী। নিহত তোফাজ্জুলের বড় ভাই শাহীন মিয়া বলেন, হত্যাকারীরা নির্মমভাবে আমার সহজ সরল ভাইকে হত্যা করেছে। তার তিন অবুঝ শিশু সন্তান পিতাকে হারিয়ে এখন নির্বাক। আমরা চাই পুলিশ যেন যেন তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসে।তোফাজ্জুলের ছেলে রাহিম মিয়া বলেন, আমার চোখের সামনে আমার বাকে হত্যা করা হয়েছে। অথচ পুলিশ কোন আসামিকে গ্রেফতার করছে না। আমি আমার বাবার হত্যাকারিদের ফাসির দাবী জানাই।


পূজায় বোনাস না পাওয়ায় আন্দোলনে চা বাগান শ্রমিকরা

পূজায় বোনাস না পাওয়ায় আন্দোলনে চা বাগান শ্রমিকরা

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বাংলাদেশ চা সংসদ ও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন (বিসিএস-বাচাশ্রই) এর চুক্তি মোতাবেক দুর্গাপূজার বোনাস না দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন তিন চা বাগান চা শ্রমিকরা। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় আলীনগর চা বাগান হাসপাতালের সম্মুখে তিন চা বাগানের শ্রমিকরা মানববন্ধন থেকে পূজার পূর্বের ন্যায্য বোনাস প্রদানের দাবি জানিয়েছেন। ডানকান ব্রাদার্স আলীনগর চা বাগান ও এর ফাঁড়ি সুনছড়া এবং কামারছড়া চা বাগান পঞ্চায়েতের আয়োজনে মানববন্ধনে আলীনগর চা বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি গণেশ পাত্রের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- সজল কৈরী, শ্যামল গোস্বামী, কামারছড়া চা বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি দিলিপ কৈরী, সীতারাম বীন, চা শ্রমিক ইউনিয়নের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরী প্রমুখ।বক্তারা বলেন, চা শ্রমিকরা হাড়ভাঙ্গা খাটুনি খেটে রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে সারাবছর কাজ করেন। অথচ বছরের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজায় বোনাস প্রদানে অনিয়ম করা হচ্ছে। এবছর বিসিএস-বাচাশ্রই এর চুক্তি মোতাবেক কর্মদিবস গণনা করে উৎসব বোনাস প্রদান করার কথা। অথচ সপ্তাহে রবিবার মজুরি পাই, বার্ষিক ছুটিতে মজুরি দেয়া হয়, অর্জিত ছুটির দিনকে কর্মদিবস হিসাবে গণ্য না করে শ্রমিকরা যে দিনগুলোতে কাজ করেছেন শুধু সেসব দিন হিসাব করে বৈষম্যমূলক বোনাস প্রদান করা হয়েছে। ফলে অনেকেই ন্যায্য বোনাস প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এবং শ্রমিকরা তাদের পরিবার পরিজনদের নিয়ে উৎসাহ উদ্দীপনায় দুর্গাপূজার উৎসব পালন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অথচ বাংলাদেশ শ্রমআইন-২০০৬ (২০২৬ সালে সংশোধিত) এর ২(২ক) ধারা এবং বাংলাদেশ শ্রমবিধিমালা-২০১৫ এর ১১১(৫) বিধি অনুযায়ী যে কোন শিল্পে কর্মরত সকল শ্রমিককের জন্য উৎসব বোনাস প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, সেখানে কাজে উপস্থিতির কোন শর্ত নেই। এমন কি ২০২৩ সালের ১০ আগষ্ট চা-শিল্প সেক্টরে নি¤œতম মজুরির গেজেটে (এসআরও নং ২৪৬-আইন/২০২৩) অনুযায়ী উৎসব বোনাস প্রদান করার আইন আছে, সেখানে কাজে উপস্থিতির উপর বোনাস প্রদানের কোন শর্ত নেই। বক্তারা দুর্গাপূজার পূর্বেই শ্রমিকদের প্রাপ্য বোনাস প্রদানের জন্য চা বাগান ম্যানেজমেন্টের নিকট জোর দাবি জানান। অন্যতায় শ্রমিকরা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে বলে দাবি করেন। ১২ অক্টোবর গণমাধ্যমে প্রেরিত চা-শ্রমিক সংঘ মৌলভীবাজার জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত-সভাপতি শ্যামল অলমিক ও সাধারণ সম্পাদক হরিনারায়ন হাজরা এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, আগামী ১৬ অক্টোম্বর শারদীয় দুর্গা পূজা শুরু হবে কিন্তু এবছর এখনো অনেক বাগানের চা-শ্রমিকরা উৎসব বোনাস পাননি। আবার যেসব বাগানে উৎসব বোনাস প্রদান করা হয়েছে সেসকল বাগানেও পূর্ণ উৎসব বোনাস প্রদান করা হয়নি। শমসেরনগর, দেওছড়া, ডবলছড়া, চাতলাপুর, তিলকপুরসহ বিভিন্ন বাগানে উৎসব বোনাসের পরিবর্তে কর্মে উপস্থিতির উপর হাজিরা/উৎসাহ বোনাস প্রদান করে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।


সিলেটে শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু শুক্রবার

সিলেটে শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু শুক্রবার

দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে সিলেটসহ সারা দেশে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা।শাস্ত্রীয় আচার পালনের মাধ্যমে নিদ্রিত দেবীকে জাগ্রত করার পর আজ শুক্রবার মহাষষ্ঠীর অধিবাসের মধ্য দিয়ে মূল উৎসবের সূচনা হবে। এ বছর মহাসপ্তমীর তিথি দুই দিন থাকায় ছয় দিন ধরে উদযাপিত হবে এবারের দুর্গোৎসব।চলতি বছর সিলেট জেলা ও মহানগর মিলিয়ে মোট ৬৬২টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে সিলেট মহানগর এলাকায় ১৬২টি এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৫০০টি মণ্ডপ রয়েছে। পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সারা দেশে মোট ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে দুর্গোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৪৯৬টি বেশি।তিথির হিসাব অনুযায়ী এ বছর ছয় দিনব্যাপী দুর্গো উৎসবের সূচি: ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী, ১৭ ও ১৮ অক্টোবর মহাসপ্তমী (অধিক পূজা), ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমী ও কুমারী পূজা, ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।উৎসব শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ রাখতে সিলেট রেঞ্জ পুলিশের পক্ষ থেকে ১২টি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব বা অপপ্রচার রোধ করা, মণ্ডপের আশপাশে অবৈধ দোকান ও রাস্তায় গাড়ি পার্কিং না করা, মেলা বা মোটরসাইকেল রেসিং পরিহার করা।এছাড়া মণ্ডপে নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক যাতায়াত পথ, পর্যাপ্ত আলো, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র এবং নারী স্বেচ্ছাসেবক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জুয়া, আতশবাজি ফোটানো থেকে বিরত থাকা এবং আজান ও নামাজের সময় মাইক বা শব্দযন্ত্রের ব্যবহার সীমিত রাখার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ। যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


ছাতকে বিদ্যুৎ বিভাগে জনবলের অভাব, দুর্ভোগে ৪৫ হাজার গ্রাহক

ছাতকে বিদ্যুৎ বিভাগে জনবলের অভাব, দুর্ভোগে ৪৫ হাজার গ্রাহক

সুনামগঞ্জের ছাতক বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগে অনুমোদিত ৯০টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ২৪ জন। শূন্য রয়েছে ৬৬টি পদ। এর মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখা ও জরুরি মেরামতের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদও রয়েছে। জনবলসংকটের কারণে নিয়মিত সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এর প্রভাব পড়ছে ছাতকসহ আশপাশের এলাকার প্রায় ৪৫ হাজার ৩০০ গ্রাহকের ওপর।বিভাগটির আওতায় ছাতক উপজেলার পাশাপাশি দোয়ারাবাজার ও জগন্নাথপুর উপজেলার আংশিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ লাইন রক্ষণাবেক্ষণ, ত্রুটি শনাক্তকরণ, জরুরি মেরামত ও গ্রাহকদের অভিযোগ নিষ্পত্তির দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে সীমিত জনবল দিয়ে। বিশেষ করে লাইনম্যান ও বিদ্যুৎ লাইনের সাহায্যকারীর সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।ছাতক বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কার্যালয়ে সহকারী প্রকৌশলীর পদটি শূন্য। চারটি উপসহকারী প্রকৌশলীর পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন একজন। নিম্নমান সহকারীর চারটি পদের মধ্যে তিনটি শূন্য। মিটার পাঠকের চারটি পদের একটিতেও কেউ নেই। ১৮টি এসবিএ পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র একজন। বিদ্যুৎ লাইনের সাহায্যকারীর ১৬টি পদের মধ্যে কর্মরত চারজন।জরুরি মেরামতকাজের জন্য তিনটি গাড়ি থাকলেও সেগুলোর কোনো স্থায়ী চালক নেই। ফোরম্যান ও লাইনম্যানের কয়েকটি পদও শূন্য। এ ছাড়া উচ্চমান সহকারী, হিসাব সহকারী, স্টোর কিপার ও অভিযোগ গ্রহণকারীর পদে জনবল নেই বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। নিরাপত্তা প্রহরী ও কার্যালয়ের অন্যান্য সহায়ক পদেও রয়েছে ঘাটতি।এদিকে জনবলসংকটের কারণে বিদ্যুৎ লাইনের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে অস্থায়ী এবং দৈনিক মজুরিভিত্তিক শ্রমিকদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা জানান, এসব শ্রমিকের অনেকে প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের ঘাটতি নিয়েই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেন। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। আবার গ্রাহকদের বিভিন্ন প্রয়োজনে এসব শ্রমিকের সহায়তা নিতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের অভিযোগও রয়েছে।ছাতকের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বিদ্যুৎ লাইন রক্ষণাবেক্ষণের কাজও সহজ নয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খাল-বিল ও হাওরের মধ্য দিয়ে বিদ্যুতের লাইন গেছে। ঝড়-বৃষ্টি হলে এসব লাইনে ত্রুটি দেখা দেয়। তখন দ্রুত ত্রুটি শনাক্ত করে মেরামত করা জরুরি হয়ে পড়ে। কিন্তু পর্যাপ্ত লাইনম্যান ও সাহায্যকারী না থাকায় এ ধরনের কাজ সামলাতে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের বেগ পেতে হয়।এই বিভাগের দায়িত্ব শুধু আবাসিক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহে সীমাবদ্ধ নয়। ছাতকে লাফার্জ-হোলসিম সিমেন্ট কারখানা, ছাতক সিমেন্ট কারখানা, সিলেট পাল্প অ্যান্ড পেপার মিলসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর ও কলকারখানা রয়েছে। ছাতক ১৩২/৩৩ কেভি উপকেন্দ্র থেকে ১৩২ কেভি সার্কিটের মাধ্যমে সুনামগঞ্জ ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রেও বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। ফলে এ বিভাগের কার্যক্রম সচল রাখা গুরুত্বপূর্ণ।ছাতক বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নুর মোহাম্মদ তারেক বলেন, জনবলসংকটের কারণে গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে এখনো সংকটের কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি।এদিকে বিভাগটির জনবলসংকটের বিষয়ে অবগত থাকার কথা জানিয়ে সিলেট অঞ্চলের বিভাগীয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ইমাম হোসেন বলেন, বিষয়টি বিদ্যুৎ বিভাগের প্রধান কার্যালয়কে জানানো হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ বিভাগের একটি বড় নিয়োগপ্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সেটি সম্পন্ন হলে জনবলসংকট অনেকটা কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।


সিলেটে অফারের নামে বন্ডের প্র তা র ণা, জ রি মা না করল ভোক্তা

সিলেটে অফারের নামে বন্ডের প্র তা র ণা, জ রি মা না করল ভোক্তা

বাইরে চকচকে বিজ্ঞাপন, দামি মোড়কের ছবি আর বড় অংকের মাূল্যছাড়ের অফার! কিন্তু ভেতরে দেখা যায় বিজ্ঞাপন বা সাইনবোর্ডের লেখার সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। এমন প্রতারণার অপরাধে জিন্দাবাজারের বারুতখানায় অবস্থিত বি বন্ড নামের কাপড়ের দোকানকে জরিমানা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরের দিকে অভিযান চালিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর  সিলেট জেলা কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার দেবানন্দ সিনহা এই জরিমানা করেন।সিলেট পণ্যএসময় তাকে সহযোগীতা করে সিলেট মহানগর পুলিশের একটি দল।দেবানন্দ সিনহা জানান, তাদের সাইন বোর্ড ও ব্যানারের লেখার সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। ৪০ পারসেন্ট মূল্যছাড়ের কথা লেখা দেখিয়ে কাস্টমারদের ভেতরে নিয়ে যায়, কিন্তু সেখানে দেখা যায় অনেক আইটেমে মাত্র ১০ পারসেন্ট মূল্য ছাড়।সিলেটের খবরতিনি আরও জানানা, বিজ্ঞাপনে অত্যন্ত দামি মোড়ক বা প্যাকেট দেখালেও বাস্তবে দেখা গেছে অত্যন্ত স্বস্তা মোড়কে তারা পোশাক ডেলিভারি দিচ্ছে। এটাও প্রতারণা। তাই  তাদেরকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি সতর্কও করা হয়েছে।সাধারণ ভোক্তাদের স্বার্থে এধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।


সিলেটে নবজাতকের মৃত্যু: মাউন্ট এডোরা হসপিটালের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

সিলেটে নবজাতকের মৃত্যু: মাউন্ট এডোরা হসপিটালের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

সিলেটের আখালিয়াস্থ মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে চিকিৎসকদের অবহেলায় এক প্রবাসীর নবজাতক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সিলেট সিভিল সার্জন কার্যালয়।সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্তকে আহ্বায়ক করে গঠিত এই কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ভুক্তভোগী প্রবাসী ইদ্রিছ আলীর নবজাতক সন্তানের চিকিৎসার ক্ষেত্রে হাসপাতালের চিকিৎসকদের চরম অবহেলার অভিযোগ উঠার পর সিভিল সার্জন দপ্তর এ পদক্ষেপ নেয়।তদন্ত কমিটির অন্য তিন সদস্য হলেন- খাদিমপাড়া ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের গাইনি বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মোছা. ফাতেমা ইয়াসমিন, গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এনেস্থেশিয়া বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট (বর্তমানে প্রেষণে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে কর্মরত) ডা. মিজানুর রহমান মামুন এবং কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শিশু বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট (বর্তমানে প্রেষণে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে কর্মরত) ডা. রুপা সরকার।এর আগে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মাউন্ট এডোরা হসপিটালে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিয়ে গৃহবধূকে নরমাল ডেলিভারির সময় টানা-হেঁচড়া করে নবজাতকের মৃত্যু ঘটানোর অভিযোগ উঠে।জানা যায়, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার দক্ষিণ কলাউড়া গ্রামের প্রবাসী ইদ্রিস আলীর স্ত্রী নাজমা বেগম গর্ভকালীন সিলেটের গাইনি ডাক্তার রেজওয়ানা মির্জার অধীনে চিকিৎসা নেন। এই চিকিৎসকের পরামর্শে নাজমা বেগমকে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মাউন্ট এডোরা হসপিটালে ভর্তি করানো হয়। শুক্রবার বিকালে তার প্রসব বেদনা উঠলে ডাক্তার রেজওয়ানা মির্জার ফোনে দেওয়া পরামর্শে নরমাল ডেলিভারেরির প্রস্তুতি নেন হাসপাতালের ডিউটিরত ডাক্তাররা। কিন্তু ডেলিভারির সময় নবজাতককে ‘টানা-হেঁচড়া’ কারা হলে তার মৃত্যু হয়। নাজমা বেগমের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করে বলেন- চিকিৎসকরা কোনো সুনির্দিষ্ট বিবরণ না দিয়ে এবং প্রসূতি বা তার অভিভাবকদের সাথে কোনো পরামর্শ না করেই  আগের ভুল আল্ট্রাসনোগ্রাফির উপর ভিত্তি করে সিজারের পরিবর্তে নরমাল ডেলিভারে করতে যান কর্তব্যরতরা। এছাড়া এসময় ডাক্তার রেজওয়ানা মির্জা হাসপাতালে উপস্থিতও ছিলেন না।স্বজনদের দাবি- সিজার করলে ৩-৪ কেজি ওজনের বাচ্চা হতে পারতো বলে জানানো হলেও চিকিৎসকরা নরমাল ডেলিভারি করে প্রসূতিকে ঝুঁকিতে ফেলেন এবং শিশুকে মেরে ফেলেন।ঘটনার দিন মাউন্ট এডোরা হাসপিটালের ব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে অসম্মতি প্রকাশ করে বলেন- রোগীর স্বজনদের যদি মনে হয় ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তবে তারা আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে পারেন এবং হাসপাতাল পক্ষ তা আইনগতভাবে মোকাবিলা করবে, এতে কোনো সমস্যা নেই।ডেপুটি সিভিল সার্জন ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ডা. জন্মেজয় দত্ত বলেন- বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে রিপোর্ট পেশের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।উল্লেখ্য, মাউন্ট এডোরা হাসপিটালে প্রায়ই ভুল চিকিৎসায় এভাবে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠে।


 সিলেটে হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ১২৪

সিলেটে হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ১২৪

হাম ও হাম সন্দেহে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১২৪ জন।বৃহস্পতিবার সকালে সিলেট বিভাগীয় কর্মকর্তার দপ্তর থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।তারা জানান, টানা প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন হাম ও হাম সন্দেহে মৃত্যু দেখেছেন সিলেটবাসী। তবে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার আগের ২৪ ঘন্টায় সিলেট বিভাগে হাম ও হাম সন্দেহে কারও মৃত্যু হয়নি। সম্প্রতি টানা দুইদিন এ অঞ্চলে হামে কারও মৃত্যু হয়নি- বিষয়টি বেশ স্বস্তির।তবে এ সময়ে বিভিন্ন হাসপতাালে ভর্তি হয়েছেন ১২৪ জন। তাদের মধ্যে সিলেটের শহিদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে ৬০, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪১, রাগীব- রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১, পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬, মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ১, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১১ ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন ২ জন।বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও হাম সন্দেহে চিকিৎসাধীন ৪৬৩ জন। এদিকে গত ২ দিন সিলেট বিভাগে নতুন কোনো হাম রোগীও শনাক্ত হয়নি। তবে এ বছর এ বিভাগে মোট শনাক্ত হয়েছেন ১১০২ জন। তাদের মধ্যে সিলেট জেলায় ৪২৯, হবিগঞ্জে ১৫৮, মৌলভীবাজারে ১৫৮ ও সুনামগঞ্জে শনাক্ত হয়েছেন ৩৫৭ জন।এ বছর সিলেটে হাম ও হাম সন্দেহে মৃত্যু হয়েছে ১৯২ জনের। তাদের মধ্যে সিলেট জেলায় ৭৯, হবিগঞ্জে ২৯, মৌলভীবাজারে ১৫ ও সুনামগঞ্জে মৃত্যু হয়েছে ৬৯ জনের। এদের মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের।


সিলেটে আত্মগোপনে থাকা খুনের মামলার তিন আসামীকে ধরল এসআরবি

সিলেটে আত্মগোপনে থাকা খুনের মামলার তিন আসামীকে ধরল এসআরবি

নীলফামারীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পিটিয়ে হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলার তিন আসামিকে সিলেটে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৯ ও এসআরবি-১৩)।যৌথ অভিযানের ভিত্তিতে মঙ্গলবার গভীর রাতে জালালাবাদ থানার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা বাজারসংলগ্ন একটি বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃতরা হলেন—নীলফামারী জেলার ডোমার থানাধীন হাঁসরাজ গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল হোসেন (৪০), তার স্ত্রী মোছা. আমেনা বেগম (৩৫) ও তাদের ছেলে মো. হৃদয় ইসলাম (১৯)।মামলার বিবরণী ও এসআরবি সূত্রে জানা যায়, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে গত ৫ জুন হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে প্রতিপক্ষ। পরবর্তীতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৪ জুন দেলোয়ার হোসেন মারা গেলে নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ডোমার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।ঘটনার পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে ছিলেন জানিয়ে এসআরবি-৯-এর মিডিয়া অফিসার কেএম শহিদুল ইসলাম জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সিলেটে আত্মগোপনে থাকা এজাহারনামীয় তিন আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।


স্বামীর কাছে পাওনা টাকার জের, স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

স্বামীর কাছে পাওনা টাকার জের, স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

গাজীপুরের শ্রীপুরে স্বামীকে পাশের কক্ষে আটকে রেখে এক নারী পোশাকশ্রমিককে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চার ব্যক্তির বিরুদ্ধে।অভিযুক্তদের হুমকি-ধমকির ভয়ে ঘটনার পর দুই দিন ঘরবন্দী থাকার পর বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে স্বজনদের সহায়তায় থানায় গিয়ে মামলা করেন ভুক্তভোগী। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।ভুক্তভোগী ২০ বছর বয়সী ওই নারীর বাড়ি শেরপুর জেলায়। তিনি শ্রীপুরের গাজীপুর ইউনিয়নে ভাড়া বাসায় স্বামীর সঙ্গে থাকেন এবং স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন।ভুক্তভোগীর ভাষ্য, প্রায় ছয় মাস ধরে তারা একটি বাসায় ভাড়া থাকছিলেন। এলাকায় চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় স্বামীর সঙ্গে পরামর্শ করে গত সোমবার বাসা পরিবর্তনের উদ্যোগ নেন তারা। বাসার মালিককে তিন মাসের অগ্রিম ভাড়া পরিশোধ করে মালামাল সরানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তারা। এ সময় স্থানীয় দুই যুবক ফারুক ও নয়ন তার স্বামীকে ডেকে নিয়ে যান। দীর্ঘ সময় পর স্বামী বাসায় ঢফরেন। রাত সাড়ে ৮টার পরে ওই দুই যুবক অজ্ঞাত আরো দুজনকে সঙ্গে নিয়ে তাদের ঘরে প্রবেশ করেন। তিনি জানান, একপর্যায়ে তার স্বামীকে মারধর করে পাশের কক্ষে আটকে রাখা হয়। ফারুক তার স্বামীর কাছে টাকা পাওনা রয়েছে বলে দাবি করেন এবং তার কথামতো কাজ করলে দুজনকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেন। এতে রাজি না হওয়ায় ফারুক, নয়ন ও অজ্ঞাত একজন মিলে তার হাত বেঁধে ফেলেন। পরে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।ভুক্তভোগী আরো জানান, ঘটনার সময় তিনি অভিযুক্তদের কাছে বারবার অনুনয়-বিনয় করেও রেহাই পাননি। ভয়ে আশপাশের কেউ তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেননি। ঘটনার পরও অভিযুক্তদের ভয়ে স্বামীসহ বাসা থেকে বের হতে পারেননি তারা। তাদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে দাবি করেন ওই নারী। পরে স্বজনদের খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে সহযোগিতা করেন। তাদের সহায়তায় থানায় গিয়ে বিচার চেয়েছেন ভুক্তভোগী।ভুক্তভোগীর স্বামী জানান, তাকে পাশের কক্ষে আটকে রেখে মারধর করা হয়। এ সময় তাকে বলা হয়েছিল, তার স্ত্রী টাকা আনতে গেছেন। পরে স্ত্রীর কাছে গিয়ে নির্যাতনের বিষয়টি বুঝতে পারেন। কিন্তু বিচার চাইতে বের হওয়ার চেষ্টা করলে তাকেও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, বিষয়টি জানার পর থানার পরিদর্শককে (তদন্ত) প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


হুথিদের হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ কেন সৌদি আরব?

হুথিদের হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ কেন সৌদি আরব?

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তি সৌদি আরব। প্রতিরক্ষা খাতে প্রতিবছর বিপুল অর্থ বিনিয়োগ, অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান সংগ্রহ এবং শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার পরও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা পুরোপুরি ঠেকাতে পারছে না দেশটি। বিমানবন্দর, তেল শোধনাগার, পাইপলাইনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এখনো হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, এত বিপুল সামরিক ব্যয়ের পরও কেন সৌদি আরব তার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে পুরোপুরি সুরক্ষিত রাখতে পারছে না?সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এই পরিস্থিতির পেছনের কারণগুলো তুলে ধরা হয়েছে।স্টকহোমভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) হিসাব অনুযায়ী, গত বছর সৌদি আরব প্রতিরক্ষা খাতে প্রায় ৮ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় করেছে। এই বিপুল ব্যয়ের কারণে সামরিক খাতে বিশ্বের সর্বোচ্চ ব্যয়কারী ১০টি দেশের তালিকায় রয়েছে দেশটি।যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছে সৌদি আরব। এর মধ্যে রয়েছে মার্কিন প্যাট্রিয়ট ও থাড আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য থেকেও উন্নত অস্ত্র কিনেছে রিয়াদ।কিন্তু অত্যাধুনিক অস্ত্রের উপস্থিতি থাকলেই যে প্রতিটি হামলা প্রতিহত করা সম্ভব, সৌদি আরবের অভিজ্ঞতা তার বিপরীত চিত্র তুলে ধরছে। গত এক সপ্তাহে রাজধানী রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দরে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা দেশটির প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা আবারও সামনে এনেছে।এর একটি বড় কারণ সৌদি আরবের বিশাল ভূখণ্ড এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার বিস্তৃতি। যুক্তরাষ্ট্রের আয়তনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এলাকাজুড়ে বিস্তৃত দেশটিকে একসঙ্গে একাধিক দিক থেকে আসা হুমকি মোকাবিলা করতে হচ্ছে।পূর্ব দিকে ইরান, উত্তর দিকে ইরান-সমর্থিত ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং দক্ষিণে ইয়েমেনভিত্তিক হুথিরা সৌদি আরবের নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। চলতি বছরের সবচেয়ে তীব্র আঞ্চলিক সংঘাতের সময় ইরান সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনা ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে প্রায় এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। ইরাকের ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়ারা দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনেও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, ইয়েমেনের পাহাড়ি এলাকায় গোপন ঘাঁটি ও চলমান উৎক্ষেপণব্যবস্থা ব্যবহার করে হুথিরা দক্ষিণ দিক থেকে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।সৌদি আরবের অর্থনৈতিক রূপান্তর নিয়ে কাজ করা ওয়েবসাইট ভিশন২০৩০ ডট এআইয়ের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দেশটিকে সুরক্ষিত রাখার অর্থ কেবল রাজধানী রিয়াদ বা কোনো একটি তেল শোধনাগার রক্ষা করা নয়। বরং বিস্তীর্ণ ভূখণ্ডে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, জ্বালানি অবকাঠামো, বিমানবন্দর ও অন্যান্য সম্পদকে একই সঙ্গে সুরক্ষা দিতে হয়।এ ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে আকাশপথে আসা হুমকি শনাক্ত করতে হয়, কোন লক্ষ্যবস্তুতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা নির্ধারণ করতে হয় এবং প্রয়োজনে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করতে হয়। এতগুলো কাজ একসঙ্গে সম্পন্ন করা অত্যন্ত জটিল।সৌদি প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অনেক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম হলেও সব হামলা প্রতিহত করা যাচ্ছে না। দেশটির এক সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, বিপুলসংখ্যক স্থাপনা ঝুঁকিতে থাকায় কোথায় কতটা প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম মোতায়েন করা হবে, তা নির্ধারণ করতে গিয়ে কর্তৃপক্ষকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।সৌদিতে টানা তৃতীয় দিন হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলাক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের সমন্বিত হামলায় বাড়ছে চ্যালেঞ্জহুথিদের হামলার কৌশল সৌদি আরবের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার জন্য ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। তারা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও দূরপাল্লার ড্রোন একসঙ্গে ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ভেদ করার চেষ্টা করছে। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার ব্যবহৃত হামলাপদ্ধতির সঙ্গে এই কৌশলের মিল রয়েছে। রাশিয়াও বিভিন্ন সময়ে ইউক্রেনের লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক ড্রোন ব্যবহার করেছে।ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সাধারণত তুলনামূলক নিচু দিয়ে উড়তে পারে। ফলে রাডারে এগুলো শনাক্ত করা এবং গতিপথ পর্যবেক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে হুথিরা নতুন ধরনের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের দাবি করছে, যেগুলো উড্ডয়নের সময় দিক পরিবর্তন করতে পারে।বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র একযোগে ব্যবহার করা হলে প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে একসঙ্গে একাধিক গতিপথ, উচ্চতা ও গতির হুমকি মোকাবিলা করতে হয়। ফলে একটি মাত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দিয়ে সব ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করা কঠিন।তবে হুথিদের সামরিক সক্ষমতা শুধু তাদের নিজস্ব প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠেনি। আন্তর্জাতিক অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ইয়েমেনে ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অস্ত্র ও সামরিক প্রযুক্তির উপস্থিতির কথা একাধিকবার উল্লেখ করেছে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা।প্রায় আট বছর আগে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা ইয়েমেনে এমন ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ, সামরিক সরঞ্জাম ও ড্রোন খুঁজে পেয়েছিলেন, যেগুলোর উৎস ইরান বলে চিহ্নিত করা হয়েছিল। দুই বছর আগে একই বিশেষজ্ঞ দল জানায়, অর্থায়ন, যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন ধরনের সামরিক প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম সরবরাহের ক্ষেত্রে বাইরের সহায়তার মাত্রা ও পরিধি ছিল নজিরবিহীন।বিশেষজ্ঞদের মতে, হুথিদের ব্যবহৃত সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে হাতেম-২ ও ফিলিস্তিন-২-এর নকশায় ইরানি অস্ত্রের সঙ্গে সাদৃশ্য রয়েছে। এগুলো দ্রুতগতিসম্পন্ন এবং নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য তৈরি।এর আগে গত বছর হুথিদের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অতিক্রম করে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের কাছে আঘাত হানে। এ ঘটনায় বিশ্লেষক আমির বার শালম সিএনএনকে বলেছিলেন, প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূর থেকে নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্রের এত নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানো বিস্ময়কর।ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজেদ আল-নাজিলির দাবি, হুথিরা ইরানি আকাশ প্রতিরক্ষার প্রযুক্তিও পরিবর্তন ও উন্নত করেছে, যাতে বিমান ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা যায়। গত মাসে তিনি জানান, এসব ক্ষেপণাস্ত্র ২৫ মিনিট পর্যন্ত আকাশে ঘোরাফেরা করতে পারে এবং তাপ শনাক্তকারী প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিচালিত হয়।ইরানের আঞ্চলিক মিত্রগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে হুথিরা এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে টিকে আছে। হিজবুল্লাহ, হামাস ও ইরাকের বিভিন্ন মিলিশিয়ার সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও হুথিরা নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে।তেহরানের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতেও হুথিরা প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছিল। তবে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হলেও তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক ও সামরিক স্বার্থও রয়েছে।২০১৫ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সৌদি আরবের সঙ্গে দীর্ঘ সাত বছরের সংঘাতে ইয়েমেনের হুতিনিয়ন্ত্রিত এলাকায় ব্যাপক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। এরপরও অর্থনৈতিক ও পরিবহনসংক্রান্ত অবরোধের চাপ থেকে তারা পুরোপুরি মুক্ত হতে পারেনি।এই প্রেক্ষাপটে গত জুলাইয়ে হুথিরা লোহিত সাগরে সৌদি জাহাজে হামলার ঘোষণা দেয়। এরপর সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু হয়। প্রথম দিকে লোহিত সাগর উপকূলে সৌদি আরামকোর একটি তেল শোধনাগার লক্ষ্যবস্তু হয়। পরবর্তী সময়ে সৌদি বিমানঘাঁটিগুলোতেও হামলা চালানো হয়।হুতিদের দাবি, ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকে সহায়তা দিয়ে সৌদি আরব যে বিমান অভিযান চালাচ্ছে, তা বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ হিসেবে রিয়াদের কাছ থেকে বিপুল অর্থও দাবি করছে তারা।সংঘাত প্রশমনে ইরান সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে। গত সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা শুরু করতে প্রয়োজনীয় যেকোনো সহায়তা দিতে তেহরান প্রস্তুত।তবে হুথিদের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-বুখাইতি দাবি করেছেন, সৌদি আরব মধ্যস্থতার প্রস্তাব মেনে নিলেও হুথিরা দুই সপ্তাহ ও এক মাসের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।আল-বুখাইতির ভাষ্য, বর্তমান সংঘাত আগের লড়াইগুলোর মতো নয়। প্রতিদিন যুদ্ধের পরিধি ও ক্ষয়ক্ষতি বাড়তে পারে। ফলে এখন যে সমঝোতা সম্ভব, পরিস্থিতি আরও জটিল হলে তা অর্জন করা কঠিন হয়ে উঠতে পারে।বেসামরিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ভাবমূর্তি নিয়ে উদ্বেগহুতিদের সঙ্গে সংঘাত বাড়লেও সৌদি আরব স্বাভাবিক পরিস্থিতির ভাবমূর্তি ধরে রাখার চেষ্টা করেছে। তবে রিয়াদ বিমানবন্দরে প্রাণঘাতী হামলার আগের সপ্তাহে দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষের মোবাইল ফোনে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সতর্কবার্তা পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছিল।সিএনএনের সঙ্গে কথা বলা রিয়াদের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, পরে আবার সতর্কবার্তা পাঠানো শুরু হয়। সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি, গত সোমবার তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে।রিয়াদে বসবাসকারী এক প্রবাসী জানান, চলতি সপ্তাহে তার সন্তানেরা বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করছে। বিমানবন্দরে হামলার আগের দিনগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে স্বয়ংক্রিয় সতর্কবার্তা না পাওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন। সোমবারের মধ্যে অবশ্য ফোনে সতর্কবার্তা কার্যকরভাবে আসতে শুরু করে। বিমানবন্দরে হামলার পর সপ্তাহান্তজুড়ে কর্তৃপক্ষের নীরবতা নিয়েও তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।নিরাপত্তার পাশাপাশি সৌদি আরবের সামনে বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বিমানবন্দরে হামলায় এক ডজনের বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হওয়ার পর হুথিদের সঙ্গে সমঝোতা করা রাজনৈতিকভাবে কঠিন হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে, পাল্টা বিমান হামলা আরও জোরদার করলে হুথিরা নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাতে পারে।এই পরিস্থিতি সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের অর্থনৈতিক রূপান্তরের পরিকল্পনাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। তার লক্ষ্য সৌদি আরবকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও পর্যটনের অন্যতম প্রধান গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা।


দেশের তিন বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস

দেশের তিন বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস

দেশের উপকূলবর্তী তিন বিভাগে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও সার্বিক আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত দেওয়া আবহাওয়া বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ সময় দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসেও একই তিন বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। এ সময়ে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের বাকি অংশে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে এবং দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে অধিদপ্তর জানায়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বর্তমানে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলে এমন বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।