সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

গোলাপগঞ্জে বাবার ব্যবসা পরিচালনা করতে গিয়ে চাচার রেষানোলের শিকার তরুণ ব্যবসায়ী শাহিন



গোলাপগঞ্জে বাবার ব্যবসা পরিচালনা করতে গিয়ে চাচার রেষানোলের শিকার তরুণ ব্যবসায়ী শাহিন

সিলেটের গোলাপগঞ্জে বাবার ব্যবসা পরিচালনা করতে গিয়ে চাচার রেষানোলের শিকার হয়েছেন মোনতাহার হোসেন শাহিন নামের এক তরুণ ব্যবসায়ী।

মোনতাহার হোসেন শাহিন গোলাপগঞ্জ উপজেলার একজন সফল ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা আবদুল কুদ্দুসের ছেলে। পিতার “শাহিন অটো ট্রেডার্স” এবং “শাহিন স্যানিটারি হাউজ” নামের এই দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে শাহিনের উপর ম্যানেজার পদে থাকা চাচা ইদন মিয়ার আক্রোশ ও ক্ষোভ জন্মাতে থাকে।

গোলাপগঞ্জের একাধিক ব্যবসায়ী সূত্রে জানা যায়, মোনতাহার হোসেন শাহিন পিতার ব্যবসা প্রতিষ্টান পরিচালনার জন্য বকেয়া উত্তোলন, এলাকায় প্রচারপত্র বিতরণসহ নানাবিদ উন্নয়ন কাজ করছিলেন যা ইদন মিয়া গংদের সহ্য হচ্ছিল না।

ব্যবসায়ীদের ধারণা ইদন মিয়া চতুর প্রকৃতির লোক। তিনি ভাই আবদুল কুদ্দুসের ব্যবসা প্রতিষ্টানের অর্থের তছরুপসহ লেনদেনে গরমিল করেই আসছিলেন। (এবং মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন এবং প্রায়ই বিভিন্ন মাদক মোনতাহার হোসেন শাহিন এর বাবার প্রতিষ্টানে বিক্রি করতেন। সবকিছু যখন আব্দুল কুদ্দুস জানতে পারেন) যার ফলে ইদন মিয়াকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

অনুসন্ধ্যানে জানা গেছে, ইদন মিয়া মাদকাসক্ত ছিলেন। চাকরি হারিয়ে আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেন ফলে মাদন ব্যবসাও সন্ত্রাসি কমকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। নিজের প্রভাব খাটিয়ে ইদন মিয়া মোনতাহার হোসেন শাহিন এর বাবাকে দোকান ছাড়ার নির্দেশ দেয়। ভবঘুরে হয়ে পড়েন। না ছাড়ার কারনে হুমকিদমকি প্রদান করতেন।

২০২২ সালের ২০ ডিসেম্বর মোনতাহার হোসেন শাহিন এর পিতা আবদুল কুদ্দুস ইদন মিয়াকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার পর। ক্ষক্ষমতাসীন দল এবং বিরোধী দলের যারা পাওয়ারফুল তাদের সাথে উঠাবসা শুরু করে দেন।এরপর থেকে ইদন মিয়া পরিস্থিতিকে গোলাটে করে তুলেন।

“শাহিন অটো ট্রেডার্স” এবং “শাহিন স্যানিটারি হাউজ” এর অন্যান্য স্টাফদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ২০২৩ সালের ১ আগস্ট একদল লোক দোকানে এসে মোনতাহার হোসেন শাহিনকে ব্যবসা প্রতিষ্টান ছেড়ে চলে যেতে হুমকি দেয় এবং বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি করে।

পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, তারা ছিলো শাহীন এর চাচা ইদন মিয়ার পক্ষের লোক এবং ক্ষমতাসীন সরকার দলের নেতাকর্মীরা।

এদিকে ওই ঘটনার একমাস পর ২ সেপ্টেম্বর শাহিনের চাচা ইদন মিয়া উশৃঙ্খল, সন্ত্রাস বাহিনী দ্বারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল করতে ফের হুমকী-দমকি দিয়ে চলে যান।

খোঁজ নিয়ে যায়, ইদন মিয়া ওইদিন রাতে তার সহযোগীসহ শাহিনের উপর হামলা করেন। এতে শাহিন গুরুতর আহত হন। তারা তাকে মারধর করে রাস্তায় ফেলে চলে যায়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

 

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

সিলেটের বার্তা ২৪

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


গোলাপগঞ্জে বাবার ব্যবসা পরিচালনা করতে গিয়ে চাচার রেষানোলের শিকার তরুণ ব্যবসায়ী শাহিন

প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

featured Image

সিলেটের গোলাপগঞ্জে বাবার ব্যবসা পরিচালনা করতে গিয়ে চাচার রেষানোলের শিকার হয়েছেন মোনতাহার হোসেন শাহিন নামের এক তরুণ ব্যবসায়ী।

মোনতাহার হোসেন শাহিন গোলাপগঞ্জ উপজেলার একজন সফল ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা আবদুল কুদ্দুসের ছেলে। পিতার “শাহিন অটো ট্রেডার্স” এবং “শাহিন স্যানিটারি হাউজ” নামের এই দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে শাহিনের উপর ম্যানেজার পদে থাকা চাচা ইদন মিয়ার আক্রোশ ও ক্ষোভ জন্মাতে থাকে।

গোলাপগঞ্জের একাধিক ব্যবসায়ী সূত্রে জানা যায়, মোনতাহার হোসেন শাহিন পিতার ব্যবসা প্রতিষ্টান পরিচালনার জন্য বকেয়া উত্তোলন, এলাকায় প্রচারপত্র বিতরণসহ নানাবিদ উন্নয়ন কাজ করছিলেন যা ইদন মিয়া গংদের সহ্য হচ্ছিল না।

ব্যবসায়ীদের ধারণা ইদন মিয়া চতুর প্রকৃতির লোক। তিনি ভাই আবদুল কুদ্দুসের ব্যবসা প্রতিষ্টানের অর্থের তছরুপসহ লেনদেনে গরমিল করেই আসছিলেন। (এবং মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন এবং প্রায়ই বিভিন্ন মাদক মোনতাহার হোসেন শাহিন এর বাবার প্রতিষ্টানে বিক্রি করতেন। সবকিছু যখন আব্দুল কুদ্দুস জানতে পারেন) যার ফলে ইদন মিয়াকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

অনুসন্ধ্যানে জানা গেছে, ইদন মিয়া মাদকাসক্ত ছিলেন। চাকরি হারিয়ে আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেন ফলে মাদন ব্যবসাও সন্ত্রাসি কমকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। নিজের প্রভাব খাটিয়ে ইদন মিয়া মোনতাহার হোসেন শাহিন এর বাবাকে দোকান ছাড়ার নির্দেশ দেয়। ভবঘুরে হয়ে পড়েন। না ছাড়ার কারনে হুমকিদমকি প্রদান করতেন।

২০২২ সালের ২০ ডিসেম্বর মোনতাহার হোসেন শাহিন এর পিতা আবদুল কুদ্দুস ইদন মিয়াকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার পর। ক্ষক্ষমতাসীন দল এবং বিরোধী দলের যারা পাওয়ারফুল তাদের সাথে উঠাবসা শুরু করে দেন।এরপর থেকে ইদন মিয়া পরিস্থিতিকে গোলাটে করে তুলেন।

“শাহিন অটো ট্রেডার্স” এবং “শাহিন স্যানিটারি হাউজ” এর অন্যান্য স্টাফদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ২০২৩ সালের ১ আগস্ট একদল লোক দোকানে এসে মোনতাহার হোসেন শাহিনকে ব্যবসা প্রতিষ্টান ছেড়ে চলে যেতে হুমকি দেয় এবং বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি করে।

পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, তারা ছিলো শাহীন এর চাচা ইদন মিয়ার পক্ষের লোক এবং ক্ষমতাসীন সরকার দলের নেতাকর্মীরা।

এদিকে ওই ঘটনার একমাস পর ২ সেপ্টেম্বর শাহিনের চাচা ইদন মিয়া উশৃঙ্খল, সন্ত্রাস বাহিনী দ্বারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল করতে ফের হুমকী-দমকি দিয়ে চলে যান।

খোঁজ নিয়ে যায়, ইদন মিয়া ওইদিন রাতে তার সহযোগীসহ শাহিনের উপর হামলা করেন। এতে শাহিন গুরুতর আহত হন। তারা তাকে মারধর করে রাস্তায় ফেলে চলে যায়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

 

সিলেটের বার্তা ২৪

প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমান
সম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪
গোলাপগঞ্জে বাবার ব্যবসা পরিচালনা করতে গিয়ে চাচার রেষানোলের শিকার তরুণ ব্যবসায়ী শাহিন
0:00 0:00
1.0x