সিলেটের বার্তা প্রতিবেদক:: সিলেটের দক্ষিণ সুরমা ঢাকা সিলেট মহাসড়কের পাশে লালাবাজার বেতসুন্দি (ফকিরের গাঁও নামক স্থানে রয়েছে ৩৬০ আউলিয়ার সফর সঈী হযরত শাহ আব্দুর রহিম (রহ:) মাজার।
সেই মাজারের নামে লালাবাজারের দু'টি ব্যাংকে রয়েছে কোটি টাকার উপরে। এখন নতুন করে আরেকটি ব্যাংক একাউন্ট খুলে বসেছেন।
এই বিষয়ে গ্রামবাসী কয়েক দফা বসা হয় মাজার নিয়ে কথা বলার জন্য। কিন্তু এবার ঘটেছে তার উল্টেটা, বর্তমান কমিটির সভাপতি ওয়ারিছ আলী।
বর্তমান খাদেম আব্দুল শহিদ সিলেটের বার্তাকে জানান, আমার বাবার চাচাতো ভাই। তিনি প্রকৃত কোনো খাদেম নন। খুব লোভী প্রকৃতির মানুষ। বিচারের আশ্বাস দিয়ে উল্টাে আমাদের বিরুদ্ধে হামলা করেছি মর্মে থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করেন।
তিনি বলেন, আমার দাদা মরহুম ফকির সুরুজ আলী ছিলেন এই মাজারের প্রতিষ্ঠাকালীন খাদেম।
তিনি মৃত্যুবরণ করার পর মাজার পরিচালনা করেন সুরুজ আলীর ভাই সোয়াব আলী। সোয়াব আলী মৃত্যুর পর তার ছেলে সোনাহর আলীখাদেমের দায়িত্ব পালন করেন।
তার মৃত্যুর পর থেকে আমরা গ্রামবাসীকে নিয়ে হজরত শাহ আব্দুর রহিম (র:) মাজারের সুন্দর ভাবে পরিচালনা করে আসছি।
গ্রামবাসীদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়।কমিটির সভাপতি ১ ওয়ারিছ আলী, ২, সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম, ৩, মশাহিদ আহমদ রনি।
এ ব্যাপারে এলাকার একাধিক বাসিন্দারা জানান, বর্তমান কমিটি আসার পর থেকে এই মাজারের হিসেব আর আগের মতো দেওয়া হয়না।
মাজারের আয়-ব্যয়ের হিসেব কেন দেওয়া হয়না এমন প্রশ্নের জবাবে মাজারের বর্তমান কমিটির সভাপতি ওয়ারিছ আলী সিলেটের বার্তাকে বলেন, মাজার পরিচালনা করছি আমি। হিসেব -নিকেষ আবার কাকে দিবো?
তখন এই প্রতিবেদক জানতে চান মাজারটি ডিসির খতিয়ানের জায়গা উপর কিনা? উত্তেজিত হয়ে তিনি বলেন-আমি একজন মুক্তিযোদ্ধো। এই মাজার এখন আমাদের দখলে থাকবে।
ডিসির খতিয়ানের জায়গা: জেলা সিলেট, উপজেলা দক্ষিণ সুরমা, মৌজা- ফরিদপুর জে, এল নং -৫৫ খতিয়ান নং-১ দাগ নং-এস এ ৪৩, ৮৭০,১৩৭৫,বি, এস ৩৯,৬২৪,৬২৫,১৫২৩, মোট মোয়াজী, ১.৪৯ একর।
বিস্তারিত আগামী পর্বে কার টাকায় বাড়ি গাড়ি?
চোখ রাখুন সিলেটের বার্তায়
মতামত