রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আজমিরীগঞ্জে সরকারি জলমহাল থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের অভিযোগ
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৩
হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জের সরকারি জলমহাল থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
উপজেলায় কাকাইলছেও ইউনিয়নে সরকারি ছিলারাগ গ্রুপ (হাওর ) জলমহাল থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে বিক্রি করছেন বলে বিএনপি নেতা মোশাররফ হোসেন বাবুল এর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে পদক্ষেপ নিতে বুধবার (৮ মে) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন রসুলপুর মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি নুর ইসলাম।
অভিযোগে নুর ইসলাম বলেন, সরকারী ইজারাকৃত জলমহাল থেকে এক্সেভেটর মেশিন দিয়ে মাটি উত্তোলন করছে উপজেলার কাকাইলছেও ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের মৃত. আব্দুর রহমান মিয়ার ছেলে মোশাররফ হোসেন বাবুল, মৃত. চান্দ মিয়ার ছেলে মানিক মিয়া ও শিবপাসা ইউনিয়নের জিয়াউর রহমান।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কাকাইলছেও ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রাম সংলগ্ন ছিলার বাগ গ্রুপ (হাওর ) জলমহালটি ১৪৩০-১৪৩৫ বাংলা সালের উন্নয়ন প্রকার বাস্তবায়নের শর্তে নগদ ১১ লাক্ষ ২৬ হাজার ২৫০ টাকা এবং আনুসাঙ্গিক নগদ টাকা সরকার বরাবরে জন্য প্রদান সাপেক্ষে বর্ণিত জলমহালটি ইজারা গ্রহণ পূর্বক হবিগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এর সহিত যথারীতি চুক্তিনামা সম্পাদন করে ৩ মে হবিগঞ্জ জেলা রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর মাধ্যমে ছিলারাগ জলমহালটি লিখিত দখলনামা গ্রহণ করে উন্নয়ন কাজ চলমান থাকা অবস্থায় মোশাররফ হোসেন বাবুল, মানিক মিয়া ও জিয়াউর রহমান এক্সেভেটর গাড়ি দিয়ে আমাদের জলমহালের মাটি জোর পূর্বক কেটে নিয়ে যাচ্ছে।
রসুলপুর সমিতির সদস্যরা বাঁধা দিলে বর্ণিত অভিযোগ ব্যক্তিরা সরকারী জমির মাটি নিচ্ছে বলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করেন। এছাড়া জলমহালটি রক্ষায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন বন্ধ করার জন্য তারা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছেন।
মাটি উত্তোলন বন্ধ করা না হলে রসুলপুর মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির সকল সদস্যরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন ।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মোশাররফ হোসেন বাবুল বলেন, তিনি কোন জলমহাল বা সরকারি জলমহাল থেকে মাটি উত্তোলন করেননি। তার নিজের জমি থেকে মাটি উত্তোলন করে নিজের জমি ভরাট করেছি। তবে তিনি মাটি উত্তোলনের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করেছিলেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মো. রফিকুল আলম বলেন, জলমহালটি থেকে মাটি উত্তোলনের বিষয়ে উনি অবগত নয়। অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের ব্যাপারে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও জানান তিনি।
প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমানসম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪
মতামত