শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স খুলে মিলল চার বস্তা টাকা



শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স খুলে মিলল চার বস্তা টাকা

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স ও ডেকচিগুলোর তালা খুলে টাকা গণনা শুরু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তালা খোলার পর মাজার প্রাঙ্গণেই টাকা গণনার কাজ শুরু হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এবার দানবাক্সগুলো থেকে প্রায় চার বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। শনিবার দুপুর পৌনে ১২টা পর্যন্ত টাকা গণনার কাজ চলছিল।

দানবাক্স ও ডেকচিগুলোর তালা খোলার সময় মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গঠিত কমিটির সদস্য ও সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সিলেট সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

টাকা গণনার কার্যক্রম গণমাধ্যমকর্মী, সচেতন নাগরিক এবং মাজার কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরাও পর্যবেক্ষণ করছেন।

এর আগে গত ২২ জুন প্রথমবার, ১১ জুলাই দ্বিতীয়বার এবং ১৫ আগস্ট তৃতীয় দফায় মাজারের দানবাক্স খোলা হয়েছিল। সর্বশেষ দানবাক্স খোলার প্রায় এক মাস চার দিন পর শনিবার আবারও সেগুলোর তালা খোলা হলো।

দানবাক্স খোলার পর প্রতিবারই মাজারে জমা হওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ গণনা করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে এ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হয়ে থাকে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

সিলেটের বার্তা ২৪

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স খুলে মিলল চার বস্তা টাকা

প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স ও ডেকচিগুলোর তালা খুলে টাকা গণনা শুরু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তালা খোলার পর মাজার প্রাঙ্গণেই টাকা গণনার কাজ শুরু হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এবার দানবাক্সগুলো থেকে প্রায় চার বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। শনিবার দুপুর পৌনে ১২টা পর্যন্ত টাকা গণনার কাজ চলছিল।

দানবাক্স ও ডেকচিগুলোর তালা খোলার সময় মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গঠিত কমিটির সদস্য ও সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সিলেট সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

টাকা গণনার কার্যক্রম গণমাধ্যমকর্মী, সচেতন নাগরিক এবং মাজার কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরাও পর্যবেক্ষণ করছেন।

এর আগে গত ২২ জুন প্রথমবার, ১১ জুলাই দ্বিতীয়বার এবং ১৫ আগস্ট তৃতীয় দফায় মাজারের দানবাক্স খোলা হয়েছিল। সর্বশেষ দানবাক্স খোলার প্রায় এক মাস চার দিন পর শনিবার আবারও সেগুলোর তালা খোলা হলো।

দানবাক্স খোলার পর প্রতিবারই মাজারে জমা হওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ গণনা করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে এ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হয়ে থাকে।


সিলেটের বার্তা ২৪

প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমান
সম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪