সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

আওয়ামী লীগ নেতা রঞ্জিত সরকারকে হত্যার পরিকল্পনা ফাঁস



আওয়ামী লীগ নেতা রঞ্জিত সরকারকে হত্যার পরিকল্পনা ফাঁস
সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট জেলা ও দায়রা জজ (প্রথম) আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট রঞ্জিত চন্দ্র সরকারকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম। ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেট এমসি কলেজে স্বামীর সামনে স্ত্রীর ধর্ষণের ঘটনায় প্রতিশোধ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. মো. শফিকুর রহমানের ছেলে ডা. রাফাত চৌধুরীর নেতৃত্বে রঞ্জিত সরকারকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। ডা. রাফাত নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সিলেট অঞ্চলের প্রধান সমন্বয়ক। তাকে বুধবার (৯ নভেম্বার) সিলেট থেকে গ্রেফতার করে ঢাকায় নিয়ে যায় ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের উপকমিশনার (ডিসি) মিশুক চাকমা।তিনি জানান, ডা. রাফাতের নেতৃত্বে সিলেটের আওয়ামী লীগ নেতা রঞ্জিত সরকারকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। সিলেটের ‘আত তাকওয়া’ নামক মসজিদে ডা. রাফাত নিয়মিত সংগঠনের লোকজনদের সঙ্গে বৈঠক করতেন। সিটিটিসি জানায়, ২০২১ সালে আরাকানে রোহিঙ্গাদের পক্ষে জিহাদের জন্য রাখাইনের সশস্ত্র সংগঠন ‘আরসা’ ও ‘আরএসও’ উভয় সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করে হিযরত করেন ডা. রাফাত। বান্দরবানের নাইক্ষংছড়ি সীমান্তে ‘আরএসও’ নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি। সিটিটিসি প্রধান মো. আসাদুজ্জামান জানান, ১ নভেম্বর রাজধানীর সায়দাবাদ এলাকায় অভিযানে চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন- জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সদস্য সিলেট সরকারি কলেজের স্নাতক (সম্মান) ছাত্র ও বিয়ানীবাজারের বৈরাগীবাজারের বাসিন্দা সেজাদুল ইসলাম সাহাব তানিম ওরফে ইসা ওরফে আরাফাত ওরফে আনোয়ার ওরফে আনবির (২৪) এবং মো. জাহিদ হাসান ভূঁইয়া (২১) ও সৈয়দ রিয়াজ আহমদ (২২)। তাদের তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা প্রত্যেকেই উগ্রবাদী জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম সিলেট অঞ্চলের প্রধান সমন্বয়ক ডা. রাফাত চৌধুরীর মাধ্যমে দাওয়াতপ্রাপ্ত হন। তারা ৬ নভেম্বর ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে গ্রেফতার এই তিনজন ডা. রাফাতসহ অন্যান্য সহযোগীদের নাম প্রকাশ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় সিলেট এলাকা থেকে বুধবার ডা. রাফাত চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়। সিটিটিসি আরও জানায়, জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম সিলেট আঞ্চলিক সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছিলেন ডা. রাফাত। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ধর্মভীরু তরুণদের জিহাদি চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার জন্য দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। ২০২১ সালে আরাকানে রোহিঙ্গাদের পক্ষে জিহাদ করার জন্য আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও রোহিঙ্গা সলিডারিটি অরগানাইজেশন (আরএসও) উভয় সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করে হিযরত করেন। বান্দরবানের নাইক্ষংছড়ি সীমান্তে ‘আরএসও’ নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন ডা. রাফাত। ২০২১ সালের জুলাই মাসে রাফাতের নেতৃত্বে সিলেট থেকে ১১ জন একসঙ্গে আরাকানে যাওয়ার জন্য হিযরত করেন।   জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় আ.লীগ নেতার জিডি এদিকে নিজের নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট জেলা ও দায়রা জজ (প্রথম) আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট রঞ্জিত চন্দ্র সরকার। বুধবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে কোতায়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তিনি। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী মাহমুদ জানান, অ্যাডভোকেট রঞ্জিত চন্দ্র সরকার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। তার করা জিডি তদন্তের জন্য পুলিশের এক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সাধারণ ডায়েরিতে রঞ্জিত সরকার উল্লেখ করেন, 'সোমবার (৭ নভেম্বর) পত্রিকার একটি সংবাদে তিনি দেখতে পান, জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সদস্য সিলেট সরকারি কলেজের স্নাতক (সম্মান) ছাত্র ও বিয়ানীবাজার থানার বৈরাগীবাজারের বাসিন্দা সেজাদুল ইসলাম সাহাব আনিস জঙ্গিরা যাকে ইসা নামে চেনে তাকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পুলিশের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সে বলেছে, আমার ওপর হামলার ছক এঁকেছে। সে মিশন সম্পন্ন করতে ছুরিও কিনে রেখেছে।' জবানবন্দির বরাতে সাধারণ ডায়েরিতে আরও বলা হয়, '২০২০ সালে সিলেট এমসি কলেজে ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। জঙ্গি ইসার ভাষ্য ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়নি। তার বিশ্বাস সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রনজিত সরকারের কারণে অপরাধীরা পার পেয়েছেন।' এমন সংবাদে তিনি হতবাক জানিয়ে বলেন, 'আমার সন্দেহ হচ্ছে, জঙ্গি সংগঠনসহ আমার যেকোনও প্রতিপক্ষ আমার জীবননাশসহ যেকোনও ক্ষতি সাধন করতে পারে। তাই আমার রাজনৈতিক ও জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শ করে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার স্বার্থে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি।'   সূত্র: দৈনিক শ্যামল সিলেট

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

সিলেটের বার্তা ২৪

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আওয়ামী লীগ নেতা রঞ্জিত সরকারকে হত্যার পরিকল্পনা ফাঁস

প্রকাশের তারিখ : ১০ নভেম্বর ২০২২

featured Image
সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট জেলা ও দায়রা জজ (প্রথম) আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট রঞ্জিত চন্দ্র সরকারকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম। ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেট এমসি কলেজে স্বামীর সামনে স্ত্রীর ধর্ষণের ঘটনায় প্রতিশোধ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. মো. শফিকুর রহমানের ছেলে ডা. রাফাত চৌধুরীর নেতৃত্বে রঞ্জিত সরকারকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। ডা. রাফাত নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সিলেট অঞ্চলের প্রধান সমন্বয়ক। তাকে বুধবার (৯ নভেম্বার) সিলেট থেকে গ্রেফতার করে ঢাকায় নিয়ে যায় ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের উপকমিশনার (ডিসি) মিশুক চাকমা।তিনি জানান, ডা. রাফাতের নেতৃত্বে সিলেটের আওয়ামী লীগ নেতা রঞ্জিত সরকারকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। সিলেটের ‘আত তাকওয়া’ নামক মসজিদে ডা. রাফাত নিয়মিত সংগঠনের লোকজনদের সঙ্গে বৈঠক করতেন। সিটিটিসি জানায়, ২০২১ সালে আরাকানে রোহিঙ্গাদের পক্ষে জিহাদের জন্য রাখাইনের সশস্ত্র সংগঠন ‘আরসা’ ও ‘আরএসও’ উভয় সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করে হিযরত করেন ডা. রাফাত। বান্দরবানের নাইক্ষংছড়ি সীমান্তে ‘আরএসও’ নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি। সিটিটিসি প্রধান মো. আসাদুজ্জামান জানান, ১ নভেম্বর রাজধানীর সায়দাবাদ এলাকায় অভিযানে চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন- জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সদস্য সিলেট সরকারি কলেজের স্নাতক (সম্মান) ছাত্র ও বিয়ানীবাজারের বৈরাগীবাজারের বাসিন্দা সেজাদুল ইসলাম সাহাব তানিম ওরফে ইসা ওরফে আরাফাত ওরফে আনোয়ার ওরফে আনবির (২৪) এবং মো. জাহিদ হাসান ভূঁইয়া (২১) ও সৈয়দ রিয়াজ আহমদ (২২)। তাদের তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা প্রত্যেকেই উগ্রবাদী জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম সিলেট অঞ্চলের প্রধান সমন্বয়ক ডা. রাফাত চৌধুরীর মাধ্যমে দাওয়াতপ্রাপ্ত হন। তারা ৬ নভেম্বর ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে গ্রেফতার এই তিনজন ডা. রাফাতসহ অন্যান্য সহযোগীদের নাম প্রকাশ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় সিলেট এলাকা থেকে বুধবার ডা. রাফাত চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়। সিটিটিসি আরও জানায়, জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম সিলেট আঞ্চলিক সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছিলেন ডা. রাফাত। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ধর্মভীরু তরুণদের জিহাদি চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার জন্য দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। ২০২১ সালে আরাকানে রোহিঙ্গাদের পক্ষে জিহাদ করার জন্য আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও রোহিঙ্গা সলিডারিটি অরগানাইজেশন (আরএসও) উভয় সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করে হিযরত করেন। বান্দরবানের নাইক্ষংছড়ি সীমান্তে ‘আরএসও’ নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন ডা. রাফাত। ২০২১ সালের জুলাই মাসে রাফাতের নেতৃত্বে সিলেট থেকে ১১ জন একসঙ্গে আরাকানে যাওয়ার জন্য হিযরত করেন।   জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় আ.লীগ নেতার জিডি এদিকে নিজের নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট জেলা ও দায়রা জজ (প্রথম) আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট রঞ্জিত চন্দ্র সরকার। বুধবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে কোতায়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তিনি। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী মাহমুদ জানান, অ্যাডভোকেট রঞ্জিত চন্দ্র সরকার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। তার করা জিডি তদন্তের জন্য পুলিশের এক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সাধারণ ডায়েরিতে রঞ্জিত সরকার উল্লেখ করেন, 'সোমবার (৭ নভেম্বর) পত্রিকার একটি সংবাদে তিনি দেখতে পান, জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সদস্য সিলেট সরকারি কলেজের স্নাতক (সম্মান) ছাত্র ও বিয়ানীবাজার থানার বৈরাগীবাজারের বাসিন্দা সেজাদুল ইসলাম সাহাব আনিস জঙ্গিরা যাকে ইসা নামে চেনে তাকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পুলিশের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সে বলেছে, আমার ওপর হামলার ছক এঁকেছে। সে মিশন সম্পন্ন করতে ছুরিও কিনে রেখেছে।' জবানবন্দির বরাতে সাধারণ ডায়েরিতে আরও বলা হয়, '২০২০ সালে সিলেট এমসি কলেজে ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। জঙ্গি ইসার ভাষ্য ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়নি। তার বিশ্বাস সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রনজিত সরকারের কারণে অপরাধীরা পার পেয়েছেন।' এমন সংবাদে তিনি হতবাক জানিয়ে বলেন, 'আমার সন্দেহ হচ্ছে, জঙ্গি সংগঠনসহ আমার যেকোনও প্রতিপক্ষ আমার জীবননাশসহ যেকোনও ক্ষতি সাধন করতে পারে। তাই আমার রাজনৈতিক ও জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শ করে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার স্বার্থে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি।'   সূত্র: দৈনিক শ্যামল সিলেট

সিলেটের বার্তা ২৪

প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমান
সম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪
আওয়ামী লীগ নেতা রঞ্জিত সরকারকে হত্যার পরিকল্পনা ফাঁস
0:00 0:00
1.0x