সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

শুভ বাংলা নববর্ষ



শুভ বাংলা নববর্ষ

কোনো কোনো দিন আছে যার শুরুটা হয় সুন্দরের সহযোগে। এমন দিনে পরাস্ত হয় সকল অসুন্দর। সকাল থেকেই সূচনা হয় সম্প্রীতির। দিনভর গাওয়া হয় মানবতার গান। সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে অনর্গল বলে যায় বিশেষ উপলক্ষে বিকশিত হওয়া অন্তর। শেকড়ের সংস্কৃতির জাগরণে কেঁপে ওঠে ধর্মের নামে অধর্মে লিপ্ত সুবিধাবাদী গোষ্ঠী। মানবিক সমাজের তাগিদে জ্বলে ওঠে প্রতিবাদী চেতনা। ধর্মের বিভেদ রেখা ঘুচিয়ে দেওয়া বাঙালি সত্তার কাছে হেরে যায় সমাজবিনাশী অপশক্তি। সম্প্রীতির আহ্বানে মানবতার মর্মবাণীতে সৃমদ্ধ ও কল্যাণময় সমাজ ও রাষ্ট্রের বিনির্মাণের প্রত্যয় প্রকাশের সেই বিশেষ দিন আজ সোমবার। বাংলা পঞ্জিকার হিসাবে নতুন বাংলা সন ১৪৩২ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন পয়লা বৈশাখ। শুভ নববর্ষ। রবি ঠাকুরের সুরাশ্রিত ভাষায়- এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ/তাপস নিঃশ্বাস বায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে/বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক ...। পুরনো বছরের দুঃখ-গ্লানি কিংবা সকল ব্যর্থতাকে পাশ কাটিয়ে আগামীর সম্ভাবনাকে আলিঙ্গনের দিন এই পয়লা বৈশাখ। বাঙালি জাতিসত্তার আপন কৃষ্টি ও সংস্কৃতির প্রকাশের সুন্দরতম প্রকাশের দিন। কবি নজরুলের কাব্যিক কথায়- ঐ নূতনের কেতন ওড়ে কালবোশেখীর ঝড়/তোরা সব জয়ধ্বনি কর ...। Ezoic উদার অসাম্প্রদায়িক উৎসবের পক্ষে জয়ধ্বনি করবে আজ সারা দেশের মানুষ। বিগত দিনের অপ্রাপ্তি ও আক্ষেপ ভুলে খুঁজে নেবে নতুন দিনের স্বপ্নের ঠিকানা। উচ্চারিত হবে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার। ধর্ম-বর্ণের বিভাজন পেরিয়ে সকলে মেতে উঠবে মানুষে মানুষে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি রচনার আকাক্সক্ষায় । সকল অমঙ্গলকে পেছনে ফেলে মঙ্গলের পানে চোখ মেলে তাকাবে নববর্ষের প্রথম দিন পয়লা বৈশাখে। ইতিহাসের সূত্রে জানা যায়, বাংলা নববষের্র সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে গ্রাম বাংলার কৃষিনির্ভর জীবনের। এ সম্পকের্র সূত্র ধরেই বাংলা সন প্রবর্তন করেন মোগল স¤্রাট আকবর। তার আমলেই বঙ্গাব্দের প্রবর্তন ঘটে। বঙ্গাব্দের মাস হিসাবে বৈশাখের প্রথম স্থান অধিকার করার ইতিহাসটি বেশিদিনের না হলেও, আদি সাহিত্যে বৈশাখের সন্ধান মেলে। দক্ষের ২৭ কন্যার মধ্যে অনন্য সুন্দরী অথচ খরতাপময় মেজাজসম্পন্ন একজনের নাম বিশাখা। এই বিশাখা নক্ষত্রের নামানুসারেই বাংলা সনের প্রথম মাসের নামকরণ হয় বৈশাখ। সেই সূত্রে আবহমানকাল ধরেই চলছে বৈশাখকে কেন্দ্র করে নববর্ষ উদ্যাপনের আনুষ্ঠানিকতা। মূলত গ্রামীণ জীবনের উৎসব নববর্ষ কিংবা বর্ষবরণ কালের পরিক্রমায় ঠাঁই করে নিয়েছে নাগরিক জীবনে। এক সময় পরিণত হয়েছে সর্বজনীন উৎসবে। নববর্ষ উদ্যাপনে আজ রাজধানীসহ দেশজুড়ে বিরাজ করবে সাজ সাজ রব। আনন্দ-উৎসবে মেতে উঠবে প্রান্তিক জীবন থেকে নাগরিক মন। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় এবার নববর্ষ উদ্যাপনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি জাতীয়ভাবে বর্ণিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে সকল জাতিসত্তার অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণে ছড়িয়ে যাবে বর্ষবরণের আয়োজনে। সেই সুবাদে দেখা মিলবে চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, গারো, ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন জাতিসত্তার উদ্যাপন। নববর্ষ উপলক্ষে রবীন্দ্র সরোবরসহ ঢাকার নানা প্রান্তে অনুষ্ঠিত হবে নাচ-গান-কবিতার সমন্বিত বর্ণিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। অনুষ্ঠিত হবে ড্রোন শোসহ মনমাতানো আয়োজন। রাজধানীর বাইরে সরকারি আয়োজনে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় উপস্থাপিত হবে সাংস্কৃতিক পরিবেশনাসহ নানা কর্মসূচি। রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণের প্রভাতী আয়োজন দিয়ে রাজধানীবাসীর বর্ষবরণের সূচনা হবে। পয়লা বৈশাখের এই প্রভাতী আয়োজনে অন্ধকার কাটিয়ে আলোকিত জীবনের গান গাওয়া হবে। গানের সুরে, কবিতার শিল্পিত উচ্চারণে ব্যক্ত হবে সুন্দর আগামীর প্রত্যাশা। আর ছায়ানটের প্রভাতী আয়োজনটি শেষ হতেই বর্ষবরণের বহু বর্ণিলতাকে গায়ে মাখতে উৎসবপ্রিয় নগরবাসী ছুটে যাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। উচ্ছ্বসিত মনের ভালোলাগার অনুভবে অংশ নেবে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রায়। জাতিগত বিভেদ কিংবা ধর্মীয় বিভাজন পেরিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের বারতা দেবে এবারের শোভাযাত্রা। সুরে সুরে উচ্চারিত হবে শান্তির বাণী। ইসরাইল কর্তৃক গণহত্যার শিকার ফিলিস্তিনবাসীর প্রতি জানানো হবে সহমর্মিতা। নববর্ষে বিশিষ্টজনদের বাণী : নববর্ষ উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিশিষ্টজনরা বাণী দিয়েছেন। নববর্ষের বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, পয়েলা বৈশাখ বাঙালির সম্প্রীতির দিন, মহামিলনের দিন। আবহমান কাল ধরে নববর্ষের এই উৎসবে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমগ্র বাঙালি জাতি জেগে ওঠে নবপ্রাণ স্পন্দনে, নব-অঙ্গীকারে। সারা বছরের দুঃখ-জরা, মলিনতা ও ব্যর্থতাকে ভুলে এদিনে বাঙালি রচনা করে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য, আনন্দ ও ভালোবাসার মেলবন্ধন। আসুন, আমরা বিগত বছরের গ্ল্যানি, দুঃখ-বেদনা, অসুন্দর ও অশুভকে ভুলে গিয়ে নতুন প্রত্যয়ে, নতুন উদ্যমে সামনের দিকে এগিয়ে চলি। ’২৪-এর গণঅভ্যুত্থান আমাদের সামনে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার সুযোগ এনে দিয়েছে। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়াই হোক এই বাংলা নববর্ষে আমাদের অঙ্গীকার। নববর্ষে জাতির আত্মপরিচয়ের উজ্জ্বল উপাদান উল্লেখ করে ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশী জাতিসত্তার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নববর্ষ উদ্যাপন। এই উৎসবমুখর দিনে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশীকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আবহমানকাল ধরে নানা রূপ ও বৈচিত্র্য নিয়ে জাতির জীবনে বারবার ঘুরে আসে পহেলা বৈশাখ। নববর্ষের উৎসবের সঙ্গে যেন ভরে ওঠা প্রকৃতি ও প্রাণের যোগ আবহমানকাল ধরে বিদ্যমান। হৃদয়ে সঞ্চারিত হয় স্বজাতির অতীত গৌরব ও ঐশ্বর্য। ছায়ানটের প্রভাতী আয়ো কোনো কোনো দিন আছে যার শুরুটা হয় সুন্দরের সহযোগে। এমন দিনে পরাস্ত হয় সকল অসুন্দর। সকাল থেকেই সূচনা হয় সম্প্রীতির। দিনভর গাওয়া হয় মানবতার গান। সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে অনর্গল বলে যায় বিশেষ উপলক্ষে বিকশিত হওয়া অন্তর। শেকড়ের সংস্কৃতির জাগরণে কেঁপে ওঠে ধর্মের নামে অধর্মে লিপ্ত সুবিধাবাদী গোষ্ঠী। মানবিক সমাজের তাগিদে জ্বলে ওঠে প্রতিবাদী চেতনা। ধর্মের বিভেদ রেখা ঘুচিয়ে দেওয়া বাঙালি সত্তার কাছে হেরে যায় সমাজবিনাশী অপশক্তি। সম্প্রীতির আহ্বানে মানবতার মর্মবাণীতে সৃমদ্ধ ও কল্যাণময় সমাজ ও রাষ্ট্রের বিনির্মাণের প্রত্যয় প্রকাশের সেই বিশেষ দিন আজ সোমবার। বাংলা পঞ্জিকার হিসাবে নতুন বাংলা সন ১৪৩২ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন পয়লা বৈশাখ। শুভ নববর্ষ। রবি ঠাকুরের সুরাশ্রিত ভাষায়- এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ/তাপস নিঃশ্বাস বায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে/বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক ...। পুরনো বছরের দুঃখ-গ্লানি কিংবা সকল ব্যর্থতাকে পাশ কাটিয়ে আগামীর সম্ভাবনাকে আলিঙ্গনের দিন এই পয়লা বৈশাখ। বাঙালি জাতিসত্তার আপন কৃষ্টি ও সংস্কৃতির প্রকাশের সুন্দরতম প্রকাশের দিন। কবি নজরুলের কাব্যিক কথায়- ঐ নূতনের কেতন ওড়ে কালবোশেখীর ঝড়/তোরা সব জয়ধ্বনি কর ...। Ezoic উদার অসাম্প্রদায়িক উৎসবের পক্ষে জয়ধ্বনি করবে আজ সারা দেশের মানুষ। বিগত দিনের অপ্রাপ্তি ও আক্ষেপ ভুলে খুঁজে নেবে নতুন দিনের স্বপ্নের ঠিকানা। উচ্চারিত হবে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার। ধর্ম-বর্ণের বিভাজন পেরিয়ে সকলে মেতে উঠবে মানুষে মানুষে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি রচনার আকাক্সক্ষায় । সকল অমঙ্গলকে পেছনে ফেলে মঙ্গলের পানে চোখ মেলে তাকাবে নববর্ষের প্রথম দিন পয়লা বৈশাখে। ইতিহাসের সূত্রে জানা যায়, বাংলা নববষের্র সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে গ্রাম বাংলার কৃষিনির্ভর জীবনের। এ সম্পকের্র সূত্র ধরেই বাংলা সন প্রবর্তন করেন মোগল স¤্রাট আকবর। তার আমলেই বঙ্গাব্দের প্রবর্তন ঘটে। বঙ্গাব্দের মাস হিসাবে বৈশাখের প্রথম স্থান অধিকার করার ইতিহাসটি বেশিদিনের না হলেও, আদি সাহিত্যে বৈশাখের সন্ধান মেলে। দক্ষের ২৭ কন্যার মধ্যে অনন্য সুন্দরী অথচ খরতাপময় মেজাজসম্পন্ন একজনের নাম বিশাখা। এই বিশাখা নক্ষত্রের নামানুসারেই বাংলা সনের প্রথম মাসের নামকরণ হয় বৈশাখ। সেই সূত্রে আবহমানকাল ধরেই চলছে বৈশাখকে কেন্দ্র করে নববর্ষ উদ্যাপনের আনুষ্ঠানিকতা। মূলত গ্রামীণ জীবনের উৎসব নববর্ষ কিংবা বর্ষবরণ কালের পরিক্রমায় ঠাঁই করে নিয়েছে নাগরিক জীবনে। এক সময় পরিণত হয়েছে সর্বজনীন উৎসবে। নববর্ষ উদ্যাপনে আজ রাজধানীসহ দেশজুড়ে বিরাজ করবে সাজ সাজ রব। আনন্দ-উৎসবে মেতে উঠবে প্রান্তিক জীবন থেকে নাগরিক মন। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় এবার নববর্ষ উদ্যাপনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি জাতীয়ভাবে বর্ণিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে সকল জাতিসত্তার অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণে ছড়িয়ে যাবে বর্ষবরণের আয়োজনে। সেই সুবাদে দেখা মিলবে চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, গারো, ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন জাতিসত্তার উদ্যাপন। নববর্ষ উপলক্ষে রবীন্দ্র সরোবরসহ ঢাকার নানা প্রান্তে অনুষ্ঠিত হবে নাচ-গান-কবিতার সমন্বিত বর্ণিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। অনুষ্ঠিত হবে ড্রোন শোসহ মনমাতানো আয়োজন। রাজধানীর বাইরে সরকারি আয়োজনে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় উপস্থাপিত হবে সাংস্কৃতিক পরিবেশনাসহ নানা কর্মসূচি। রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণের প্রভাতী আয়োজন দিয়ে রাজধানীবাসীর বর্ষবরণের সূচনা হবে। পয়লা বৈশাখের এই প্রভাতী আয়োজনে অন্ধকার কাটিয়ে আলোকিত জীবনের গান গাওয়া হবে। গানের সুরে, কবিতার শিল্পিত উচ্চারণে ব্যক্ত হবে সুন্দর আগামীর প্রত্যাশা। আর ছায়ানটের প্রভাতী আয়োজনটি শেষ হতেই বর্ষবরণের বহু বর্ণিলতাকে গায়ে মাখতে উৎসবপ্রিয় নগরবাসী ছুটে যাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। উচ্ছ্বসিত মনের ভালোলাগার অনুভবে অংশ নেবে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রায়। জাতিগত বিভেদ কিংবা ধর্মীয় বিভাজন পেরিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের বারতা দেবে এবারের শোভাযাত্রা। সুরে সুরে উচ্চারিত হবে শান্তির বাণী। ইসরাইল কর্তৃক গণহত্যার শিকার ফিলিস্তিনবাসীর প্রতি জানানো হবে সহমর্মিতা। নববর্ষে বিশিষ্টজনদের বাণী : নববর্ষ উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিশিষ্টজনরা বাণী দিয়েছেন। নববর্ষের বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, পয়েলা বৈশাখ বাঙালির সম্প্রীতির দিন, মহামিলনের দিন। আবহমান কাল ধরে নববর্ষের এই উৎসবে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমগ্র বাঙালি জাতি জেগে ওঠে নবপ্রাণ স্পন্দনে, নব-অঙ্গীকারে। সারা বছরের দুঃখ-জরা, মলিনতা ও ব্যর্থতাকে ভুলে এদিনে বাঙালি রচনা করে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য, আনন্দ ও ভালোবাসার মেলবন্ধন। আসুন, আমরা বিগত বছরের গ্ল্যানি, দুঃখ-বেদনা, অসুন্দর ও অশুভকে ভুলে গিয়ে নতুন প্রত্যয়ে, নতুন উদ্যমে সামনের দিকে এগিয়ে চলি। ’২৪-এর গণঅভ্যুত্থান আমাদের সামনে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার সুযোগ এনে দিয়েছে। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়াই হোক এই বাংলা নববর্ষে আমাদের অঙ্গীকার। নববর্ষে জাতির আত্মপরিচয়ের উজ্জ্বল উপাদান উল্লেখ করে ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশী জাতিসত্তার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নববর্ষ উদ্যাপন। এই উৎসবমুখর দিনে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশীকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আবহমানকাল ধরে নানা রূপ ও বৈচিত্র্য নিয়ে জাতির জীবনে বারবার ঘুরে আসে পহেলা বৈশাখ। নববর্ষের উৎসবের সঙ্গে যেন ভরে ওঠা প্রকৃতি ও প্রাণের যোগ আবহমানকাল ধরে বিদ্যমান। হৃদয়ে সঞ্চারিত হয় স্বজাতির অতীত গৌরব ও ঐশ্বর্য। ছায়ানটের প্রভাতী আয়ো

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

সিলেটের বার্তা ২৪

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


শুভ বাংলা নববর্ষ

প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৫

featured Image

কোনো কোনো দিন আছে যার শুরুটা হয় সুন্দরের সহযোগে। এমন দিনে পরাস্ত হয় সকল অসুন্দর। সকাল থেকেই সূচনা হয় সম্প্রীতির। দিনভর গাওয়া হয় মানবতার গান। সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে অনর্গল বলে যায় বিশেষ উপলক্ষে বিকশিত হওয়া অন্তর। শেকড়ের সংস্কৃতির জাগরণে কেঁপে ওঠে ধর্মের নামে অধর্মে লিপ্ত সুবিধাবাদী গোষ্ঠী। মানবিক সমাজের তাগিদে জ্বলে ওঠে প্রতিবাদী চেতনা। ধর্মের বিভেদ রেখা ঘুচিয়ে দেওয়া বাঙালি সত্তার কাছে হেরে যায় সমাজবিনাশী অপশক্তি। সম্প্রীতির আহ্বানে মানবতার মর্মবাণীতে সৃমদ্ধ ও কল্যাণময় সমাজ ও রাষ্ট্রের বিনির্মাণের প্রত্যয় প্রকাশের সেই বিশেষ দিন আজ সোমবার। বাংলা পঞ্জিকার হিসাবে নতুন বাংলা সন ১৪৩২ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন পয়লা বৈশাখ। শুভ নববর্ষ। রবি ঠাকুরের সুরাশ্রিত ভাষায়- এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ/তাপস নিঃশ্বাস বায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে/বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক ...। পুরনো বছরের দুঃখ-গ্লানি কিংবা সকল ব্যর্থতাকে পাশ কাটিয়ে আগামীর সম্ভাবনাকে আলিঙ্গনের দিন এই পয়লা বৈশাখ। বাঙালি জাতিসত্তার আপন কৃষ্টি ও সংস্কৃতির প্রকাশের সুন্দরতম প্রকাশের দিন। কবি নজরুলের কাব্যিক কথায়- ঐ নূতনের কেতন ওড়ে কালবোশেখীর ঝড়/তোরা সব জয়ধ্বনি কর ...। Ezoic উদার অসাম্প্রদায়িক উৎসবের পক্ষে জয়ধ্বনি করবে আজ সারা দেশের মানুষ। বিগত দিনের অপ্রাপ্তি ও আক্ষেপ ভুলে খুঁজে নেবে নতুন দিনের স্বপ্নের ঠিকানা। উচ্চারিত হবে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার। ধর্ম-বর্ণের বিভাজন পেরিয়ে সকলে মেতে উঠবে মানুষে মানুষে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি রচনার আকাক্সক্ষায় । সকল অমঙ্গলকে পেছনে ফেলে মঙ্গলের পানে চোখ মেলে তাকাবে নববর্ষের প্রথম দিন পয়লা বৈশাখে। ইতিহাসের সূত্রে জানা যায়, বাংলা নববষের্র সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে গ্রাম বাংলার কৃষিনির্ভর জীবনের। এ সম্পকের্র সূত্র ধরেই বাংলা সন প্রবর্তন করেন মোগল স¤্রাট আকবর। তার আমলেই বঙ্গাব্দের প্রবর্তন ঘটে। বঙ্গাব্দের মাস হিসাবে বৈশাখের প্রথম স্থান অধিকার করার ইতিহাসটি বেশিদিনের না হলেও, আদি সাহিত্যে বৈশাখের সন্ধান মেলে। দক্ষের ২৭ কন্যার মধ্যে অনন্য সুন্দরী অথচ খরতাপময় মেজাজসম্পন্ন একজনের নাম বিশাখা। এই বিশাখা নক্ষত্রের নামানুসারেই বাংলা সনের প্রথম মাসের নামকরণ হয় বৈশাখ। সেই সূত্রে আবহমানকাল ধরেই চলছে বৈশাখকে কেন্দ্র করে নববর্ষ উদ্যাপনের আনুষ্ঠানিকতা। মূলত গ্রামীণ জীবনের উৎসব নববর্ষ কিংবা বর্ষবরণ কালের পরিক্রমায় ঠাঁই করে নিয়েছে নাগরিক জীবনে। এক সময় পরিণত হয়েছে সর্বজনীন উৎসবে। নববর্ষ উদ্যাপনে আজ রাজধানীসহ দেশজুড়ে বিরাজ করবে সাজ সাজ রব। আনন্দ-উৎসবে মেতে উঠবে প্রান্তিক জীবন থেকে নাগরিক মন। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় এবার নববর্ষ উদ্যাপনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি জাতীয়ভাবে বর্ণিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে সকল জাতিসত্তার অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণে ছড়িয়ে যাবে বর্ষবরণের আয়োজনে। সেই সুবাদে দেখা মিলবে চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, গারো, ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন জাতিসত্তার উদ্যাপন। নববর্ষ উপলক্ষে রবীন্দ্র সরোবরসহ ঢাকার নানা প্রান্তে অনুষ্ঠিত হবে নাচ-গান-কবিতার সমন্বিত বর্ণিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। অনুষ্ঠিত হবে ড্রোন শোসহ মনমাতানো আয়োজন। রাজধানীর বাইরে সরকারি আয়োজনে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় উপস্থাপিত হবে সাংস্কৃতিক পরিবেশনাসহ নানা কর্মসূচি। রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণের প্রভাতী আয়োজন দিয়ে রাজধানীবাসীর বর্ষবরণের সূচনা হবে। পয়লা বৈশাখের এই প্রভাতী আয়োজনে অন্ধকার কাটিয়ে আলোকিত জীবনের গান গাওয়া হবে। গানের সুরে, কবিতার শিল্পিত উচ্চারণে ব্যক্ত হবে সুন্দর আগামীর প্রত্যাশা। আর ছায়ানটের প্রভাতী আয়োজনটি শেষ হতেই বর্ষবরণের বহু বর্ণিলতাকে গায়ে মাখতে উৎসবপ্রিয় নগরবাসী ছুটে যাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। উচ্ছ্বসিত মনের ভালোলাগার অনুভবে অংশ নেবে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রায়। জাতিগত বিভেদ কিংবা ধর্মীয় বিভাজন পেরিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের বারতা দেবে এবারের শোভাযাত্রা। সুরে সুরে উচ্চারিত হবে শান্তির বাণী। ইসরাইল কর্তৃক গণহত্যার শিকার ফিলিস্তিনবাসীর প্রতি জানানো হবে সহমর্মিতা। নববর্ষে বিশিষ্টজনদের বাণী : নববর্ষ উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিশিষ্টজনরা বাণী দিয়েছেন। নববর্ষের বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, পয়েলা বৈশাখ বাঙালির সম্প্রীতির দিন, মহামিলনের দিন। আবহমান কাল ধরে নববর্ষের এই উৎসবে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমগ্র বাঙালি জাতি জেগে ওঠে নবপ্রাণ স্পন্দনে, নব-অঙ্গীকারে। সারা বছরের দুঃখ-জরা, মলিনতা ও ব্যর্থতাকে ভুলে এদিনে বাঙালি রচনা করে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য, আনন্দ ও ভালোবাসার মেলবন্ধন। আসুন, আমরা বিগত বছরের গ্ল্যানি, দুঃখ-বেদনা, অসুন্দর ও অশুভকে ভুলে গিয়ে নতুন প্রত্যয়ে, নতুন উদ্যমে সামনের দিকে এগিয়ে চলি। ’২৪-এর গণঅভ্যুত্থান আমাদের সামনে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার সুযোগ এনে দিয়েছে। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়াই হোক এই বাংলা নববর্ষে আমাদের অঙ্গীকার। নববর্ষে জাতির আত্মপরিচয়ের উজ্জ্বল উপাদান উল্লেখ করে ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশী জাতিসত্তার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নববর্ষ উদ্যাপন। এই উৎসবমুখর দিনে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশীকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আবহমানকাল ধরে নানা রূপ ও বৈচিত্র্য নিয়ে জাতির জীবনে বারবার ঘুরে আসে পহেলা বৈশাখ। নববর্ষের উৎসবের সঙ্গে যেন ভরে ওঠা প্রকৃতি ও প্রাণের যোগ আবহমানকাল ধরে বিদ্যমান। হৃদয়ে সঞ্চারিত হয় স্বজাতির অতীত গৌরব ও ঐশ্বর্য। ছায়ানটের প্রভাতী আয়ো কোনো কোনো দিন আছে যার শুরুটা হয় সুন্দরের সহযোগে। এমন দিনে পরাস্ত হয় সকল অসুন্দর। সকাল থেকেই সূচনা হয় সম্প্রীতির। দিনভর গাওয়া হয় মানবতার গান। সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে অনর্গল বলে যায় বিশেষ উপলক্ষে বিকশিত হওয়া অন্তর। শেকড়ের সংস্কৃতির জাগরণে কেঁপে ওঠে ধর্মের নামে অধর্মে লিপ্ত সুবিধাবাদী গোষ্ঠী। মানবিক সমাজের তাগিদে জ্বলে ওঠে প্রতিবাদী চেতনা। ধর্মের বিভেদ রেখা ঘুচিয়ে দেওয়া বাঙালি সত্তার কাছে হেরে যায় সমাজবিনাশী অপশক্তি। সম্প্রীতির আহ্বানে মানবতার মর্মবাণীতে সৃমদ্ধ ও কল্যাণময় সমাজ ও রাষ্ট্রের বিনির্মাণের প্রত্যয় প্রকাশের সেই বিশেষ দিন আজ সোমবার। বাংলা পঞ্জিকার হিসাবে নতুন বাংলা সন ১৪৩২ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন পয়লা বৈশাখ। শুভ নববর্ষ। রবি ঠাকুরের সুরাশ্রিত ভাষায়- এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ/তাপস নিঃশ্বাস বায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে/বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক ...। পুরনো বছরের দুঃখ-গ্লানি কিংবা সকল ব্যর্থতাকে পাশ কাটিয়ে আগামীর সম্ভাবনাকে আলিঙ্গনের দিন এই পয়লা বৈশাখ। বাঙালি জাতিসত্তার আপন কৃষ্টি ও সংস্কৃতির প্রকাশের সুন্দরতম প্রকাশের দিন। কবি নজরুলের কাব্যিক কথায়- ঐ নূতনের কেতন ওড়ে কালবোশেখীর ঝড়/তোরা সব জয়ধ্বনি কর ...। Ezoic উদার অসাম্প্রদায়িক উৎসবের পক্ষে জয়ধ্বনি করবে আজ সারা দেশের মানুষ। বিগত দিনের অপ্রাপ্তি ও আক্ষেপ ভুলে খুঁজে নেবে নতুন দিনের স্বপ্নের ঠিকানা। উচ্চারিত হবে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার। ধর্ম-বর্ণের বিভাজন পেরিয়ে সকলে মেতে উঠবে মানুষে মানুষে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি রচনার আকাক্সক্ষায় । সকল অমঙ্গলকে পেছনে ফেলে মঙ্গলের পানে চোখ মেলে তাকাবে নববর্ষের প্রথম দিন পয়লা বৈশাখে। ইতিহাসের সূত্রে জানা যায়, বাংলা নববষের্র সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে গ্রাম বাংলার কৃষিনির্ভর জীবনের। এ সম্পকের্র সূত্র ধরেই বাংলা সন প্রবর্তন করেন মোগল স¤্রাট আকবর। তার আমলেই বঙ্গাব্দের প্রবর্তন ঘটে। বঙ্গাব্দের মাস হিসাবে বৈশাখের প্রথম স্থান অধিকার করার ইতিহাসটি বেশিদিনের না হলেও, আদি সাহিত্যে বৈশাখের সন্ধান মেলে। দক্ষের ২৭ কন্যার মধ্যে অনন্য সুন্দরী অথচ খরতাপময় মেজাজসম্পন্ন একজনের নাম বিশাখা। এই বিশাখা নক্ষত্রের নামানুসারেই বাংলা সনের প্রথম মাসের নামকরণ হয় বৈশাখ। সেই সূত্রে আবহমানকাল ধরেই চলছে বৈশাখকে কেন্দ্র করে নববর্ষ উদ্যাপনের আনুষ্ঠানিকতা। মূলত গ্রামীণ জীবনের উৎসব নববর্ষ কিংবা বর্ষবরণ কালের পরিক্রমায় ঠাঁই করে নিয়েছে নাগরিক জীবনে। এক সময় পরিণত হয়েছে সর্বজনীন উৎসবে। নববর্ষ উদ্যাপনে আজ রাজধানীসহ দেশজুড়ে বিরাজ করবে সাজ সাজ রব। আনন্দ-উৎসবে মেতে উঠবে প্রান্তিক জীবন থেকে নাগরিক মন। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় এবার নববর্ষ উদ্যাপনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি জাতীয়ভাবে বর্ণিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে সকল জাতিসত্তার অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণে ছড়িয়ে যাবে বর্ষবরণের আয়োজনে। সেই সুবাদে দেখা মিলবে চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, গারো, ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন জাতিসত্তার উদ্যাপন। নববর্ষ উপলক্ষে রবীন্দ্র সরোবরসহ ঢাকার নানা প্রান্তে অনুষ্ঠিত হবে নাচ-গান-কবিতার সমন্বিত বর্ণিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। অনুষ্ঠিত হবে ড্রোন শোসহ মনমাতানো আয়োজন। রাজধানীর বাইরে সরকারি আয়োজনে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় উপস্থাপিত হবে সাংস্কৃতিক পরিবেশনাসহ নানা কর্মসূচি। রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণের প্রভাতী আয়োজন দিয়ে রাজধানীবাসীর বর্ষবরণের সূচনা হবে। পয়লা বৈশাখের এই প্রভাতী আয়োজনে অন্ধকার কাটিয়ে আলোকিত জীবনের গান গাওয়া হবে। গানের সুরে, কবিতার শিল্পিত উচ্চারণে ব্যক্ত হবে সুন্দর আগামীর প্রত্যাশা। আর ছায়ানটের প্রভাতী আয়োজনটি শেষ হতেই বর্ষবরণের বহু বর্ণিলতাকে গায়ে মাখতে উৎসবপ্রিয় নগরবাসী ছুটে যাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। উচ্ছ্বসিত মনের ভালোলাগার অনুভবে অংশ নেবে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রায়। জাতিগত বিভেদ কিংবা ধর্মীয় বিভাজন পেরিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের বারতা দেবে এবারের শোভাযাত্রা। সুরে সুরে উচ্চারিত হবে শান্তির বাণী। ইসরাইল কর্তৃক গণহত্যার শিকার ফিলিস্তিনবাসীর প্রতি জানানো হবে সহমর্মিতা। নববর্ষে বিশিষ্টজনদের বাণী : নববর্ষ উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিশিষ্টজনরা বাণী দিয়েছেন। নববর্ষের বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, পয়েলা বৈশাখ বাঙালির সম্প্রীতির দিন, মহামিলনের দিন। আবহমান কাল ধরে নববর্ষের এই উৎসবে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমগ্র বাঙালি জাতি জেগে ওঠে নবপ্রাণ স্পন্দনে, নব-অঙ্গীকারে। সারা বছরের দুঃখ-জরা, মলিনতা ও ব্যর্থতাকে ভুলে এদিনে বাঙালি রচনা করে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য, আনন্দ ও ভালোবাসার মেলবন্ধন। আসুন, আমরা বিগত বছরের গ্ল্যানি, দুঃখ-বেদনা, অসুন্দর ও অশুভকে ভুলে গিয়ে নতুন প্রত্যয়ে, নতুন উদ্যমে সামনের দিকে এগিয়ে চলি। ’২৪-এর গণঅভ্যুত্থান আমাদের সামনে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার সুযোগ এনে দিয়েছে। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়াই হোক এই বাংলা নববর্ষে আমাদের অঙ্গীকার। নববর্ষে জাতির আত্মপরিচয়ের উজ্জ্বল উপাদান উল্লেখ করে ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশী জাতিসত্তার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নববর্ষ উদ্যাপন। এই উৎসবমুখর দিনে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশীকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আবহমানকাল ধরে নানা রূপ ও বৈচিত্র্য নিয়ে জাতির জীবনে বারবার ঘুরে আসে পহেলা বৈশাখ। নববর্ষের উৎসবের সঙ্গে যেন ভরে ওঠা প্রকৃতি ও প্রাণের যোগ আবহমানকাল ধরে বিদ্যমান। হৃদয়ে সঞ্চারিত হয় স্বজাতির অতীত গৌরব ও ঐশ্বর্য। ছায়ানটের প্রভাতী আয়ো


সিলেটের বার্তা ২৪

প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমান
সম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪
শুভ বাংলা নববর্ষ
0:00 0:00
1.0x